সংবাদ

পঞ্চগড়ে হঠাৎ কমল তাপমাত্রা, জেঁকে বসল শীত


জেলা প্রতিনিধি, পঞ্চগড়
জেলা প্রতিনিধি, পঞ্চগড়
প্রকাশ: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:১৮ পিএম

পঞ্চগড়ে হঠাৎ কমল তাপমাত্রা, জেঁকে বসল শীত
কার্তিকের মাঝেই উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা পঞ্চগড়ে জেঁকে বসতে শুরু করেছে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশা।

কার্তিকের মাঝেই উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা পঞ্চগড়ে জেঁকে বসতে শুরু করেছে শীত। রাতের শেষ ভাগ থেকে সকাল পর্যন্ত পুরো এলাকা ঢেকে থাকছে ঘন কুয়াশার চাদরে। সেই সঙ্গে বইছে হিমেল হাওয়া, যা বাড়িয়ে দিচ্ছে ঠান্ডার তীব্রতা। ফলে সকালবেলা শীতের পোশাক ছাড়া ঘর থেকে বের হওয়া এখন স্থানীয় মানুষের জন্য বেশ কষ্টকর হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ভোরের দিকে কুয়াশার ঘনত্ব এতটাই বেশি থাকছে যে সড়কগুলোতে দূরপাল্লার যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করতে হচ্ছে। গ্রামীণ রাস্তাঘাট, কৃষিজমি, গাছপালা আর ঘরের চালে জমছে ভোরের শিশিরবিন্দু। তবে সকাল ৮টার পর মিষ্টি রোদের দেখা মিলতেই ধীরে ধীরে কেটে যাচ্ছে কুয়াশা।

এদিকে রাতের বেলা শীতের আমেজ থাকলেও দিনের বেলায় এখনো গরমের ভাব পুরোপুরি কাটেনি। তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, নভেম্বরের বাকি দিনগুলোতে শীতের প্রকোপ আরও বাড়তে পারন

তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ এবং ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার বেগে হিমেল বাতাস প্রবাহিত হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে জেলার তাপমাত্রা ১৭ থেকে ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করলেও চলতি মৌসুমে এ পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমেছিল।

তিনি আরও জানান, নভেম্বরের শুরু থেকেই মূলত এখানে শীত অনুভূত হচ্ছে। তবে এ মাসের মাঝামাঝি সময়ে তাপমাত্রা আরও হ্রাস পেয়ে জেলাজুড়ে পুরোদমে শীত নামার সম্ভাবনা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬


পঞ্চগড়ে হঠাৎ কমল তাপমাত্রা, জেঁকে বসল শীত

প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

কার্তিকের মাঝেই উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা পঞ্চগড়ে জেঁকে বসতে শুরু করেছে শীত। রাতের শেষ ভাগ থেকে সকাল পর্যন্ত পুরো এলাকা ঢেকে থাকছে ঘন কুয়াশার চাদরে। সেই সঙ্গে বইছে হিমেল হাওয়া, যা বাড়িয়ে দিচ্ছে ঠান্ডার তীব্রতা। ফলে সকালবেলা শীতের পোশাক ছাড়া ঘর থেকে বের হওয়া এখন স্থানীয় মানুষের জন্য বেশ কষ্টকর হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ভোরের দিকে কুয়াশার ঘনত্ব এতটাই বেশি থাকছে যে সড়কগুলোতে দূরপাল্লার যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করতে হচ্ছে। গ্রামীণ রাস্তাঘাট, কৃষিজমি, গাছপালা আর ঘরের চালে জমছে ভোরের শিশিরবিন্দু। তবে সকাল ৮টার পর মিষ্টি রোদের দেখা মিলতেই ধীরে ধীরে কেটে যাচ্ছে কুয়াশা।

এদিকে রাতের বেলা শীতের আমেজ থাকলেও দিনের বেলায় এখনো গরমের ভাব পুরোপুরি কাটেনি। তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, নভেম্বরের বাকি দিনগুলোতে শীতের প্রকোপ আরও বাড়তে পারন

তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ এবং ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার বেগে হিমেল বাতাস প্রবাহিত হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে জেলার তাপমাত্রা ১৭ থেকে ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করলেও চলতি মৌসুমে এ পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমেছিল।

তিনি আরও জানান, নভেম্বরের শুরু থেকেই মূলত এখানে শীত অনুভূত হচ্ছে। তবে এ মাসের মাঝামাঝি সময়ে তাপমাত্রা আরও হ্রাস পেয়ে জেলাজুড়ে পুরোদমে শীত নামার সম্ভাবনা রয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত