ধন-সম্পদ, সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির দেবী লক্ষ্মীর আরাধনাকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জমে উঠেছে লক্ষ্মী প্রতিমার হাট। পূজার বাকি আর মাত্র এক দিন। তাই পছন্দের প্রতিমা ও পূজার প্রয়োজনীয় উপকরণ কিনতে শহরের পুরানবাজারে ভিড় করছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। ছোট-বড় নানা আকারের প্রতিমা আর ফুল, মালা, পদ্মফুল, আখ ও নারিকেলসহ বিভিন্ন উপকরণে সরগরম হয়ে উঠেছে বাজার।
তবে উৎসবের এই আমেজের মধ্যেও ক্রেতাদের ভাবাচ্ছে দাম। গত বছরের তুলনায় প্রতিমা ও পূজার উপকরণের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধ্যের মধ্যে কেনাকাটা করতে হচ্ছে তাদের।
আগামী রোববার (২৫ অক্টোবর) সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে উদ্যাপিত হবে লক্ষ্মীপূজা। এ উপলক্ষে শ্রীমঙ্গল শহরের পুরানবাজারের বিভিন্ন স্থানে বসেছে প্রতিমার অস্থায়ী হাট। মৃৎশিল্পীরা সারি সারি করে সাজিয়ে রেখেছেন নানা নকশা ও আকারের লক্ষ্মী প্রতিমা। কেউ কিনছেন ছোট প্রতিমা, কেউ আবার পছন্দ করছেন তুলনামূলক বড় প্রতিমা। পরিবারের সামর্থ্য ও পছন্দ বিবেচনায় নিয়ে চলছে দরদাম ও কেনাকাটা।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, ছোট আকারের লক্ষ্মী প্রতিমা বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ৪০০ টাকায়। বড় আকারের প্রতিমার দাম ৫০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত। প্রতিমার পাশাপাশি পূজার অন্যান্য উপকরণও বিক্রি হচ্ছে বাজারে। একই জায়গায় প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাওয়া যাওয়ায় ক্রেতারা এক বাজার থেকেই সেরে নিচ্ছেন কেনাকাটা।
তবে প্রতিমা ও উপকরণের বাড়তি দাম নিয়ে কিছুটা অসন্তোষ রয়েছে ক্রেতাদের মধ্যে। ক্রেতা কল্যাণ দেব জীবন, করুনা পাল, প্রণব চক্রবর্তী বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার লক্ষ্মী প্রতিমার দাম বেড়েছে। পূজার অন্যান্য উপকরণের দামও বেশি। তাই ইচ্ছা থাকলেও সবাই নিজের পছন্দমতো কেনাকাটা করতে পারছেন না। বাজেটের সঙ্গে মিলিয়ে প্রয়োজনীয় প্রতিমা ও উপকরণ কিনতে হচ্ছে তাঁদের।
অন্যদিকে, প্রতিমা তৈরির খরচ বেড়ে যাওয়াকেই দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে দেখছেন বিক্রেতারা। মাধবপুরের প্রতিমা বিক্রেতা গৌর পাল বলেন, প্রতিমা তৈরিতে ব্যবহৃত মাটি, রং ও অন্যান্য উপকরণের দাম বেড়েছে। পাশাপাশি প্রতিমা তৈরির সামগ্রিক খরচও আগের চেয়ে বেশি হচ্ছে। এ কারণে এবার প্রতিমার দাম কিছুটা বাড়াতে হয়েছে।
সব মিলিয়ে লক্ষ্মীপূজাকে ঘিরে শ্রীমঙ্গলের পুরানবাজারে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ। পূজার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত ক্রেতা-বিক্রেতা—দুজনই। তবে আনন্দের এই আয়োজনের মধ্যে বাড়তি দামের চাপ সামলে কেনাকাটা করছেন সাধারণ ক্রেতারা।

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬
ধন-সম্পদ, সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির দেবী লক্ষ্মীর আরাধনাকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জমে উঠেছে লক্ষ্মী প্রতিমার হাট। পূজার বাকি আর মাত্র এক দিন। তাই পছন্দের প্রতিমা ও পূজার প্রয়োজনীয় উপকরণ কিনতে শহরের পুরানবাজারে ভিড় করছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। ছোট-বড় নানা আকারের প্রতিমা আর ফুল, মালা, পদ্মফুল, আখ ও নারিকেলসহ বিভিন্ন উপকরণে সরগরম হয়ে উঠেছে বাজার।
তবে উৎসবের এই আমেজের মধ্যেও ক্রেতাদের ভাবাচ্ছে দাম। গত বছরের তুলনায় প্রতিমা ও পূজার উপকরণের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধ্যের মধ্যে কেনাকাটা করতে হচ্ছে তাদের।
আগামী রোববার (২৫ অক্টোবর) সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে উদ্যাপিত হবে লক্ষ্মীপূজা। এ উপলক্ষে শ্রীমঙ্গল শহরের পুরানবাজারের বিভিন্ন স্থানে বসেছে প্রতিমার অস্থায়ী হাট। মৃৎশিল্পীরা সারি সারি করে সাজিয়ে রেখেছেন নানা নকশা ও আকারের লক্ষ্মী প্রতিমা। কেউ কিনছেন ছোট প্রতিমা, কেউ আবার পছন্দ করছেন তুলনামূলক বড় প্রতিমা। পরিবারের সামর্থ্য ও পছন্দ বিবেচনায় নিয়ে চলছে দরদাম ও কেনাকাটা।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, ছোট আকারের লক্ষ্মী প্রতিমা বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ৪০০ টাকায়। বড় আকারের প্রতিমার দাম ৫০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত। প্রতিমার পাশাপাশি পূজার অন্যান্য উপকরণও বিক্রি হচ্ছে বাজারে। একই জায়গায় প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাওয়া যাওয়ায় ক্রেতারা এক বাজার থেকেই সেরে নিচ্ছেন কেনাকাটা।
তবে প্রতিমা ও উপকরণের বাড়তি দাম নিয়ে কিছুটা অসন্তোষ রয়েছে ক্রেতাদের মধ্যে। ক্রেতা কল্যাণ দেব জীবন, করুনা পাল, প্রণব চক্রবর্তী বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার লক্ষ্মী প্রতিমার দাম বেড়েছে। পূজার অন্যান্য উপকরণের দামও বেশি। তাই ইচ্ছা থাকলেও সবাই নিজের পছন্দমতো কেনাকাটা করতে পারছেন না। বাজেটের সঙ্গে মিলিয়ে প্রয়োজনীয় প্রতিমা ও উপকরণ কিনতে হচ্ছে তাঁদের।
অন্যদিকে, প্রতিমা তৈরির খরচ বেড়ে যাওয়াকেই দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে দেখছেন বিক্রেতারা। মাধবপুরের প্রতিমা বিক্রেতা গৌর পাল বলেন, প্রতিমা তৈরিতে ব্যবহৃত মাটি, রং ও অন্যান্য উপকরণের দাম বেড়েছে। পাশাপাশি প্রতিমা তৈরির সামগ্রিক খরচও আগের চেয়ে বেশি হচ্ছে। এ কারণে এবার প্রতিমার দাম কিছুটা বাড়াতে হয়েছে।
সব মিলিয়ে লক্ষ্মীপূজাকে ঘিরে শ্রীমঙ্গলের পুরানবাজারে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ। পূজার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত ক্রেতা-বিক্রেতা—দুজনই। তবে আনন্দের এই আয়োজনের মধ্যে বাড়তি দামের চাপ সামলে কেনাকাটা করছেন সাধারণ ক্রেতারা।

আপনার মতামত লিখুন