সংবাদ

বিদায় ১৪৩২: নতুনের আহ্বানে আজ চৈত্র সংক্রান্তি


প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৩ এএম

বিদায় ১৪৩২: নতুনের আহ্বানে আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি। ঋতুচক্রের আবর্তনে বাংলা ১৪৩২ সনের শেষ দিন। জীর্ণ পুরাতন সবকিছুকে বিদায় জানিয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ভোরের সূর্য উদয়ের সঙ্গেই শুরু হবে নতুন বাংলা বর্ষ ১৪৩৩।

বাঙালি সংস্কৃতিতে মাসের শেষ দিনটিকে 'সংক্রান্তি' বলা হয়। বছরের শেষ দিন হিসেবে পুরাতনকে বিদায় নতুন বর্ষকে বরণ করার প্রস্তুতিকে ঘিরে আজ সারা দেশে বইছে উৎসবের আমেজ। লোকজ বিশ্বাস অনুযায়ী, চৈত্র সংক্রান্তিকে অনুসরণ করেই পহেলা বৈশাখ উদযাপনের এত বিশাল আয়োজন। ফলে এটি বাঙালির প্রাণের এক অন্যতম অসাম্প্রদায়িক উৎসবে পরিণত হয়েছে।

চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা শাস্ত্র মেনে স্নান, দান, ব্রত উপবাস পালন করছেন। তবে কেবল হিন্দু সম্প্রদায়ই নয়, নিজ নিজ বিশ্বাস ঐতিহ্য মেনে অন্য ধর্মাবলম্বীরাও বিভিন্ন আচারের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করছেন।

গ্রাম-গঞ্জ থেকে শহর সর্বত্রই চৈত্র সংক্রান্তির ছোঁয়া লেগেছে। এই দিনটি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হয়েছে লাঠিখেলা, সংযাত্রা, রায়বেশে নৃত্য বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার। ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সাজিয়েছেন এবং প্রস্তুতি নিচ্ছেন নতুন বছরের 'হালখাতা' খোলার।

চৈত্র সংক্রান্তির প্রধান আকর্ষণ হলো চড়ক পূজা। এটি গাজন উৎসবের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।

  • গ্রামের শিবতলা থেকে শোভাযাত্রা বের করে অন্য গ্রামের শিবতলায় নিয়ে যাওয়া হয়।
  • শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া ভক্তরা শিব-গৌরী সেজে নৃত্য করেন।
  • অন্যান্যরা নন্দি, ভৃঙ্গী, ভূত-প্রেত দৈত্য-দানবের সাজে নেচে গেয়ে উৎসব মুখর পরিবেশ তৈরি করেন।

পুরানো বছরের সব দুঃখ, গ্লানি আর জরাজীর্ণতা মুছে ফেলার দিন আজ। আগামীকাল পহেলা বৈশাখের সর্বজনীন উৎসবে মিলিত হবে পুরো জাতি। নতুন ভোরে সফলতা সমৃদ্ধির প্রত্যাশায় বাঙালি বরণ করে নেবে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে।

 

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬


বিদায় ১৪৩২: নতুনের আহ্বানে আজ চৈত্র সংক্রান্তি

প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

আজ চৈত্র সংক্রান্তি। ঋতুচক্রের আবর্তনে বাংলা ১৪৩২ সনের শেষ দিন। জীর্ণ পুরাতন সবকিছুকে বিদায় জানিয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ভোরের সূর্য উদয়ের সঙ্গেই শুরু হবে নতুন বাংলা বর্ষ ১৪৩৩।

বাঙালি সংস্কৃতিতে মাসের শেষ দিনটিকে 'সংক্রান্তি' বলা হয়। বছরের শেষ দিন হিসেবে পুরাতনকে বিদায় নতুন বর্ষকে বরণ করার প্রস্তুতিকে ঘিরে আজ সারা দেশে বইছে উৎসবের আমেজ। লোকজ বিশ্বাস অনুযায়ী, চৈত্র সংক্রান্তিকে অনুসরণ করেই পহেলা বৈশাখ উদযাপনের এত বিশাল আয়োজন। ফলে এটি বাঙালির প্রাণের এক অন্যতম অসাম্প্রদায়িক উৎসবে পরিণত হয়েছে।

চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা শাস্ত্র মেনে স্নান, দান, ব্রত উপবাস পালন করছেন। তবে কেবল হিন্দু সম্প্রদায়ই নয়, নিজ নিজ বিশ্বাস ঐতিহ্য মেনে অন্য ধর্মাবলম্বীরাও বিভিন্ন আচারের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করছেন।

গ্রাম-গঞ্জ থেকে শহর সর্বত্রই চৈত্র সংক্রান্তির ছোঁয়া লেগেছে। এই দিনটি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হয়েছে লাঠিখেলা, সংযাত্রা, রায়বেশে নৃত্য বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার। ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সাজিয়েছেন এবং প্রস্তুতি নিচ্ছেন নতুন বছরের 'হালখাতা' খোলার।

চৈত্র সংক্রান্তির প্রধান আকর্ষণ হলো চড়ক পূজা। এটি গাজন উৎসবের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।

  • গ্রামের শিবতলা থেকে শোভাযাত্রা বের করে অন্য গ্রামের শিবতলায় নিয়ে যাওয়া হয়।
  • শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া ভক্তরা শিব-গৌরী সেজে নৃত্য করেন।
  • অন্যান্যরা নন্দি, ভৃঙ্গী, ভূত-প্রেত দৈত্য-দানবের সাজে নেচে গেয়ে উৎসব মুখর পরিবেশ তৈরি করেন।

পুরানো বছরের সব দুঃখ, গ্লানি আর জরাজীর্ণতা মুছে ফেলার দিন আজ। আগামীকাল পহেলা বৈশাখের সর্বজনীন উৎসবে মিলিত হবে পুরো জাতি। নতুন ভোরে সফলতা সমৃদ্ধির প্রত্যাশায় বাঙালি বরণ করে নেবে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে।

 

 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত