সাতক্ষীরার শ্যামনগরে চার দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর মনোরঞ্জন মণ্ডল (৫৫) নামে এক কৃষকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে উপজেলার শৈলখালী এলাকার একটি ধানখেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে এটি হত্যাকাণ্ড নাকি দুর্ঘটনা, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নিহত মনোরঞ্জন মণ্ডল কৈখালী ইউনিয়নের যাদবপুর গ্রামের দিগম্বর মণ্ডলের ছেলে।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার ধানখেতে কীটনাশক প্রয়োগ করার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন মনোরঞ্জন। এরপর থেকেই তার আর কোনো খোঁজ মিলছিল না। সম্ভাব্য সব জায়গায় অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পরিবার ও স্বজনেরা তার সন্ধান পাননি।
সোমবার সকালে শৈলখালীর একটি ধানখেতে কৃষক মনোরঞ্জনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্বজনেরা ও পুলিশকে খবর দেন স্থানীরা। পরে স্বজনেরা গিয়ে লাশটি মনোরঞ্জনের বলে নিশ্চিত করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশি তদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে চার দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর মনোরঞ্জন মণ্ডল (৫৫) নামে এক কৃষকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে উপজেলার শৈলখালী এলাকার একটি ধানখেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে এটি হত্যাকাণ্ড নাকি দুর্ঘটনা, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নিহত মনোরঞ্জন মণ্ডল কৈখালী ইউনিয়নের যাদবপুর গ্রামের দিগম্বর মণ্ডলের ছেলে।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার ধানখেতে কীটনাশক প্রয়োগ করার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন মনোরঞ্জন। এরপর থেকেই তার আর কোনো খোঁজ মিলছিল না। সম্ভাব্য সব জায়গায় অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পরিবার ও স্বজনেরা তার সন্ধান পাননি।
সোমবার সকালে শৈলখালীর একটি ধানখেতে কৃষক মনোরঞ্জনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্বজনেরা ও পুলিশকে খবর দেন স্থানীরা। পরে স্বজনেরা গিয়ে লাশটি মনোরঞ্জনের বলে নিশ্চিত করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশি তদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন