সংবাদ

হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ফিরতে পারে ফেনী-বিলোনিয়া রেলপথ


প্রতিনিধি, ফেনী
প্রতিনিধি, ফেনী
প্রকাশ: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪১ এএম

হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ফিরতে পারে ফেনী-বিলোনিয়া রেলপথ
ছবি : সংবাদ

একসময় ট্রেনের হুইসেলে মুখর থাকত ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজী অঞ্চলের রেলস্টেশনগুলো। যাত্রীদের পদচারণা, পণ্য পরিবহন আর রেলগাড়ির শব্দে প্রাণচঞ্চল ছিল পুরো এলাকা। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে সেই দৃশ্য এখন অতীত। দীর্ঘ প্রায় ২৯ বছর ধরে সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে ঐতিহাসিক ফেনী-বিলোনিয়া রেলপথ। সঠিক পরিচর্যার অভাবে রেললাইন, স্টেশন ও রেলওয়ের শত কোটি টাকার সম্পদ এখন দখল, অযত্ন ও অবহেলার শিকার। তবে নতুন করে এই রেলপথে পুনরায় ট্রেন চালুর প্রস্তাব ওঠায় পরশুরাম ও ফুলগাজীর প্রায় চার লাখ মানুষের মধ্যে আবারও নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।

সম্প্রতি আয়োজিত ফেনী জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় সভায় বন্ধ থাকা ফেনী-বিলোনিয়া রেলপথে প্রাথমিকভাবে অন্তত দুটি ছোট বগি দিয়ে হলেও ট্রেন চালুর আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেন ফুলগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ কাউছার হামিদ। তিনি রেলওয়ের বেদখল হওয়া সম্পত্তি পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণের পাশাপাশি সীমিত পরিসরে ট্রেন চালুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আবেদন জানান।

উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন ফেনী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম। প্রস্তাবের বিষয়ে তিনি ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান। একই সঙ্গে রেলওয়ের জায়গায় গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন তিনি। তবে এখন পর্যন্ত ট্রেন চলাচল শুরুর সুনির্দিষ্ট তারিখ কিংবা চূড়ান্ত অনুমোদনের কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি। ফলে দুই বগির প্রস্তাবটি কতটা বাস্তবায়িত হবে, সেটিই এখন স্থানীয়দের প্রধান প্রশ্ন।

২৯ বছর ধরে বন্ধ রেল যোগাযোগ

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, ১৯২৯ সালে ফেনী থেকে বিলোনিয়া পর্যন্ত প্রায় ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলপথে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছিল। তৎকালীন সময়ে এ অঞ্চলের মানুষের জেলা সদরে যাতায়াত, শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে এটি অনন্য ভূমিকা রাখত। ফেনী থেকে শুরু হয়ে বন্ধুয়া, দৌলতপুর, আনন্দপুর, পীরবক্স মুন্সিরহাট, নতুন মুন্সিরহাট, ফুলগাজী, চিথলিয়া, পরশুরাম হয়ে বিলোনিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল এই রুট। পরবর্তীতে সড়ক যোগাযোগের উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে রেলপথে যাত্রী ও আয় কমতে থাকে। একপর্যায়ে লোকসানের অজুহাত দেখিয়ে ১৯৯৭ সালের ১৭ আগস্ট রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এই রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে।


রেললাইন নতুন করে চালু করতে লাগবে হাজার কোটি টাকা

ফেনী-বিলোনিয়া রেলপথ পুনরায় চালু করতে প্রয়োজনীয় সম্ভাব্য ব্যয় নিয়ে নানা হিসাব-নিকাশ চলছে। প্রায় ২৭ থেকে ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেলপথে প্রতি কিলোমিটারে নতুন রেলপথ নির্মাণে আনুমানিক ৩০ কোটি টাকা ব্যয় ধরে হিসাব করলে পুরো প্রকল্প বাস্তবায়নে আনুমানিক ৮১০ থেকে ৯০০ কোটি টাকার প্রয়োজন হতে পারে। দীর্ঘ সময় পরিত্যক্ত থাকায় অধিকাংশ স্লিপার নষ্ট হয়ে গেছে, সেতু-কালভার্ট জীর্ণ হয়ে পড়েছে। ফলে বাংলাদেশ রেলওয়ের চূড়ান্ত কারিগরি সমীক্ষা ও সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পরই চালুর প্রকৃত ব্যয় নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।

দখল ও অযত্নে অস্তিত্ব সংকটে রেলপথ

দীর্ঘ ২৯ বছর ব্যবহার না থাকায় রেলপথের বিভিন্ন স্থান থেকে ট্র্যাক ও মূল্যবান সরঞ্জাম চুরি ও উধাও হয়ে গেছে। পরশুরাম ও ফুলগাজীর বিভিন্ন স্থানে রেললাইনের জমি দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে বসতবাড়ি, দোকানপাট ও স্থায়ী স্থাপনা। পরশুরামসহ ফুলগাজীর কয়েকটি স্টেশন ভবন জরাজীর্ণ অবস্থায় আগাছায় ঢেকে গেছে।


বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার নতুন দুয়ার

ফেনী-বিলোনিয়া রেলপথ পুনরুজ্জীবিত হলে কেবল যাত্রীদের সুবিধাই নিশ্চিত হবে না, বরং ত্রিপুরা রাজ্যের সঙ্গে বিলোনিয়া স্থলবন্দরের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রসারিত হবে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে ফেনীর উত্তরাঞ্চল ও সীমান্তবর্তী এলাকার রেল যোগাযোগ স্থাপিত হলে কৃষিপণ্য ও পণ্য পরিবহনে বড় ধরনের বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।

কর্তৃপক্ষ ও জনপ্রতিনিধিদের বক্তব্য

ফেনী রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মো. হারুন জানান, “২৯ বছর বন্ধ থাকা ফেনী-বিলোনিয়া রেলপথটি এই অঞ্চলের যোগাযোগের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ ছিল। সম্প্রতি এই রুটে পুনরায় সীমিত পরিসরে হলেও ট্রেন চালুর যে প্রস্তাব এসেছে, তাতে সাধারণ মানুষের মাঝে ইতিবাচক আশা তৈরি হয়েছে। উচ্চপর্যায়ের অনুমোদন পেলে রেলওয়ের সম্পত্তি উদ্ধার করে এটি চালু করা সম্ভব।”

ফেনী রেলওয়ে ভূমি অফিসের কানুনগো বিপ্লব দাস বলেন, “সরকারি সম্পদ এভাবে ফেলে রাখা যায় না। দখলকৃত সম্পত্তির সুনির্দিষ্ট তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। তালিকা চূড়ান্ত করেই দ্রুত অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।”

এ বিষয়ে ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সি রফিকুল আলম মজনু জানান, “ফেনীর সর্বস্তরের মানুষ চাইলে এটি অবশ্যই পুনরায় চালু হতে পারে। তবে বর্তমানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমরা মুহুরী ও কহুয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করছি, যাতে স্থানীয় মানুষকে টেকসই উপায়ে বন্যা থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়।”

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ফিরতে পারে ফেনী-বিলোনিয়া রেলপথ

প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

একসময় ট্রেনের হুইসেলে মুখর থাকত ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজী অঞ্চলের রেলস্টেশনগুলো। যাত্রীদের পদচারণা, পণ্য পরিবহন আর রেলগাড়ির শব্দে প্রাণচঞ্চল ছিল পুরো এলাকা। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে সেই দৃশ্য এখন অতীত। দীর্ঘ প্রায় ২৯ বছর ধরে সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে ঐতিহাসিক ফেনী-বিলোনিয়া রেলপথ। সঠিক পরিচর্যার অভাবে রেললাইন, স্টেশন ও রেলওয়ের শত কোটি টাকার সম্পদ এখন দখল, অযত্ন ও অবহেলার শিকার। তবে নতুন করে এই রেলপথে পুনরায় ট্রেন চালুর প্রস্তাব ওঠায় পরশুরাম ও ফুলগাজীর প্রায় চার লাখ মানুষের মধ্যে আবারও নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।

সম্প্রতি আয়োজিত ফেনী জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় সভায় বন্ধ থাকা ফেনী-বিলোনিয়া রেলপথে প্রাথমিকভাবে অন্তত দুটি ছোট বগি দিয়ে হলেও ট্রেন চালুর আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেন ফুলগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ কাউছার হামিদ। তিনি রেলওয়ের বেদখল হওয়া সম্পত্তি পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণের পাশাপাশি সীমিত পরিসরে ট্রেন চালুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আবেদন জানান।

উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন ফেনী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম। প্রস্তাবের বিষয়ে তিনি ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান। একই সঙ্গে রেলওয়ের জায়গায় গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন তিনি। তবে এখন পর্যন্ত ট্রেন চলাচল শুরুর সুনির্দিষ্ট তারিখ কিংবা চূড়ান্ত অনুমোদনের কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি। ফলে দুই বগির প্রস্তাবটি কতটা বাস্তবায়িত হবে, সেটিই এখন স্থানীয়দের প্রধান প্রশ্ন।

২৯ বছর ধরে বন্ধ রেল যোগাযোগ

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, ১৯২৯ সালে ফেনী থেকে বিলোনিয়া পর্যন্ত প্রায় ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলপথে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছিল। তৎকালীন সময়ে এ অঞ্চলের মানুষের জেলা সদরে যাতায়াত, শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে এটি অনন্য ভূমিকা রাখত। ফেনী থেকে শুরু হয়ে বন্ধুয়া, দৌলতপুর, আনন্দপুর, পীরবক্স মুন্সিরহাট, নতুন মুন্সিরহাট, ফুলগাজী, চিথলিয়া, পরশুরাম হয়ে বিলোনিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল এই রুট। পরবর্তীতে সড়ক যোগাযোগের উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে রেলপথে যাত্রী ও আয় কমতে থাকে। একপর্যায়ে লোকসানের অজুহাত দেখিয়ে ১৯৯৭ সালের ১৭ আগস্ট রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এই রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে।


রেললাইন নতুন করে চালু করতে লাগবে হাজার কোটি টাকা

ফেনী-বিলোনিয়া রেলপথ পুনরায় চালু করতে প্রয়োজনীয় সম্ভাব্য ব্যয় নিয়ে নানা হিসাব-নিকাশ চলছে। প্রায় ২৭ থেকে ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেলপথে প্রতি কিলোমিটারে নতুন রেলপথ নির্মাণে আনুমানিক ৩০ কোটি টাকা ব্যয় ধরে হিসাব করলে পুরো প্রকল্প বাস্তবায়নে আনুমানিক ৮১০ থেকে ৯০০ কোটি টাকার প্রয়োজন হতে পারে। দীর্ঘ সময় পরিত্যক্ত থাকায় অধিকাংশ স্লিপার নষ্ট হয়ে গেছে, সেতু-কালভার্ট জীর্ণ হয়ে পড়েছে। ফলে বাংলাদেশ রেলওয়ের চূড়ান্ত কারিগরি সমীক্ষা ও সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পরই চালুর প্রকৃত ব্যয় নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।

দখল ও অযত্নে অস্তিত্ব সংকটে রেলপথ

দীর্ঘ ২৯ বছর ব্যবহার না থাকায় রেলপথের বিভিন্ন স্থান থেকে ট্র্যাক ও মূল্যবান সরঞ্জাম চুরি ও উধাও হয়ে গেছে। পরশুরাম ও ফুলগাজীর বিভিন্ন স্থানে রেললাইনের জমি দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে বসতবাড়ি, দোকানপাট ও স্থায়ী স্থাপনা। পরশুরামসহ ফুলগাজীর কয়েকটি স্টেশন ভবন জরাজীর্ণ অবস্থায় আগাছায় ঢেকে গেছে।


বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার নতুন দুয়ার

ফেনী-বিলোনিয়া রেলপথ পুনরুজ্জীবিত হলে কেবল যাত্রীদের সুবিধাই নিশ্চিত হবে না, বরং ত্রিপুরা রাজ্যের সঙ্গে বিলোনিয়া স্থলবন্দরের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রসারিত হবে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে ফেনীর উত্তরাঞ্চল ও সীমান্তবর্তী এলাকার রেল যোগাযোগ স্থাপিত হলে কৃষিপণ্য ও পণ্য পরিবহনে বড় ধরনের বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।

কর্তৃপক্ষ ও জনপ্রতিনিধিদের বক্তব্য

ফেনী রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মো. হারুন জানান, “২৯ বছর বন্ধ থাকা ফেনী-বিলোনিয়া রেলপথটি এই অঞ্চলের যোগাযোগের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ ছিল। সম্প্রতি এই রুটে পুনরায় সীমিত পরিসরে হলেও ট্রেন চালুর যে প্রস্তাব এসেছে, তাতে সাধারণ মানুষের মাঝে ইতিবাচক আশা তৈরি হয়েছে। উচ্চপর্যায়ের অনুমোদন পেলে রেলওয়ের সম্পত্তি উদ্ধার করে এটি চালু করা সম্ভব।”

ফেনী রেলওয়ে ভূমি অফিসের কানুনগো বিপ্লব দাস বলেন, “সরকারি সম্পদ এভাবে ফেলে রাখা যায় না। দখলকৃত সম্পত্তির সুনির্দিষ্ট তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। তালিকা চূড়ান্ত করেই দ্রুত অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।”

এ বিষয়ে ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সি রফিকুল আলম মজনু জানান, “ফেনীর সর্বস্তরের মানুষ চাইলে এটি অবশ্যই পুনরায় চালু হতে পারে। তবে বর্তমানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমরা মুহুরী ও কহুয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করছি, যাতে স্থানীয় মানুষকে টেকসই উপায়ে বন্যা থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়।”


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত