মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক খোলা কাগজ-এর জেলা স্টাফ রিপোর্টার মো. এহসানুল হক ওরফে এহসান বিন মুজাহিরের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে
২৫ অক্টোবর সিলেট সাইবার সিকিউরিটি ট্রাইব্যুনালে মামলাটি দায়ের করেন উপজেলার সদ্য বদলিকৃত সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সিনথিয়া তাসমিন। মামলা নম্বর ২১২/২৬।
মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে দৈনিক জনবাণীর মৌলভীবাজার প্রতিনিধি মঞ্জু বিজয় চৌধুরীকে। আর সাংবাদিক এহসানুল হককে করা হয়েছে ৩ নম্বর আসামি। মামলার অন্য আসামিরা হলেন মোজাহিদুল ইসলাম, ‘জেন জেড শ্রীমঙ্গল’ নামের একটি পেজ এবং প্রবাসী আমির আলী। এজাহারে আসামিদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো ও পোস্ট মুছে দেওয়ার বিনিময়ে অর্থ দাবির অভিযোগ আনা হয়েছে।
সাংবাদিক এহসানুল হকের দাবি, শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নানামুখী অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা নিয়ে পেশাদারত্বের সঙ্গে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি তথ্য অধিকার আইনে হাসপাতালের সার্বিক পরিচালনা সংক্রান্ত ১১টি নির্দিষ্ট বিষয়ে তথ্য চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের ভিত্তিহীন ও মিথ্যা অভিযোগ এনে মামলাটি করা হয়েছে।
এদিকে অভিযোগের বিষয়টিকে পুরোপুরি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন মামলার প্রধান আসামি মঞ্জু বিজয় চৌধুরী ও মোজাহিদুল ইসলাম। তাদের ভাষ্য, হাসপাতালের মতো স্পর্শকাতর প্রতিষ্ঠানে দিনের পর দিন চলা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে তদন্তের দাবি তোলায় তাদের হয়রানি করতে এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
শ্রীমঙ্গলে অনিয়মের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এমন মামলার ঘটনায় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকেরা অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে হয়রানিমূলক এ মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক খোলা কাগজ-এর জেলা স্টাফ রিপোর্টার মো. এহসানুল হক ওরফে এহসান বিন মুজাহিরের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে
২৫ অক্টোবর সিলেট সাইবার সিকিউরিটি ট্রাইব্যুনালে মামলাটি দায়ের করেন উপজেলার সদ্য বদলিকৃত সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সিনথিয়া তাসমিন। মামলা নম্বর ২১২/২৬।
মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে দৈনিক জনবাণীর মৌলভীবাজার প্রতিনিধি মঞ্জু বিজয় চৌধুরীকে। আর সাংবাদিক এহসানুল হককে করা হয়েছে ৩ নম্বর আসামি। মামলার অন্য আসামিরা হলেন মোজাহিদুল ইসলাম, ‘জেন জেড শ্রীমঙ্গল’ নামের একটি পেজ এবং প্রবাসী আমির আলী। এজাহারে আসামিদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো ও পোস্ট মুছে দেওয়ার বিনিময়ে অর্থ দাবির অভিযোগ আনা হয়েছে।
সাংবাদিক এহসানুল হকের দাবি, শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নানামুখী অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা নিয়ে পেশাদারত্বের সঙ্গে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি তথ্য অধিকার আইনে হাসপাতালের সার্বিক পরিচালনা সংক্রান্ত ১১টি নির্দিষ্ট বিষয়ে তথ্য চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের ভিত্তিহীন ও মিথ্যা অভিযোগ এনে মামলাটি করা হয়েছে।
এদিকে অভিযোগের বিষয়টিকে পুরোপুরি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন মামলার প্রধান আসামি মঞ্জু বিজয় চৌধুরী ও মোজাহিদুল ইসলাম। তাদের ভাষ্য, হাসপাতালের মতো স্পর্শকাতর প্রতিষ্ঠানে দিনের পর দিন চলা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে তদন্তের দাবি তোলায় তাদের হয়রানি করতে এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
শ্রীমঙ্গলে অনিয়মের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এমন মামলার ঘটনায় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকেরা অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে হয়রানিমূলক এ মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন