সংবাদ

ফ্যামিলি কার্ডসহ সামাজিক সুরক্ষায় সমান সুবিধা পাবে সবাই


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১১ পিএম

ফ্যামিলি কার্ডসহ সামাজিক সুরক্ষায় সমান সুবিধা পাবে সবাই

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দুর্গাপূজায় সব ধর্মের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ জাতীয় ঐক্যের এক নতুন ও অনন্য দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে।

মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রাম নগরের ঐতিহাসিক জেএম সেন হল প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর আয়োজিত দুর্গাপূজার সুধী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, এবারের দুর্গাপূজা কেবল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিজস্ব উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং সমাজের সব ধর্ম ও স্তরের মানুষের সচ্ছল ও আন্তরিক অংশগ্রহণে এটি একটি জাতীয় ঐক্যের মহাসম্মেলনে পরিণত হয়েছে।

তিনি আরও স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমি অনেকবার বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসবে এসেছি, তবে এবারের পূজার সার্বিক আয়োজনে স্পষ্ট ভিন্নতা লক্ষ করছি। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে পূজা কমিটির সদস্যদের নিয়ে এখানে একটি প্রস্তুতিমূলক অনুষ্ঠানে এসেছিলাম, তখন থেকেই দেখছি এই সার্বজনীন উৎসবকে ঘিরে ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ রয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সমাজকর্মী, পেশাজীবী ও সাধারণ অধিবাসীরা সবাই মিলেমিশে এই উৎসবের আনন্দের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত হয়েছেন।

আমির খসরু মাহমুদের, সকলের এই আন্তরিক অংশগ্রহণ ও পারস্পরিক সহযোগিতা একটি শক্তিশালী ও টেকসই জাতীয় ঐক্যের উজ্জ্বল উদাহরণ। তিনি ব্যক্ত করেন, নির্বাচনের পর দেশের সমাজব্যবস্থা ও রাষ্ট্রে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তনের যে সুসংগঠিত প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমন এক আধুনিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন ব্যক্ত করেছেন, যেখানে জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সুচারুভাবে পরিচালনা করা হবে।

একই অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী দৃঢ়তার সাথে বলেন, সব নাগরিককে এভাবে ঐক্যবদ্ধভাবে সঙ্গে নিতে না পারলে কোনো রাষ্ট্র কখনোই আধুনিক ও সমৃদ্ধশালী হয়ে উঠতে পারে না। অতীতে এ দেশের মানুষের জীবন ও ব্যবসার নিরাপত্তা রক্ষা এবং স্বাধীনভাবে ভিন্নমত প্রকাশের সুযোগ নিয়ে চরম নানা সংকট তৈরি হয়েছিল, যা আজ কাটিয়ে ওঠার পথে।

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে তিনি নিশ্চিত করেন, এ বছর ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। এ কর্মসূচিতে ধর্ম, বর্ণ কিংবা আঞ্চলিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কোনো ধরনের বৈষম্য করা হবে না। একই সাথে ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিতসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের জন্য যেমন সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, তেমনি মাছ ধরা বন্ধের সময়ে জেলেদের ভাতাবোঝাই বরাদ্দও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হয়েছে। এসব সরকারি উদ্যোগের সুফল সমাজের সব ধর্মের মানুষের কাছে সমানভাবে পৌঁছাবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬


ফ্যামিলি কার্ডসহ সামাজিক সুরক্ষায় সমান সুবিধা পাবে সবাই

প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দুর্গাপূজায় সব ধর্মের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ জাতীয় ঐক্যের এক নতুন ও অনন্য দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে।

মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রাম নগরের ঐতিহাসিক জেএম সেন হল প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর আয়োজিত দুর্গাপূজার সুধী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, এবারের দুর্গাপূজা কেবল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিজস্ব উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং সমাজের সব ধর্ম ও স্তরের মানুষের সচ্ছল ও আন্তরিক অংশগ্রহণে এটি একটি জাতীয় ঐক্যের মহাসম্মেলনে পরিণত হয়েছে।

তিনি আরও স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমি অনেকবার বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসবে এসেছি, তবে এবারের পূজার সার্বিক আয়োজনে স্পষ্ট ভিন্নতা লক্ষ করছি। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে পূজা কমিটির সদস্যদের নিয়ে এখানে একটি প্রস্তুতিমূলক অনুষ্ঠানে এসেছিলাম, তখন থেকেই দেখছি এই সার্বজনীন উৎসবকে ঘিরে ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ রয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সমাজকর্মী, পেশাজীবী ও সাধারণ অধিবাসীরা সবাই মিলেমিশে এই উৎসবের আনন্দের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত হয়েছেন।

আমির খসরু মাহমুদের, সকলের এই আন্তরিক অংশগ্রহণ ও পারস্পরিক সহযোগিতা একটি শক্তিশালী ও টেকসই জাতীয় ঐক্যের উজ্জ্বল উদাহরণ। তিনি ব্যক্ত করেন, নির্বাচনের পর দেশের সমাজব্যবস্থা ও রাষ্ট্রে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তনের যে সুসংগঠিত প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমন এক আধুনিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন ব্যক্ত করেছেন, যেখানে জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সুচারুভাবে পরিচালনা করা হবে।

একই অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী দৃঢ়তার সাথে বলেন, সব নাগরিককে এভাবে ঐক্যবদ্ধভাবে সঙ্গে নিতে না পারলে কোনো রাষ্ট্র কখনোই আধুনিক ও সমৃদ্ধশালী হয়ে উঠতে পারে না। অতীতে এ দেশের মানুষের জীবন ও ব্যবসার নিরাপত্তা রক্ষা এবং স্বাধীনভাবে ভিন্নমত প্রকাশের সুযোগ নিয়ে চরম নানা সংকট তৈরি হয়েছিল, যা আজ কাটিয়ে ওঠার পথে।

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে তিনি নিশ্চিত করেন, এ বছর ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। এ কর্মসূচিতে ধর্ম, বর্ণ কিংবা আঞ্চলিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কোনো ধরনের বৈষম্য করা হবে না। একই সাথে ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিতসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের জন্য যেমন সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, তেমনি মাছ ধরা বন্ধের সময়ে জেলেদের ভাতাবোঝাই বরাদ্দও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হয়েছে। এসব সরকারি উদ্যোগের সুফল সমাজের সব ধর্মের মানুষের কাছে সমানভাবে পৌঁছাবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত