পিরোজপুরের নেছারাবাদে মারামারির মামলায় জামিনে মুক্তি পেয়ে ইউনিয়ন ছাত্রদলের এক নেতাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বাবা ও ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করে নিজের জীবনের নিরাপত্তা ও বিচার দাবি করেছেন ৫ নম্বর জলাবাড়ী ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. শরিয়াত উল্লাহ লিমন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার জলাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন কামারকাঠী গ্রামের বাসিন্দা লিমন।
লিখিত বক্তব্যে লিমন জানান, ১৫ অক্টোবর স্থানীয় বাসিন্দা আবুল হোসেনের ছেলে মো. সিয়াম তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানসংবলিত এবং বিএনপিবিরোধী একটি পোস্ট দেন। বিষয়টি নিয়ে সিয়ামের কাছে জানতে চাইলে তাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জেরে গত ১৭ অক্টোবর সকালে আবুল হোসেন ও তার ছেলে সিয়াম তার ওপর অতর্কিত হামলা চালান। হামলায় তার মাথা ও পায়ে রক্তাক্ত জখম হয় বলে দাবি করেন তিনি। পরে এ ঘটনায় তিনি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
লিমনের অভিযোগ, ওই মামলায় বাবা-ছেলে আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই তাকে দেখে নেওয়া এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছেন। স্থানীয়ভাবে আওয়ামী লীগের প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করেই তার ওপর এই হামলা চালানো হয়েছিল। এছাড়া অভিযুক্তদের স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি মদদ দিচ্ছেন বলেও দাবি করেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এই ছাত্রদল নেতা।
এ বিষয়ে জলাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. মেহেদী সরোয়ার বলেন, ছাত্রদল নেতা লিমনের ওপর হামলাটি অত্যন্ত নিন্দনীয়। তারা একে অপরের প্রতিবেশী। তাদের মধ্যে আগে থেকেই জমি নিয়ে বিরোধ ছিল বলে শুনেছেন। তবে মামলা থেকে জামিনে এসে যদি আবুল হোসেন ও তার ছেলে লিমনকে হুমকি দিয়ে থাকেন, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এদিকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত আবুল হোসেন বলেন, “আমরা একে অপরের প্রতিবেশী। এর আগে লিমন আমার ছেলেকে মারধর করেছিলেন। বিষয়টি স্থানীয়দের জানিয়ে বিচার চাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি আমাদের ওপর চড়াও হন।” ফেসবুকে ‘জয় বাংলা’ ও সরকারদলীয় পোস্ট দেওয়ার বিষয়ে তিনি দাবি করেন, অন্য কেউ তার ছেলের মোবাইলে ওই পোস্ট পাঠিয়েছিলেন এবং ভুলবশত সেটি ফেসবুকে প্রকাশ হয়ে যায়।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
পিরোজপুরের নেছারাবাদে মারামারির মামলায় জামিনে মুক্তি পেয়ে ইউনিয়ন ছাত্রদলের এক নেতাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বাবা ও ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করে নিজের জীবনের নিরাপত্তা ও বিচার দাবি করেছেন ৫ নম্বর জলাবাড়ী ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. শরিয়াত উল্লাহ লিমন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার জলাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন কামারকাঠী গ্রামের বাসিন্দা লিমন।
লিখিত বক্তব্যে লিমন জানান, ১৫ অক্টোবর স্থানীয় বাসিন্দা আবুল হোসেনের ছেলে মো. সিয়াম তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানসংবলিত এবং বিএনপিবিরোধী একটি পোস্ট দেন। বিষয়টি নিয়ে সিয়ামের কাছে জানতে চাইলে তাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জেরে গত ১৭ অক্টোবর সকালে আবুল হোসেন ও তার ছেলে সিয়াম তার ওপর অতর্কিত হামলা চালান। হামলায় তার মাথা ও পায়ে রক্তাক্ত জখম হয় বলে দাবি করেন তিনি। পরে এ ঘটনায় তিনি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
লিমনের অভিযোগ, ওই মামলায় বাবা-ছেলে আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই তাকে দেখে নেওয়া এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছেন। স্থানীয়ভাবে আওয়ামী লীগের প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করেই তার ওপর এই হামলা চালানো হয়েছিল। এছাড়া অভিযুক্তদের স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি মদদ দিচ্ছেন বলেও দাবি করেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এই ছাত্রদল নেতা।
এ বিষয়ে জলাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. মেহেদী সরোয়ার বলেন, ছাত্রদল নেতা লিমনের ওপর হামলাটি অত্যন্ত নিন্দনীয়। তারা একে অপরের প্রতিবেশী। তাদের মধ্যে আগে থেকেই জমি নিয়ে বিরোধ ছিল বলে শুনেছেন। তবে মামলা থেকে জামিনে এসে যদি আবুল হোসেন ও তার ছেলে লিমনকে হুমকি দিয়ে থাকেন, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এদিকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত আবুল হোসেন বলেন, “আমরা একে অপরের প্রতিবেশী। এর আগে লিমন আমার ছেলেকে মারধর করেছিলেন। বিষয়টি স্থানীয়দের জানিয়ে বিচার চাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি আমাদের ওপর চড়াও হন।” ফেসবুকে ‘জয় বাংলা’ ও সরকারদলীয় পোস্ট দেওয়ার বিষয়ে তিনি দাবি করেন, অন্য কেউ তার ছেলের মোবাইলে ওই পোস্ট পাঠিয়েছিলেন এবং ভুলবশত সেটি ফেসবুকে প্রকাশ হয়ে যায়।

আপনার মতামত লিখুন