সংবাদ

ব্যক্তি শ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ করার দাবি ঢাকা চেম্বারের


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২০ পিএম

ব্যক্তি শ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ করার দাবি ঢাকা চেম্বারের

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে ব্যক্তি শ্রেণির করমুক্ত আয়ের সীমা বর্তমান অবস্থা থেকে বাড়িয়ে লাখ টাকা করার প্রস্তাব করেছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ করহার ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিতপ্রাক-বাজেট আলোচনা ২০২৬-২৭: বেসরকারি খাতের প্রত্যাশাশীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় এসব প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।

কর্পোরেট কর ভ্যাট কাঠামোতে সংস্কারের দাবি

ব্যবসায়িক পরিবেশ সহজতর করতে নন-লিস্টেড কোম্পানির করহার তালিকাভুক্ত কোম্পানির সমান অর্থাৎ ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দিয়েছে ডিসিসিআই।

সভায় ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, "পিএসআর ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া আরও দ্রুত কার্যকর করতে ইটিডিএস প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার বাধ্যতামূলক করে -ট্যাক্স এনবিআর পোর্টালের সঙ্গে সমন্বিত করা প্রয়োজন। এছাড়া আমদানি পর্যায়ে আগাম কর উৎপাদনকারীদের জন্য পর্যায়ক্রমে বিলুপ্তি বাণিজ্যিক আমদানিকারকদের জন্য হ্রাস করা জরুরি।"

তিনি আরও যোগ করেন, ভ্যাট সংগ্রহে অনলাইন ম্যানেজমেন্টের পাশাপাশি মোবাইল অ্যাপ চালু করা এবং পণ্য বা সেবার চূড়ান্ত মূল্যের ওপর ভ্যাট নির্ধারণ করে অগ্রিম ভ্যাট ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করতে হবে।

বিনিয়োগ শিল্পায়নে বিশেষ গুরুত্ব

স্থানীয় বিনিয়োগ বাড়াতে নীতি সুদহার যৌক্তিকীকরণের ওপর জোর দিয়ে ডিসিসিআই জানিয়েছে, সরকারি ব্যয় মেটাতে দেশীয় ব্যাংক ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা কমানো দরকার।

সভায় জানানো হয়, শিল্প বাণিজ্যের বিকাশে চামড়া শিল্পের সিইটিপি স্থাপন এবং কৃষি পণ্যের প্রসারে কোল্ড চেইন অবকাঠামো উন্নয়ন অপরিহার্য। এছাড়া এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ফার্মাসিউটিক্যাল, আইসিটি লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে পেটেন্ট নিশ্চিত করতে বিশেষ প্রণোদনার দাবি জানানো হয়। বিশেষ করে ক্ষুদ্র মাঝারি শিল্পের (সিএমএসএমই) জন্য - শতাংশ হারে সুনির্দিষ্ট ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সহায়তার জন্য বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

অবকাঠামো জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতের তাগিদ

অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ টানতে নির্মাণ উপকরণ যন্ত্রপাতির ওপর শুল্ক ছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছে ঢাকা চেম্বার। একই সঙ্গে জ্বালানির দাম সহনীয় রাখতে রপ্তানিকারক দেশগুলোর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ব্যবসায়ীদের এসব প্রস্তাবনা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আইসিসি বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, ডিএসই চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলামসহ দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতা অর্থনীতিবিদরা। তারা সবাই স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে একটি অটোমেটেড করপোরেট কর রিটার্ন পদ্ধতি চালুর পক্ষে মত দেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬


ব্যক্তি শ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ করার দাবি ঢাকা চেম্বারের

প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে ব্যক্তি শ্রেণির করমুক্ত আয়ের সীমা বর্তমান অবস্থা থেকে বাড়িয়ে লাখ টাকা করার প্রস্তাব করেছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ করহার ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিতপ্রাক-বাজেট আলোচনা ২০২৬-২৭: বেসরকারি খাতের প্রত্যাশাশীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় এসব প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।

কর্পোরেট কর ভ্যাট কাঠামোতে সংস্কারের দাবি

ব্যবসায়িক পরিবেশ সহজতর করতে নন-লিস্টেড কোম্পানির করহার তালিকাভুক্ত কোম্পানির সমান অর্থাৎ ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দিয়েছে ডিসিসিআই।

সভায় ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, "পিএসআর ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া আরও দ্রুত কার্যকর করতে ইটিডিএস প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার বাধ্যতামূলক করে -ট্যাক্স এনবিআর পোর্টালের সঙ্গে সমন্বিত করা প্রয়োজন। এছাড়া আমদানি পর্যায়ে আগাম কর উৎপাদনকারীদের জন্য পর্যায়ক্রমে বিলুপ্তি বাণিজ্যিক আমদানিকারকদের জন্য হ্রাস করা জরুরি।"

তিনি আরও যোগ করেন, ভ্যাট সংগ্রহে অনলাইন ম্যানেজমেন্টের পাশাপাশি মোবাইল অ্যাপ চালু করা এবং পণ্য বা সেবার চূড়ান্ত মূল্যের ওপর ভ্যাট নির্ধারণ করে অগ্রিম ভ্যাট ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করতে হবে।

বিনিয়োগ শিল্পায়নে বিশেষ গুরুত্ব

স্থানীয় বিনিয়োগ বাড়াতে নীতি সুদহার যৌক্তিকীকরণের ওপর জোর দিয়ে ডিসিসিআই জানিয়েছে, সরকারি ব্যয় মেটাতে দেশীয় ব্যাংক ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা কমানো দরকার।

সভায় জানানো হয়, শিল্প বাণিজ্যের বিকাশে চামড়া শিল্পের সিইটিপি স্থাপন এবং কৃষি পণ্যের প্রসারে কোল্ড চেইন অবকাঠামো উন্নয়ন অপরিহার্য। এছাড়া এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ফার্মাসিউটিক্যাল, আইসিটি লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে পেটেন্ট নিশ্চিত করতে বিশেষ প্রণোদনার দাবি জানানো হয়। বিশেষ করে ক্ষুদ্র মাঝারি শিল্পের (সিএমএসএমই) জন্য - শতাংশ হারে সুনির্দিষ্ট ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সহায়তার জন্য বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

অবকাঠামো জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতের তাগিদ

অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ টানতে নির্মাণ উপকরণ যন্ত্রপাতির ওপর শুল্ক ছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছে ঢাকা চেম্বার। একই সঙ্গে জ্বালানির দাম সহনীয় রাখতে রপ্তানিকারক দেশগুলোর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ব্যবসায়ীদের এসব প্রস্তাবনা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আইসিসি বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, ডিএসই চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলামসহ দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতা অর্থনীতিবিদরা। তারা সবাই স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে একটি অটোমেটেড করপোরেট কর রিটার্ন পদ্ধতি চালুর পক্ষে মত দেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত