হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার এক শিশুযাত্রী ও এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় শিশুটির মা-বাবাসহ অটোরিকশার চালক গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার ১৩ নম্বর পানিউমদা ইউনিয়নের বড়চর এলাকার স-মিলের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন নবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের জাহিদপুর গ্রামের কুরুশ আলীর ছেলে সাইদুর মিয়া (২৪) এবং বাহুবল উপজেলার পুটিজুরি ইউনিয়নের কল্যাণপুর গ্রামের গোবিন্দ পালের একমাত্র ছেলে গিরিরাজ (১)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় শিশু গিরিরাজ তার মা স্বর্ণা পাল ও বাবা গোবিন্দ পালের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে নবীগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। এ সময় অটোরিকশার সামনের আসনে বসা ছিলেন সাইদুর মিয়া। অটোরিকশাটি বড়চর এলাকার স-মিলের সামনে পৌঁছালে পেছন দিক থেকে ঢাকা ‘প্রাণ’ কোম্পানির একটি কাভার্ড ভ্যান সেটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিটি সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং যাত্রীরা গুরুতর আহত হন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে নবীগঞ্জের গোপলাবাজার পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) শওকত আলীসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরবর্তীতে শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিসুল ইসলামও ঘটনাস্থলে যান। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে প্রথমে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশু গিরিরাজকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে সাইদুর মিয়ার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে সিলেটে পাঠানো হচ্ছিল। কিন্তু পথিমধ্যে তিনিও মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। এ দুর্ঘটনায় নিহত শিশুর মা স্বর্ণা পাল, বাবা গোবিন্দ পাল ও অটোরিকশাচালকও আহত হয়েছেন।
শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিসুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে। দুর্ঘটনায় জড়িত কাভার্ড ভ্যানটি আটক করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আপত্তি না থাকায় শিশু গিরিরাজের মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার এক শিশুযাত্রী ও এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় শিশুটির মা-বাবাসহ অটোরিকশার চালক গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার ১৩ নম্বর পানিউমদা ইউনিয়নের বড়চর এলাকার স-মিলের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন নবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের জাহিদপুর গ্রামের কুরুশ আলীর ছেলে সাইদুর মিয়া (২৪) এবং বাহুবল উপজেলার পুটিজুরি ইউনিয়নের কল্যাণপুর গ্রামের গোবিন্দ পালের একমাত্র ছেলে গিরিরাজ (১)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় শিশু গিরিরাজ তার মা স্বর্ণা পাল ও বাবা গোবিন্দ পালের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে নবীগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। এ সময় অটোরিকশার সামনের আসনে বসা ছিলেন সাইদুর মিয়া। অটোরিকশাটি বড়চর এলাকার স-মিলের সামনে পৌঁছালে পেছন দিক থেকে ঢাকা ‘প্রাণ’ কোম্পানির একটি কাভার্ড ভ্যান সেটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিটি সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং যাত্রীরা গুরুতর আহত হন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে নবীগঞ্জের গোপলাবাজার পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) শওকত আলীসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরবর্তীতে শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিসুল ইসলামও ঘটনাস্থলে যান। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে প্রথমে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশু গিরিরাজকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে সাইদুর মিয়ার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে সিলেটে পাঠানো হচ্ছিল। কিন্তু পথিমধ্যে তিনিও মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। এ দুর্ঘটনায় নিহত শিশুর মা স্বর্ণা পাল, বাবা গোবিন্দ পাল ও অটোরিকশাচালকও আহত হয়েছেন।
শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিসুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে। দুর্ঘটনায় জড়িত কাভার্ড ভ্যানটি আটক করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আপত্তি না থাকায় শিশু গিরিরাজের মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন