চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় একটি গোডাউনে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা দেড় হাজার বস্তা সার জব্দ করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় গোডাউনটি সিলগালা করা হয়েছে এবং পলাতক দেখানো হয়েছে মালিককে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দামুড়হুদা উপজেলার নতুন হাউলী গ্রামসংলগ্ন এলাকায় ‘নাঈম বীজ ভাণ্ডার’ নামের ওই গোডাউনে এ অভিযান চালানো হয়। উপজেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ ও থানা পুলিশের যৌথ দল এই অভিযানে অংশ নেয়।
জব্দ করা সারের মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ১২০ বস্তা ডিএপি, ৩৭০ বস্তা টিএসপি এবং ১০ বস্তা এমওপি সার। এ ঘটনায় গোডাউনের মালিক হাসানুজ্জামান নাঈমকে পলাতক আসামি উল্লেখ করে দামুড়হুদা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই গোডাউনে গোপনে সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির পাঁয়তারা করছিলেন ব্যবসায়ী নাঈম। খবর পেয়ে শনিবার সন্ধ্যায় সেখানে হাজির হন উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা। পরে পুলিশ এসে গোডাউন তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ এই সারের সন্ধান পায়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ এই অভিযানের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে।
দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মেজবাহ উদ্দিন জানান, অবৈধভাবে সার মজুতের অভিযোগে গোডাউনটি সিলগালা করা হয়েছে এবং মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণ সরকার বলেন, 'গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা দেড় হাজার বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি পুলিশ দেখছে।'
অভিযানের সময় উপস্থিত থাকা দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজ্জাদ হোসেন বলেন, প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে এবং কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের ছাড় দেওয়া হবে না।

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় একটি গোডাউনে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা দেড় হাজার বস্তা সার জব্দ করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় গোডাউনটি সিলগালা করা হয়েছে এবং পলাতক দেখানো হয়েছে মালিককে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দামুড়হুদা উপজেলার নতুন হাউলী গ্রামসংলগ্ন এলাকায় ‘নাঈম বীজ ভাণ্ডার’ নামের ওই গোডাউনে এ অভিযান চালানো হয়। উপজেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ ও থানা পুলিশের যৌথ দল এই অভিযানে অংশ নেয়।
জব্দ করা সারের মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ১২০ বস্তা ডিএপি, ৩৭০ বস্তা টিএসপি এবং ১০ বস্তা এমওপি সার। এ ঘটনায় গোডাউনের মালিক হাসানুজ্জামান নাঈমকে পলাতক আসামি উল্লেখ করে দামুড়হুদা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই গোডাউনে গোপনে সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির পাঁয়তারা করছিলেন ব্যবসায়ী নাঈম। খবর পেয়ে শনিবার সন্ধ্যায় সেখানে হাজির হন উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা। পরে পুলিশ এসে গোডাউন তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ এই সারের সন্ধান পায়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ এই অভিযানের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে।
দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মেজবাহ উদ্দিন জানান, অবৈধভাবে সার মজুতের অভিযোগে গোডাউনটি সিলগালা করা হয়েছে এবং মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণ সরকার বলেন, 'গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা দেড় হাজার বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি পুলিশ দেখছে।'
অভিযানের সময় উপস্থিত থাকা দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজ্জাদ হোসেন বলেন, প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে এবং কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের ছাড় দেওয়া হবে না।

আপনার মতামত লিখুন