প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে যেকোনো এলাকাকে মানুষের কল্যাণে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। ঢাকার আমিনবাজারে গত দুই মাসে যে দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে, তা এর বড় প্রমাণ।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আমিনবাজার এলাকায় সড়কের পাশে গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘পরিবেশের সৌন্দর্য ধরে রাখতে স্থানীয় জনগণকে দায়িত্ব নিতে হবে। সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি এলাকাবাসীর সহযোগিতা থাকলে পরিবেশদূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যাগুলো ধীরে ধীরে সমাধান করা সম্ভব হবে।’
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে প্রায় দুই মাস আগের আমিনবাজারের চিত্র ও বর্তমান অবস্থার তুলনা করেন। তিনি বলেন, দুই মাস আগেও এখানে যে অবস্থা ছিল, বর্তমানে সেখানে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। এলাকাটি এখন দৃষ্টিনন্দন হয়েছে এবং এখানকার মানুষ আগের চেয়ে সুন্দর পরিবেশে শ্বাস নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।
এই উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা বেগমসহ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, সরকার একটি এলাকাকে সুন্দর করে গড়ে দিয়েছে, এখন তা রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব স্থানীয়দের নিতে হবে। সবাই মিলে কাজ করলে এলাকাটি আরও বাসযোগ্য হবে।
মহাসড়কের পাশে অবস্থিত শিল্পকারখানাগুলোকে এই কার্যক্রমে যুক্ত করার পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিল ও কারখানার মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে নির্দিষ্ট কিছু জায়গার পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব তাদের দেওয়া যেতে পারে। একই সঙ্গে যেসব স্থানে এখনো ময়লা-আবর্জনা জমে আছে, সেগুলো দ্রুত পরিষ্কার করে সৌন্দর্যবর্ধনের পরিকল্পনা নিতে তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগ ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয় থাকলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশগত সংকটগুলো দ্রুত দূর হবে।
আমিনবাজারের এই কার্যক্রমকে সারা দেশের জন্য একটি মডেল হিসেবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ঢাকা জেলা প্রশাসক পরিবেশ উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে অন্যান্য জেলার জন্য একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এটি দেখে দেশের অন্যান্য জেলার প্রশাসকরাও নিজ নিজ এলাকার অস্বাস্থ্যকর ও অপরিচ্ছন্ন স্থানগুলোকে সবুজ ও সুন্দর করে গড়ে তুলতে অনুপ্রাণিত হবেন।
কর্মসূচি উদ্বোধনের সময় স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, দলীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। মহাসড়কের দুই পাশে পরিকল্পিতভাবে এই সবুজায়ন কর্মসূচি চলমান থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে যেকোনো এলাকাকে মানুষের কল্যাণে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। ঢাকার আমিনবাজারে গত দুই মাসে যে দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে, তা এর বড় প্রমাণ।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আমিনবাজার এলাকায় সড়কের পাশে গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘পরিবেশের সৌন্দর্য ধরে রাখতে স্থানীয় জনগণকে দায়িত্ব নিতে হবে। সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি এলাকাবাসীর সহযোগিতা থাকলে পরিবেশদূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যাগুলো ধীরে ধীরে সমাধান করা সম্ভব হবে।’
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে প্রায় দুই মাস আগের আমিনবাজারের চিত্র ও বর্তমান অবস্থার তুলনা করেন। তিনি বলেন, দুই মাস আগেও এখানে যে অবস্থা ছিল, বর্তমানে সেখানে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। এলাকাটি এখন দৃষ্টিনন্দন হয়েছে এবং এখানকার মানুষ আগের চেয়ে সুন্দর পরিবেশে শ্বাস নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।
এই উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা বেগমসহ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, সরকার একটি এলাকাকে সুন্দর করে গড়ে দিয়েছে, এখন তা রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব স্থানীয়দের নিতে হবে। সবাই মিলে কাজ করলে এলাকাটি আরও বাসযোগ্য হবে।
মহাসড়কের পাশে অবস্থিত শিল্পকারখানাগুলোকে এই কার্যক্রমে যুক্ত করার পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিল ও কারখানার মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে নির্দিষ্ট কিছু জায়গার পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব তাদের দেওয়া যেতে পারে। একই সঙ্গে যেসব স্থানে এখনো ময়লা-আবর্জনা জমে আছে, সেগুলো দ্রুত পরিষ্কার করে সৌন্দর্যবর্ধনের পরিকল্পনা নিতে তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগ ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয় থাকলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশগত সংকটগুলো দ্রুত দূর হবে।
আমিনবাজারের এই কার্যক্রমকে সারা দেশের জন্য একটি মডেল হিসেবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ঢাকা জেলা প্রশাসক পরিবেশ উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে অন্যান্য জেলার জন্য একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এটি দেখে দেশের অন্যান্য জেলার প্রশাসকরাও নিজ নিজ এলাকার অস্বাস্থ্যকর ও অপরিচ্ছন্ন স্থানগুলোকে সবুজ ও সুন্দর করে গড়ে তুলতে অনুপ্রাণিত হবেন।
কর্মসূচি উদ্বোধনের সময় স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, দলীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। মহাসড়কের দুই পাশে পরিকল্পিতভাবে এই সবুজায়ন কর্মসূচি চলমান থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন