সংবাদ

২১ জানুয়ারি প্রথম ধাপের ইউপি ভোট, ৫ ধাপে হবে শেষ


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৪ পিএম

২১ জানুয়ারি প্রথম ধাপের ইউপি ভোট, ৫ ধাপে হবে শেষ
ছ‌বি: সংগৃ‌হিত

আগামী ২১ জানুয়ারি প্রথম ধাপে দেশের ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) ভোট গ্রহণের পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

মোট পাঁচ ধাপে সাড়ে চার হাজার ইউপিতে এই নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। নির্বাচনের প্রথম ধাপের প্রস্তুতির কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।

র‌বিবার (৮ নভেম্বর) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘প্রথম ধাপে কমবেশি ১ হাজার ৫০টি ইউপিতে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। অনেক ইউপি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় ভোটের উপযোগী হয়েছে, এটা বিবেচনায় নিয়ে প্রথম ধাপের তালিকা চূড়ান্ত করা হচ্ছে।’

ইসি সচিব জানান, দেশের সাড়ে চার হাজার ইউনিয়ন পরিষদের সিংহভাগ ভোটই প্রথম দুই ধাপে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের। সে ক্ষেত্রে আবহাওয়া, উপকূলীয় অঞ্চল ও স্থানীয় বাস্তবতাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে ভোটের জন্য উপযোগী ইউনিয়নগুলোর তালিকা চূড়ান্ত হতে পারে।

কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে পাঁচ ধাপে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ধাপ ২১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার পর দ্বিতীয় ধাপের ভোট হবে ৪ ফেব্রুয়ারি। এরপর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে তৃতীয় ধাপ ২৯ এপ্রিল, চতুর্থ ধাপ ১৩ মে এবং পঞ্চম ও শেষ ধাপের ভোট হবে ২৭ মে।

ইসি সচিব জানান, একটি উপজেলার সব কটি ইউনিয়নে একই দিনে ভোট গ্রহণ করা হবে। কোনো ইউনিয়নে মামলা বা সীমানা জটিলতা আছে কি না, তা যাচাইয়ের জন্য মাঠপর্যায়ে তথ্য পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবারের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ তালিকা পাওয়ার পর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা স্থানীয়ভাবে তফসিল ঘোষণা করবেন। নির্বাচনের জন্য ব্যালট পেপার ছাপানোসহ প্রয়োজনীয় নির্বাচনী সামগ্রী সংগ্রহের প্রস্তুতিও চলছে।

নাগরিকদের ভোটার নিবন্ধনের প্রক্রিয়াটি আরও সহজ ও সমন্বিত করতে নতুন পরিকল্পনা করছে কমিশন। বর্তমানে ১৬ বছর বয়সীদের তথ্য সংগ্রহ করা হলেও ভবিষ্যতে প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকেই তথ্য সংগ্রহের বিষয়টি ভাবা হচ্ছে।

সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষায় নিবন্ধনের সময় জন্মনিবন্ধন সনদের যে তথ্য দেওয়া হয়, সেটি যদি ইসির তথ্যভাণ্ডারে যুক্ত করা যায়, তবে পরবর্তী সময়ে নাগরিকরা বাড়তি বিড়ম্বনা থেকে রেহাই পাবেন। এ বিষয়ে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনার প্রক্রিয়া চলছে।’

বর্তমান নির্বাচন কমিশন ভোটে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে মজুত থাকা ইভিএমগুলো কীভাবে নিষ্পত্তি (ডিসপোজাল) করা যায়, তা নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে।

সচিব জানান, ইভিএমগুলো পরিবেশবান্ধব উপায়ে সরিয়ে ফেলার প্রক্রিয়া নির্ধারণ করতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ইভিএম প্রকল্পের বিলুপ্তি এবং এর সংখ্যাগত হিসাব মিলিয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬


২১ জানুয়ারি প্রথম ধাপের ইউপি ভোট, ৫ ধাপে হবে শেষ

প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

আগামী ২১ জানুয়ারি প্রথম ধাপে দেশের ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) ভোট গ্রহণের পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

মোট পাঁচ ধাপে সাড়ে চার হাজার ইউপিতে এই নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। নির্বাচনের প্রথম ধাপের প্রস্তুতির কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।

র‌বিবার (৮ নভেম্বর) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘প্রথম ধাপে কমবেশি ১ হাজার ৫০টি ইউপিতে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। অনেক ইউপি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় ভোটের উপযোগী হয়েছে, এটা বিবেচনায় নিয়ে প্রথম ধাপের তালিকা চূড়ান্ত করা হচ্ছে।’

ইসি সচিব জানান, দেশের সাড়ে চার হাজার ইউনিয়ন পরিষদের সিংহভাগ ভোটই প্রথম দুই ধাপে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের। সে ক্ষেত্রে আবহাওয়া, উপকূলীয় অঞ্চল ও স্থানীয় বাস্তবতাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে ভোটের জন্য উপযোগী ইউনিয়নগুলোর তালিকা চূড়ান্ত হতে পারে।

কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে পাঁচ ধাপে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ধাপ ২১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার পর দ্বিতীয় ধাপের ভোট হবে ৪ ফেব্রুয়ারি। এরপর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে তৃতীয় ধাপ ২৯ এপ্রিল, চতুর্থ ধাপ ১৩ মে এবং পঞ্চম ও শেষ ধাপের ভোট হবে ২৭ মে।

ইসি সচিব জানান, একটি উপজেলার সব কটি ইউনিয়নে একই দিনে ভোট গ্রহণ করা হবে। কোনো ইউনিয়নে মামলা বা সীমানা জটিলতা আছে কি না, তা যাচাইয়ের জন্য মাঠপর্যায়ে তথ্য পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবারের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ তালিকা পাওয়ার পর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা স্থানীয়ভাবে তফসিল ঘোষণা করবেন। নির্বাচনের জন্য ব্যালট পেপার ছাপানোসহ প্রয়োজনীয় নির্বাচনী সামগ্রী সংগ্রহের প্রস্তুতিও চলছে।

নাগরিকদের ভোটার নিবন্ধনের প্রক্রিয়াটি আরও সহজ ও সমন্বিত করতে নতুন পরিকল্পনা করছে কমিশন। বর্তমানে ১৬ বছর বয়সীদের তথ্য সংগ্রহ করা হলেও ভবিষ্যতে প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকেই তথ্য সংগ্রহের বিষয়টি ভাবা হচ্ছে।

সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষায় নিবন্ধনের সময় জন্মনিবন্ধন সনদের যে তথ্য দেওয়া হয়, সেটি যদি ইসির তথ্যভাণ্ডারে যুক্ত করা যায়, তবে পরবর্তী সময়ে নাগরিকরা বাড়তি বিড়ম্বনা থেকে রেহাই পাবেন। এ বিষয়ে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনার প্রক্রিয়া চলছে।’

বর্তমান নির্বাচন কমিশন ভোটে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে মজুত থাকা ইভিএমগুলো কীভাবে নিষ্পত্তি (ডিসপোজাল) করা যায়, তা নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে।

সচিব জানান, ইভিএমগুলো পরিবেশবান্ধব উপায়ে সরিয়ে ফেলার প্রক্রিয়া নির্ধারণ করতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ইভিএম প্রকল্পের বিলুপ্তি এবং এর সংখ্যাগত হিসাব মিলিয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত