বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) নতুন সদস্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা। সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে রবিবার এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানাকে শপথবাক্য পাঠ করান। এ সময় অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে গত ২৫ অক্টোবর বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য হিসেবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি মোসাহেবদের মাধ্যমে এই নিয়োগ চূড়ান্ত করেন। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আল-বশিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই নিয়োগের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। সংবিধানের ১৩৮(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত বিশেষ ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি এই নিয়োগ প্রদান করেন। উক্ত প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট শর্ত দেওয়া হয়, পিএসসির সদস্য হিসেবে যোগদানের পূর্বে তাকে অন্য যে কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি বা বেসরকারি যেকোনো প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে আগের সকল কর্ম-সম্পর্ক আনুষ্ঠানিকভাবে ত্যাগ করতে হবে। জনস্বার্থেই তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়। শপথ নেওয়ার পর তার কার্যকাল সম্পর্কে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংবিধানের ১৩৯(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তিনি যেদিন আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন, ঠিক সেদিন থেকে পরবর্তী ৫ বছর অথবা তার বয়স ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়ার মধ্যে যা আগে ঘটবে, সেই সময় পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য পদে সসম্মানে বহাল থাকবেন।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) নতুন সদস্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা। সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে রবিবার এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানাকে শপথবাক্য পাঠ করান। এ সময় অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে গত ২৫ অক্টোবর বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য হিসেবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি মোসাহেবদের মাধ্যমে এই নিয়োগ চূড়ান্ত করেন। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আল-বশিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই নিয়োগের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। সংবিধানের ১৩৮(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত বিশেষ ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি এই নিয়োগ প্রদান করেন। উক্ত প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট শর্ত দেওয়া হয়, পিএসসির সদস্য হিসেবে যোগদানের পূর্বে তাকে অন্য যে কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি বা বেসরকারি যেকোনো প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে আগের সকল কর্ম-সম্পর্ক আনুষ্ঠানিকভাবে ত্যাগ করতে হবে। জনস্বার্থেই তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়। শপথ নেওয়ার পর তার কার্যকাল সম্পর্কে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংবিধানের ১৩৯(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তিনি যেদিন আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন, ঠিক সেদিন থেকে পরবর্তী ৫ বছর অথবা তার বয়স ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়ার মধ্যে যা আগে ঘটবে, সেই সময় পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য পদে সসম্মানে বহাল থাকবেন।

আপনার মতামত লিখুন