সংবাদ

তিন মাসে ৪-৬টি শৈত্যপ্রবাহের আভাস, রয়েছে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাসও


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৪ পিএম

তিন মাসে ৪-৬টি শৈত্যপ্রবাহের আভাস, রয়েছে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাসও
ছ‌বি: সংগৃ‌হিত

পঞ্জিকার হিসাব অনুযায়ী শীতকাল শুরু হতে এখনো প্রায় দেড় মাস বাকি থাকলেও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এরই মধ্যে হালকা শীতের আমেজ টের পাওয়া যাচ্ছে।

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেষরাতে ফ্যানের বাতাসে ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে এবং উত্তরাঞ্চলে বইতে শুরু করেছে হিমেল হাওয়া। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চারপাশ কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে এবং ভোরে ঘাস ও ধানগাছের ডগায় শিশির জমছে। প্রকৃতির এই আগাম পরিবর্তনের বিষয়টি সামনে রেখে নভেম্বর থেকে জানুয়ারি, এই তিন মাসের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়া পূর্বাভাস প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

​গত ১ নভেম্বর ঢাকার ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রে আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষজ্ঞ কমিটির নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। অধিদপ্তরের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ও বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান মো. মমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আসন্ন নভেম্বর থেকে জানুয়ারি মাসের মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চার থেকে ছয়টি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলেও সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে। এই তিন মাস জুড়ে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে এবং বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে চারটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে এক বা দুটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

​পূর্বাভাসে আরও জানানো হয়, আগামী তিন মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বেশি থাকতে পারে। তবে শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকা ও বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার ব্যবধান কমে আসায় শীতের অনুভূতি আরও বেশি জেঁকে বসতে পারে।

​এর আগে সদ্য সমাপ্ত অক্টোবর মাসে সারাদেশে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৬৮ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। গত ৯ অক্টোবর দেশ থেকে দক্ষিণপশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায় নেয়। ওই মাসে দুটি লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছিল, যার মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছিল। সক্রিয় মৌসুমি বায়ু ও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত এবং বজ্রসহ ঝড়ো হাওয়া বয়ে যায়।

গত ২ অক্টোবর সিলেটের শ্রীমঙ্গলে দৈনিক সর্বোচ্চ ৬৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছিল। এছাড়া অক্টোবর জুড়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে কয়েক দফা মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। ওই মাসে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা সিলেটে ৩৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায় ১৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬


তিন মাসে ৪-৬টি শৈত্যপ্রবাহের আভাস, রয়েছে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাসও

প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

পঞ্জিকার হিসাব অনুযায়ী শীতকাল শুরু হতে এখনো প্রায় দেড় মাস বাকি থাকলেও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এরই মধ্যে হালকা শীতের আমেজ টের পাওয়া যাচ্ছে।

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেষরাতে ফ্যানের বাতাসে ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে এবং উত্তরাঞ্চলে বইতে শুরু করেছে হিমেল হাওয়া। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চারপাশ কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে এবং ভোরে ঘাস ও ধানগাছের ডগায় শিশির জমছে। প্রকৃতির এই আগাম পরিবর্তনের বিষয়টি সামনে রেখে নভেম্বর থেকে জানুয়ারি, এই তিন মাসের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়া পূর্বাভাস প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

​গত ১ নভেম্বর ঢাকার ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রে আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষজ্ঞ কমিটির নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। অধিদপ্তরের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ও বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান মো. মমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আসন্ন নভেম্বর থেকে জানুয়ারি মাসের মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চার থেকে ছয়টি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলেও সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে। এই তিন মাস জুড়ে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে এবং বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে চারটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে এক বা দুটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

​পূর্বাভাসে আরও জানানো হয়, আগামী তিন মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বেশি থাকতে পারে। তবে শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকা ও বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার ব্যবধান কমে আসায় শীতের অনুভূতি আরও বেশি জেঁকে বসতে পারে।

​এর আগে সদ্য সমাপ্ত অক্টোবর মাসে সারাদেশে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৬৮ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। গত ৯ অক্টোবর দেশ থেকে দক্ষিণপশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায় নেয়। ওই মাসে দুটি লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছিল, যার মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছিল। সক্রিয় মৌসুমি বায়ু ও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত এবং বজ্রসহ ঝড়ো হাওয়া বয়ে যায়।

গত ২ অক্টোবর সিলেটের শ্রীমঙ্গলে দৈনিক সর্বোচ্চ ৬৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছিল। এছাড়া অক্টোবর জুড়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে কয়েক দফা মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। ওই মাসে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা সিলেটে ৩৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায় ১৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত