নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায় এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৪৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ। উপজেলার মোট ১ হাজার ৭২১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৭৬৯ জন। অন্যদিকে ফেল করেছেন ৯৫২ জন।
তবে সামগ্রিক ফলাফলের চেয়েও উদ্বেগজনক চিত্র দেখা গেছে পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১০ জন শিক্ষার্থীর সবাই ফেল করেছেন। পাস করতে পারেননি একজনও।
২০২১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমন ফলাফল নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষার্থী জানান, শিক্ষকদের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি ছিল না। তারা নিয়মিত শিক্ষার্থীদের গাইড করতেন এবং ক্লাসে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের সঙ্গেও ফোনে যোগাযোগ করতেন। তবে শিক্ষার্থীদের চরম উদাসীনতা, অনিয়মিত উপস্থিতি এবং অভিভাবকদের যথাযথ তদারকির অভাবের কারণে এমন ফলাফল হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
ফল বিপর্যয়ের কারণ ব্যাখ্যা করে পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আব্দুল হামিদ জানান, শিক্ষার্থীদের অনেকেই সুবিধাবঞ্চিত এবং বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্ত। কেউ হ্যাচারিতে, আবার কেউ পেট্রোল পাম্পে কাজ করেন। নারী শিক্ষার্থীদের সবাই বিবাহিত হওয়ায় তাদের ক্লাসে উপস্থিতি নিশ্চিত করাও কঠিন হয়ে পড়ে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানে গণিতের শিক্ষক না থাকা এবং শিক্ষক স্বল্পতাও ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের ফল বিপর্যয় এড়াতে একাডেমিক কাউন্সিলের সভা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. মুরশিদুল আলম জানান, শিক্ষক সংকটসহ বিভিন্ন কারণে এমন ফলাফল হতে পারে। বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত জানা যাবে। ইতিমধ্যে ফলাফলের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ডিও অফিসের মাধ্যমে অধিদপ্তরে প্রতিবেদন পাঠানোর পর ডিডি পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায় এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৪৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ। উপজেলার মোট ১ হাজার ৭২১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৭৬৯ জন। অন্যদিকে ফেল করেছেন ৯৫২ জন।
তবে সামগ্রিক ফলাফলের চেয়েও উদ্বেগজনক চিত্র দেখা গেছে পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১০ জন শিক্ষার্থীর সবাই ফেল করেছেন। পাস করতে পারেননি একজনও।
২০২১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমন ফলাফল নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষার্থী জানান, শিক্ষকদের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি ছিল না। তারা নিয়মিত শিক্ষার্থীদের গাইড করতেন এবং ক্লাসে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের সঙ্গেও ফোনে যোগাযোগ করতেন। তবে শিক্ষার্থীদের চরম উদাসীনতা, অনিয়মিত উপস্থিতি এবং অভিভাবকদের যথাযথ তদারকির অভাবের কারণে এমন ফলাফল হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
ফল বিপর্যয়ের কারণ ব্যাখ্যা করে পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আব্দুল হামিদ জানান, শিক্ষার্থীদের অনেকেই সুবিধাবঞ্চিত এবং বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্ত। কেউ হ্যাচারিতে, আবার কেউ পেট্রোল পাম্পে কাজ করেন। নারী শিক্ষার্থীদের সবাই বিবাহিত হওয়ায় তাদের ক্লাসে উপস্থিতি নিশ্চিত করাও কঠিন হয়ে পড়ে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানে গণিতের শিক্ষক না থাকা এবং শিক্ষক স্বল্পতাও ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের ফল বিপর্যয় এড়াতে একাডেমিক কাউন্সিলের সভা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. মুরশিদুল আলম জানান, শিক্ষক সংকটসহ বিভিন্ন কারণে এমন ফলাফল হতে পারে। বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত জানা যাবে। ইতিমধ্যে ফলাফলের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ডিও অফিসের মাধ্যমে অধিদপ্তরে প্রতিবেদন পাঠানোর পর ডিডি পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

আপনার মতামত লিখুন