সংবাদ

ফরিদপুরে শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষকের কারাদণ্ড


প্রতিনিধি, ফরিদপুর
প্রতিনিধি, ফরিদপুর
প্রকাশ: ৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৮ পিএম

ফরিদপুরে শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষকের কারাদণ্ড
ছবি : সংবাদ

ফরিদপুরে ১০ বছরের এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের দায়ে আরিফুল ইসলাম (২৬) নামে এক মসজিদের মক্তব শিক্ষককে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শামীমা পারভীন এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আরিফুল ইসলাম ফরিদপুরের সালথা উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের পুরুরা গ্রামের মো. খবির মোল্যার ছেলে। তিনি নগরকান্দা উপজেলার রামনগর ইউনিয়নে শিশুটির বাড়ির পাশের একটি মসজিদে ইমামতি করার পাশাপাশি সকালে শিশুদের মক্তবে ধর্মীয় শিক্ষা দিতেন। রায় ঘোষণার পর তাকে পুলিশ পাহারায় কারাগারে পাঠানো হয়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আরিফুল প্রতিদিন ভোরে মাইকে ডেকে শিশুদের ধর্মীয় শিক্ষার জন্য মসজিদে আনতেন। ঘটনার দিন ২০২৪ সালের ৫ অক্টোবর ভোরে বৃষ্টি থাকায় তিনি মাইকে ডাকেননি। ওই সময় শিশুটি একা মসজিদে চলে গেলে শিক্ষক আরিফুল তাকে একা পেয়ে শারীরিক ও যৌন নিপীড়ন (বলাৎকার) করার চেষ্টা করেন এবং একপর্যায়ে শিশুটির ওপর বীর্যপাত ঘটান। পরে শিশুটি কৌশলে দরজা খুলে দৌড়ে বাড়ি গিয়ে পরিবারকে বিষয়টি জানায়।

পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা দ্রুত মসজিদে গিয়ে আরিফুল ইসলামকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে নগরকান্দা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় ওই দিনই শিশুটির মা বাদী হয়ে নগরকান্দা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূইয়া রতন রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আসামি আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করেছেন এবং সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক এই রায় প্রদান করেন। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬


ফরিদপুরে শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষকের কারাদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

ফরিদপুরে ১০ বছরের এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের দায়ে আরিফুল ইসলাম (২৬) নামে এক মসজিদের মক্তব শিক্ষককে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শামীমা পারভীন এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আরিফুল ইসলাম ফরিদপুরের সালথা উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের পুরুরা গ্রামের মো. খবির মোল্যার ছেলে। তিনি নগরকান্দা উপজেলার রামনগর ইউনিয়নে শিশুটির বাড়ির পাশের একটি মসজিদে ইমামতি করার পাশাপাশি সকালে শিশুদের মক্তবে ধর্মীয় শিক্ষা দিতেন। রায় ঘোষণার পর তাকে পুলিশ পাহারায় কারাগারে পাঠানো হয়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আরিফুল প্রতিদিন ভোরে মাইকে ডেকে শিশুদের ধর্মীয় শিক্ষার জন্য মসজিদে আনতেন। ঘটনার দিন ২০২৪ সালের ৫ অক্টোবর ভোরে বৃষ্টি থাকায় তিনি মাইকে ডাকেননি। ওই সময় শিশুটি একা মসজিদে চলে গেলে শিক্ষক আরিফুল তাকে একা পেয়ে শারীরিক ও যৌন নিপীড়ন (বলাৎকার) করার চেষ্টা করেন এবং একপর্যায়ে শিশুটির ওপর বীর্যপাত ঘটান। পরে শিশুটি কৌশলে দরজা খুলে দৌড়ে বাড়ি গিয়ে পরিবারকে বিষয়টি জানায়।

পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা দ্রুত মসজিদে গিয়ে আরিফুল ইসলামকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে নগরকান্দা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় ওই দিনই শিশুটির মা বাদী হয়ে নগরকান্দা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূইয়া রতন রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আসামি আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করেছেন এবং সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক এই রায় প্রদান করেন। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত