বিএনপি সরকারকে পরাধীন করতে একাত্তরের রাজাকার এবং ২৪-এর রাজাকার মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি বলেছেন, ওই শক্তিগুলো যদি বর্তমান সরকারকে ব্যর্থ করতে চায়, তবে তাদের রাজনৈতিকভাবেই প্রতিহত করা হবে। যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায়নি এবং ২৪ সালে গণহত্যা চালিয়েছে, এ দেশের মাটিতে তাদের রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে ঝিনাইদহ শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে জেলা বিএনপি আয়োজিত র্যালি-পরবর্তী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের গুরুত্ব তুলে ধরে রাশেদ খাঁন বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার শুধু ৭ মার্চ পালন করলেও বাংলাদেশের ইতিহাসে ৭ নভেম্বরের গুরুত্ব কোনো অংশেই কম নয়। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর এবার প্রথম রাষ্ট্রীয়ভাবে এই দিনটি যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে আজকের স্বাধীন বাংলাদেশ পেতাম না। অথচ ফ্যাসিবাদের দোসররা তাঁকে কটাক্ষ করার অপচেষ্টা চালিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বরের পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সিপাহি ও জনগণের বিপ্লবের মধ্য দিয়ে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু বর্তমান নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত সরকারকে পরাধীন করতে এবং ব্যর্থ করতে এখনো একাত্তরের রাজাকার এবং ২৪-এর ষড়ষন্ত্রকারীরা একযোগে কাজ করে যাচ্ছে। অতীতে যেমন ষড়যন্ত্রকারীরা সফল হয়নি, এবারও তারা সফল হতে পারবে না।
ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মজিদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনার সঞ্চালনায় সভায় জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি কামাল আজাদ পান্নু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাসসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
বিএনপি সরকারকে পরাধীন করতে একাত্তরের রাজাকার এবং ২৪-এর রাজাকার মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি বলেছেন, ওই শক্তিগুলো যদি বর্তমান সরকারকে ব্যর্থ করতে চায়, তবে তাদের রাজনৈতিকভাবেই প্রতিহত করা হবে। যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায়নি এবং ২৪ সালে গণহত্যা চালিয়েছে, এ দেশের মাটিতে তাদের রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে ঝিনাইদহ শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে জেলা বিএনপি আয়োজিত র্যালি-পরবর্তী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের গুরুত্ব তুলে ধরে রাশেদ খাঁন বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার শুধু ৭ মার্চ পালন করলেও বাংলাদেশের ইতিহাসে ৭ নভেম্বরের গুরুত্ব কোনো অংশেই কম নয়। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর এবার প্রথম রাষ্ট্রীয়ভাবে এই দিনটি যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে আজকের স্বাধীন বাংলাদেশ পেতাম না। অথচ ফ্যাসিবাদের দোসররা তাঁকে কটাক্ষ করার অপচেষ্টা চালিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বরের পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সিপাহি ও জনগণের বিপ্লবের মধ্য দিয়ে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু বর্তমান নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত সরকারকে পরাধীন করতে এবং ব্যর্থ করতে এখনো একাত্তরের রাজাকার এবং ২৪-এর ষড়ষন্ত্রকারীরা একযোগে কাজ করে যাচ্ছে। অতীতে যেমন ষড়যন্ত্রকারীরা সফল হয়নি, এবারও তারা সফল হতে পারবে না।
ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মজিদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনার সঞ্চালনায় সভায় জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি কামাল আজাদ পান্নু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাসসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন