সৌদি আরবের জেদ্দায় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ঢাকার দোহার উপজেলার দুই প্রবাসী মহিদুল ইসলাম পলাশ ও ওবায়দুল ইসলামের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন ঢাকা জেলা মহিলা দলের সভাপতি শামীমা রহিম শিলা।
রোববার (১৮ অক্টোবর) লন্ডন থেকে দেশে ফিরেই তিনি নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
এ সময় শামীমা রহিম শিলা বলেন, ‘আজ দেশে ফিরেই হৃদয়ের টানে পলাশের দুই সন্তানকে দেখতে এসেছি। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে আমাদের এলাকার বহু পরিবার চলে। তাই তাদের প্রতি আমাদের অনেক দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। বিপদে-আপদে তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।’
প্রবাসীদের সম্মান দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রবাসীদের যেন আমরা শুধু টাকা তৈরির মেশিন হিসেবে না দেখি। তারা প্রবাসে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করেন দেশের মানুষকে ভালো রাখতে। নিজের সন্তানদের সুখে রাখতে বিদেশে পাড়ি জমানো সেই বাবাকে আজ চলে যেতে হলো ৯ বছরের মেয়ে এবং মাত্র ৩ মাসের ছেলেকে রেখে। এমনকি ছেলেটির মুখটাও দেখে যেতে পারেননি তিনি।’
দোহারের বিত্তশালীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, প্রবাসে কেউ মারা গেলে তাদের পরিবারের পাশে সমাজের সামর্থ্যবানদের দাঁড়ানো উচিত।
পরে তিনি নিহত পলাশ ও ওবায়দুলের মায়েদের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। পাশাপাশি পলাশের মেয়ের পড়াশোনা যেন বন্ধ না হয়, সে বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য, নিহত মহিদুল ইসলাম পলাশ দোহার উপজেলার উত্তর শিমুলিয়া গ্রামের কুদ্দুস মোল্লার ছেলে এবং একই গ্রামের হারুন বেপারীর ছেলে ওবায়দুল ইসলাম। জীবিকার তাগিদে কয়েক বছর আগে তাঁরা সৌদি আরবে যান। গত ৬ অক্টোবর সৌদি আরবের জেদ্দা শহরের তামান ইন আখিল এলাকায় একটি বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওই সময় ভবনে অবস্থানরত পলাশ ও ওবায়দুল ধোঁয়ায় আটকা পড়ে মারা যান।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
সৌদি আরবের জেদ্দায় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ঢাকার দোহার উপজেলার দুই প্রবাসী মহিদুল ইসলাম পলাশ ও ওবায়দুল ইসলামের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন ঢাকা জেলা মহিলা দলের সভাপতি শামীমা রহিম শিলা।
রোববার (১৮ অক্টোবর) লন্ডন থেকে দেশে ফিরেই তিনি নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
এ সময় শামীমা রহিম শিলা বলেন, ‘আজ দেশে ফিরেই হৃদয়ের টানে পলাশের দুই সন্তানকে দেখতে এসেছি। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে আমাদের এলাকার বহু পরিবার চলে। তাই তাদের প্রতি আমাদের অনেক দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। বিপদে-আপদে তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।’
প্রবাসীদের সম্মান দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রবাসীদের যেন আমরা শুধু টাকা তৈরির মেশিন হিসেবে না দেখি। তারা প্রবাসে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করেন দেশের মানুষকে ভালো রাখতে। নিজের সন্তানদের সুখে রাখতে বিদেশে পাড়ি জমানো সেই বাবাকে আজ চলে যেতে হলো ৯ বছরের মেয়ে এবং মাত্র ৩ মাসের ছেলেকে রেখে। এমনকি ছেলেটির মুখটাও দেখে যেতে পারেননি তিনি।’
দোহারের বিত্তশালীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, প্রবাসে কেউ মারা গেলে তাদের পরিবারের পাশে সমাজের সামর্থ্যবানদের দাঁড়ানো উচিত।
পরে তিনি নিহত পলাশ ও ওবায়দুলের মায়েদের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। পাশাপাশি পলাশের মেয়ের পড়াশোনা যেন বন্ধ না হয়, সে বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য, নিহত মহিদুল ইসলাম পলাশ দোহার উপজেলার উত্তর শিমুলিয়া গ্রামের কুদ্দুস মোল্লার ছেলে এবং একই গ্রামের হারুন বেপারীর ছেলে ওবায়দুল ইসলাম। জীবিকার তাগিদে কয়েক বছর আগে তাঁরা সৌদি আরবে যান। গত ৬ অক্টোবর সৌদি আরবের জেদ্দা শহরের তামান ইন আখিল এলাকায় একটি বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওই সময় ভবনে অবস্থানরত পলাশ ও ওবায়দুল ধোঁয়ায় আটকা পড়ে মারা যান।

আপনার মতামত লিখুন