জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস কেন এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সর্বস্তরের নেতাকর্মী কেন এই দিবসটিকে সমর্থন করেন, সেই কারণ ও ইতিহাস সবাইকে গভীরভাবে জানার আহ্বান জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে পঞ্চগড়ের শেরে বাংলা পার্কের মুক্তমঞ্চে জেলা বিএনপি আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদানকালে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে এই জাতীয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য মানুষের মন থেকে ভুলিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চালিয়েছিল। তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল ইতিহাস থেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম পুরোপুরি মুছে ফেলা।
তবে তারা সেই অপচেষ্টায় সফল হতে পারেনি উল্লেখ করে তিনি নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন, যাতে সেই ফ্যাসিস্ট গোষ্ঠী কোনোভাবেই দেশজুড়ে আবার বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে না পারে।
বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে তাদের হৃদয়ে ধারণ করে রেখেছেন। এই গভীর ভালোবাসার কারণেই ইতিহাস থেকে তাকে মুছে ফেলা কোনো দিন সম্ভব হয়নি। সুতরাং যত ধরনের চক্রান্ত বা চেষ্টাই করা হোক না কেন, জিয়াউর রহমানের নাম বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে মোছা যাবে না।
বাংলাদেশ যতদিন মানচিত্রে টিকে থাকবে, ততদিন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নামও চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে তিনি ব্যক্ত করেন।
এর আগে শনিবার বিকেলে দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে শহরের সরকারি অডিটোরিয়াম চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য ও বিশাল শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি পঞ্চগড় শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শেরে বাংলা পার্ক চত্বরে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রা শেষে শেরে বাংলা পার্কের মুক্তমঞ্চে এই মূল আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
পঞ্চগড় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চুর সভাপতিত্বে আয়োজিত এই আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ও অন্য বক্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ মজিদ, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর এবং জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজল, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আদম সুফী এবং জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য রিনা পারভীন। এছাড়া আলোচনা সভায় পঞ্চগড় জেলার পাঁচটি উপজেলা থেকে আসা বিএনপি এবং এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ সমর্থক অংশ নেন।

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস কেন এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সর্বস্তরের নেতাকর্মী কেন এই দিবসটিকে সমর্থন করেন, সেই কারণ ও ইতিহাস সবাইকে গভীরভাবে জানার আহ্বান জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে পঞ্চগড়ের শেরে বাংলা পার্কের মুক্তমঞ্চে জেলা বিএনপি আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদানকালে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে এই জাতীয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য মানুষের মন থেকে ভুলিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চালিয়েছিল। তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল ইতিহাস থেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম পুরোপুরি মুছে ফেলা।
তবে তারা সেই অপচেষ্টায় সফল হতে পারেনি উল্লেখ করে তিনি নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন, যাতে সেই ফ্যাসিস্ট গোষ্ঠী কোনোভাবেই দেশজুড়ে আবার বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে না পারে।
বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে তাদের হৃদয়ে ধারণ করে রেখেছেন। এই গভীর ভালোবাসার কারণেই ইতিহাস থেকে তাকে মুছে ফেলা কোনো দিন সম্ভব হয়নি। সুতরাং যত ধরনের চক্রান্ত বা চেষ্টাই করা হোক না কেন, জিয়াউর রহমানের নাম বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে মোছা যাবে না।
বাংলাদেশ যতদিন মানচিত্রে টিকে থাকবে, ততদিন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নামও চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে তিনি ব্যক্ত করেন।
এর আগে শনিবার বিকেলে দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে শহরের সরকারি অডিটোরিয়াম চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য ও বিশাল শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি পঞ্চগড় শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শেরে বাংলা পার্ক চত্বরে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রা শেষে শেরে বাংলা পার্কের মুক্তমঞ্চে এই মূল আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
পঞ্চগড় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চুর সভাপতিত্বে আয়োজিত এই আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ও অন্য বক্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ মজিদ, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর এবং জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজল, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আদম সুফী এবং জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য রিনা পারভীন। এছাড়া আলোচনা সভায় পঞ্চগড় জেলার পাঁচটি উপজেলা থেকে আসা বিএনপি এবং এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ সমর্থক অংশ নেন।

আপনার মতামত লিখুন