দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। চলতি বছরের শুরু থেকেই আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ঊর্ধ্বমুখী। এখনো প্রতিদিনই বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছেন এবং প্রাণ হারাচ্ছেন অনেকে।
এই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে এবং হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৮৯৮ জন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রাম বিভাগে দুইজন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকা, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে মারা গেছেন। মৃতদের মধ্যে দুইজন পুরুষ ও তিনজন নারী।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ৩৭৬ জন মারা গেছেন। একই সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ২১ হাজার ৬৯৯ জন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস না হওয়া এবং সিটি করপোরেশনগুলোর মশক নিধন কার্যক্রমে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অভাবই এর প্রধান কারণ। বর্ষা মৌসুম শেষ হলেও ডেঙ্গুর প্রকোপ কমেনি। বরং বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন করে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে।
সিটি করপোরেশন এলাকার পাশাপাশি ঢাকার বাইরেও ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, খুলনা ও ময়মনসিংহে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বেশি।
হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীর চাপ বাড়ছে। অনেক হাসপাতালে ডেঙ্গু ওয়ার্ডে বেড না পেয়ে অনেকে সাধারণ ওয়ার্ডে বা মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬
দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। চলতি বছরের শুরু থেকেই আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ঊর্ধ্বমুখী। এখনো প্রতিদিনই বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছেন এবং প্রাণ হারাচ্ছেন অনেকে।
এই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে এবং হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৮৯৮ জন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রাম বিভাগে দুইজন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকা, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে মারা গেছেন। মৃতদের মধ্যে দুইজন পুরুষ ও তিনজন নারী।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ৩৭৬ জন মারা গেছেন। একই সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ২১ হাজার ৬৯৯ জন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস না হওয়া এবং সিটি করপোরেশনগুলোর মশক নিধন কার্যক্রমে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অভাবই এর প্রধান কারণ। বর্ষা মৌসুম শেষ হলেও ডেঙ্গুর প্রকোপ কমেনি। বরং বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন করে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে।
সিটি করপোরেশন এলাকার পাশাপাশি ঢাকার বাইরেও ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, খুলনা ও ময়মনসিংহে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বেশি।
হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীর চাপ বাড়ছে। অনেক হাসপাতালে ডেঙ্গু ওয়ার্ডে বেড না পেয়ে অনেকে সাধারণ ওয়ার্ডে বা মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আপনার মতামত লিখুন