শারদীয় দুর্গাপূজার মহানবমীতে হিন্দু সম্প্রদায়ের উৎসবের আমেজ ভাগ করে নিতে ঢাকার বাইরে মণ্ডপ পরিদর্শনে বের হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৯টায় তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে সামরিক বিমানে তিনি রংপুরের উদ্দেশে রওনা হন।
দিনব্যাপী এই ত্রিদেশীয় সফরে রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামের বেশ কয়েকটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সফর শেষে আজ রাতেই তার ঢাকায় ফেরার সময়সূচি রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানান, সকাল ৯টায় ঢাকা থেকে রওনা হয়ে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে নামবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সড়কপথে রংপুরের রাধা গোবিন্দ মন্দিরের ধর্মসভা পূজামণ্ডপে যাবেন তিনি। সকাল ১০টায় সেখানে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও পুণ্যার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
রংপুরের কর্মসূচি শেষে দুপুরের আগেই তিনি সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে রাজশাহীর হযরত শাহ মখদুম বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেবেন। দুপুর সোয়া ১টায় রাজশাহীর ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন। এরপর সার্কিট হাউসে সংক্ষিপ্ত বিশ্রাম শেষে বিকেল ৩টায় হাজী মুহাম্মদ মুহসীন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন।
রাজশাহীর কার্যক্রম শেষ করে বিকেল সোয়া ৪টায় চট্টগ্রামের উদ্দেশে বিমান যাত্রা করবেন প্রধানমন্ত্রী। সাড়ে ৫টায় চট্টগ্রাম পৌঁছে রহমতগঞ্জের ঐতিহাসিক জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন তিনি। সেখানে পূজার আয়োজক ও ভক্তদের সঙ্গে কুশল বিনিময় শেষে সার্কিট হাউসে কিছুক্ষণ অবস্থান করবেন। সব কর্মসূচি সম্পন্ন করে রাত সোয়া ৯টায় ঢাকায় তেজগাঁও বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে তার।
প্রেস সচিব সালেহ শিবলী উল্লেখ করেন, ‘ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার’–সরকারের এই নীতির আলোকেই পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় সব সহায়তা নিশ্চিত করা হয়েছে। এ বছর পূজার বাজেট ও ছুটি বাড়ানোর পাশাপাশি মণ্ডপগুলোতে সার্বিক সহযোগিতাও বৃদ্ধি করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সহসভাপতি নিপুণ রায় চৌধুরীসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ব্যক্তিবর্গ।
/

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬
শারদীয় দুর্গাপূজার মহানবমীতে হিন্দু সম্প্রদায়ের উৎসবের আমেজ ভাগ করে নিতে ঢাকার বাইরে মণ্ডপ পরিদর্শনে বের হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৯টায় তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে সামরিক বিমানে তিনি রংপুরের উদ্দেশে রওনা হন।
দিনব্যাপী এই ত্রিদেশীয় সফরে রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামের বেশ কয়েকটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সফর শেষে আজ রাতেই তার ঢাকায় ফেরার সময়সূচি রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানান, সকাল ৯টায় ঢাকা থেকে রওনা হয়ে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে নামবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সড়কপথে রংপুরের রাধা গোবিন্দ মন্দিরের ধর্মসভা পূজামণ্ডপে যাবেন তিনি। সকাল ১০টায় সেখানে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও পুণ্যার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
রংপুরের কর্মসূচি শেষে দুপুরের আগেই তিনি সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে রাজশাহীর হযরত শাহ মখদুম বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেবেন। দুপুর সোয়া ১টায় রাজশাহীর ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন। এরপর সার্কিট হাউসে সংক্ষিপ্ত বিশ্রাম শেষে বিকেল ৩টায় হাজী মুহাম্মদ মুহসীন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন।
রাজশাহীর কার্যক্রম শেষ করে বিকেল সোয়া ৪টায় চট্টগ্রামের উদ্দেশে বিমান যাত্রা করবেন প্রধানমন্ত্রী। সাড়ে ৫টায় চট্টগ্রাম পৌঁছে রহমতগঞ্জের ঐতিহাসিক জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন তিনি। সেখানে পূজার আয়োজক ও ভক্তদের সঙ্গে কুশল বিনিময় শেষে সার্কিট হাউসে কিছুক্ষণ অবস্থান করবেন। সব কর্মসূচি সম্পন্ন করে রাত সোয়া ৯টায় ঢাকায় তেজগাঁও বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে তার।
প্রেস সচিব সালেহ শিবলী উল্লেখ করেন, ‘ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার’–সরকারের এই নীতির আলোকেই পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় সব সহায়তা নিশ্চিত করা হয়েছে। এ বছর পূজার বাজেট ও ছুটি বাড়ানোর পাশাপাশি মণ্ডপগুলোতে সার্বিক সহযোগিতাও বৃদ্ধি করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সহসভাপতি নিপুণ রায় চৌধুরীসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ব্যক্তিবর্গ।
/

আপনার মতামত লিখুন