একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের নতুন অঙ্গীকার নিয়ে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) উদযাপিত হতে যাচ্ছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৬। ‘শিক্ষা ও গবেষণায় উৎকর্ষ সাধন, উদ্ভাবন, শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতা জোরদার করা’–এই দূরদর্শী প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী জাঁকজমকপূর্ণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
দিবসটি উদযাপনে সকাল ১০টায় বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে উৎসবের সূচনা হবে। এরপর সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে উদ্বোধন করা হবে ‘মাভাবিপ্রবি ক্যারিয়ার ও চাকরি মেলা-২০২৬’। যেখানে দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে স্পট রিক্রুটমেন্ট ও চাকরিপ্রার্থী শিক্ষার্থীদের সরাসরি ইন্টারভিউয়ের ব্যবস্থা থাকবে।
উৎসবের প্রথম পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল-মামুন, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকারসহ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহীরা অংশ নেবেন।
দ্বিতীয় পর্বে বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে ‘রিসার্চ এক্সিলেন্স অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপস’ শীর্ষক একাডেমিক ও প্রায়োগিক মেলবন্ধনের বিশেষ সেশন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন শিক্ষামন্ত্রী ড. এএনএম এহসানুল হক মিলন এমপি। অনুষ্ঠানে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ ও বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খানসহ অতিথিরা উপস্থিত থাকবেন।
এ পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকে শিল্পক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করতে একাধিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের পাশাপাশি গবেষণায় অবদানের জন্য ৩০ জন শিক্ষক, ১৯ জন শিক্ষার্থীকে ‘রিসার্চ এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ এবং ৫ জন শিশুকে বিশেষ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হবে।
সন্ধ্যা ৬টায় তৃতীয় ও সমাপনী পর্বে বসবে ‘নজরুল-সন্ধ্যা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান’। এ পর্বে প্রধান অতিথি থাকবেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া। প্রতিটি পর্বে সভাপতিত্ব করবেন মাভাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম এবং স্বাগত বক্তব্য দেবেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান।
উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালের ১২ অক্টোবর টাঙ্গাইলের সন্তোষে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল। ২০০৩ সালের ২৫ অক্টোবর দুটি বিভাগ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের নতুন অঙ্গীকার নিয়ে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) উদযাপিত হতে যাচ্ছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৬। ‘শিক্ষা ও গবেষণায় উৎকর্ষ সাধন, উদ্ভাবন, শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতা জোরদার করা’–এই দূরদর্শী প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী জাঁকজমকপূর্ণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
দিবসটি উদযাপনে সকাল ১০টায় বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে উৎসবের সূচনা হবে। এরপর সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে উদ্বোধন করা হবে ‘মাভাবিপ্রবি ক্যারিয়ার ও চাকরি মেলা-২০২৬’। যেখানে দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে স্পট রিক্রুটমেন্ট ও চাকরিপ্রার্থী শিক্ষার্থীদের সরাসরি ইন্টারভিউয়ের ব্যবস্থা থাকবে।
উৎসবের প্রথম পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল-মামুন, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকারসহ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহীরা অংশ নেবেন।
দ্বিতীয় পর্বে বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে ‘রিসার্চ এক্সিলেন্স অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপস’ শীর্ষক একাডেমিক ও প্রায়োগিক মেলবন্ধনের বিশেষ সেশন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন শিক্ষামন্ত্রী ড. এএনএম এহসানুল হক মিলন এমপি। অনুষ্ঠানে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ ও বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খানসহ অতিথিরা উপস্থিত থাকবেন।
এ পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকে শিল্পক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করতে একাধিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের পাশাপাশি গবেষণায় অবদানের জন্য ৩০ জন শিক্ষক, ১৯ জন শিক্ষার্থীকে ‘রিসার্চ এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ এবং ৫ জন শিশুকে বিশেষ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হবে।
সন্ধ্যা ৬টায় তৃতীয় ও সমাপনী পর্বে বসবে ‘নজরুল-সন্ধ্যা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান’। এ পর্বে প্রধান অতিথি থাকবেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া। প্রতিটি পর্বে সভাপতিত্ব করবেন মাভাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম এবং স্বাগত বক্তব্য দেবেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান।
উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালের ১২ অক্টোবর টাঙ্গাইলের সন্তোষে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল। ২০০৩ সালের ২৫ অক্টোবর দুটি বিভাগ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।

আপনার মতামত লিখুন