শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বান্দরবান সদর ও থানচি উপজেলার চারটি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ লক্ষ্যে সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি)। পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনটি বেইজ ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। ১৬ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ব্যাটালিয়নের সদস্যরা মাঠে নিয়োজিত থাকবেন। এ সময় নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি, সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
ব্যাটালিয়ন অধিনায়কের সার্বিক নেতৃত্বে বান্দরবান সদর ও থানচির পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, জনপ্রতিনিধি ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি গুজব, অপতথ্য ও সাম্প্রদায়িক উসকানি প্রতিরোধ এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বলিপাড়া ব্যাটালিয়নের (৩৮ বিজিবি) অধিনায়ক বলেন, ধর্মীয় উৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা বিজিবির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে পেশাদারত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে বিজিবি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অধিনায়ক আরও বলেন, যেকোনো সন্দেহজনক পরিস্থিতি দেখা দিলে নিকটস্থ বিজিবি বেইজ ক্যাম্প বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে হবে। একই সঙ্গে তিনি সবাইকে যেকোনো ধরনের গুজব ও অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বান্দরবান সদর ও থানচি উপজেলার চারটি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ লক্ষ্যে সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি)। পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনটি বেইজ ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। ১৬ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ব্যাটালিয়নের সদস্যরা মাঠে নিয়োজিত থাকবেন। এ সময় নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি, সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
ব্যাটালিয়ন অধিনায়কের সার্বিক নেতৃত্বে বান্দরবান সদর ও থানচির পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, জনপ্রতিনিধি ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি গুজব, অপতথ্য ও সাম্প্রদায়িক উসকানি প্রতিরোধ এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বলিপাড়া ব্যাটালিয়নের (৩৮ বিজিবি) অধিনায়ক বলেন, ধর্মীয় উৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা বিজিবির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে পেশাদারত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে বিজিবি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অধিনায়ক আরও বলেন, যেকোনো সন্দেহজনক পরিস্থিতি দেখা দিলে নিকটস্থ বিজিবি বেইজ ক্যাম্প বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে হবে। একই সঙ্গে তিনি সবাইকে যেকোনো ধরনের গুজব ও অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন