মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার সদর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে এক সংখ্যালঘু পরিবারের জমি দখল এবং জমি ছাড়ার বিনিময়ে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী ইউপি সদস্য মালেকা বেগমের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রতিকার ও নিরাপত্তা চেয়ে শ্রীমঙ্গল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী পার্থ চক্রবর্তী।
অভিযোগ সূত্রের খবর, জীবিকার তাগিদে প্রায় চার বছর আগে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সিলেট শহরে চলে যান পার্থ চক্রবর্তী। সে সময় জমি দেখভালের দায়িত্ব প্রতিবেশী ইউপি সদস্য মালেকা বেগমকে দিয়ে যান তিনি। মালেকা বেগম এতদিন ওই জমিতে চাষাবাদ করলেও সম্প্রতি পুরো জমির ওপর নিজের অধিকার দাবি করতে শুরু করেছেন।
ভুক্তভোগী পার্থ চক্রবর্তী বলেন, “আমরা এখন নিজেদের ভিটেমাটিতে যেতে পারছি না। মালেকা বেগম দাবি করছেন, তার কাছে নাকি জমি বন্ধক ও বিক্রির বায়না বাবদ আমরা পাঁচ লাখ টাকা নিয়েছি। এই টাকা না দিলে জমি ছাড়বেন না বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।” নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগে রয়েছেন তিনি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মালেকা বেগম দাবি করেন, দুটি পৃথক চুক্তির মাধ্যমে জমি বন্ধক ও বিক্রির বায়না বাবদ পার্থ চক্রবর্তী ও তার ভাইয়ের কাছ থেকে জমি নেন তিনি। ২০২৩ সালে ৩১ শতাংশ জমি বন্ধক ও ২০২৫ সালে ৮ শতাংশ জমি বিক্রির বায়না করা হলেও এখন তারা জমি রেজিস্ট্রি না দিয়ে টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করছেন।
ঘটনাস্থল ও জমিসংক্রান্ত অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে কাজ করছেন শ্রীমঙ্গল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তামিম হোসেন। তিনি জানান, দুই পক্ষের কাগজপত্র ও বক্তব্য শুনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, এই ইউপি সদস্য ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে অতীতেও নানা সময়ে জমি দখল, অবৈধভাবে মাটি কাটা, চাঁদা দাবি এবং মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে সংখ্যালঘু পরিবারগুলোকে হয়রানি করার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ওই ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার সদর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে এক সংখ্যালঘু পরিবারের জমি দখল এবং জমি ছাড়ার বিনিময়ে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী ইউপি সদস্য মালেকা বেগমের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রতিকার ও নিরাপত্তা চেয়ে শ্রীমঙ্গল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী পার্থ চক্রবর্তী।
অভিযোগ সূত্রের খবর, জীবিকার তাগিদে প্রায় চার বছর আগে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সিলেট শহরে চলে যান পার্থ চক্রবর্তী। সে সময় জমি দেখভালের দায়িত্ব প্রতিবেশী ইউপি সদস্য মালেকা বেগমকে দিয়ে যান তিনি। মালেকা বেগম এতদিন ওই জমিতে চাষাবাদ করলেও সম্প্রতি পুরো জমির ওপর নিজের অধিকার দাবি করতে শুরু করেছেন।
ভুক্তভোগী পার্থ চক্রবর্তী বলেন, “আমরা এখন নিজেদের ভিটেমাটিতে যেতে পারছি না। মালেকা বেগম দাবি করছেন, তার কাছে নাকি জমি বন্ধক ও বিক্রির বায়না বাবদ আমরা পাঁচ লাখ টাকা নিয়েছি। এই টাকা না দিলে জমি ছাড়বেন না বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।” নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগে রয়েছেন তিনি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মালেকা বেগম দাবি করেন, দুটি পৃথক চুক্তির মাধ্যমে জমি বন্ধক ও বিক্রির বায়না বাবদ পার্থ চক্রবর্তী ও তার ভাইয়ের কাছ থেকে জমি নেন তিনি। ২০২৩ সালে ৩১ শতাংশ জমি বন্ধক ও ২০২৫ সালে ৮ শতাংশ জমি বিক্রির বায়না করা হলেও এখন তারা জমি রেজিস্ট্রি না দিয়ে টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করছেন।
ঘটনাস্থল ও জমিসংক্রান্ত অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে কাজ করছেন শ্রীমঙ্গল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তামিম হোসেন। তিনি জানান, দুই পক্ষের কাগজপত্র ও বক্তব্য শুনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, এই ইউপি সদস্য ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে অতীতেও নানা সময়ে জমি দখল, অবৈধভাবে মাটি কাটা, চাঁদা দাবি এবং মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে সংখ্যালঘু পরিবারগুলোকে হয়রানি করার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ওই ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন