এককালীন অনুদানের মাধ্যমে দরিদ্র চরাঞ্চলীয় পরিবারগুলোর জীবনযাত্রায় টেকসই পরিবর্তন ও দুর্যোগ মোকাবেলার সক্ষমতা বাড়াতে গাইবান্ধায় শুরু হয়েছে ‘চয়েস, হোপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স (চর) বাংলাদেশ প্রকল্প’। আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘গিভডিরেক্টলি’-এর আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় এবং স্থানীয় শীর্ষস্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা ‘গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (জিইউকে)’-এর বাস্তবায়নে এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
রোববার (৮ নভেম্বর) সকালে গাইবান্ধার জিইউকে রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত এক ‘মিট দ্য প্রেস’ সংবাদ সম্মেলনে এই প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন জিইউকে-র প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী প্রধান এম. আবদুস্ সালাম।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ফুলছড়ি উপজেলার ফুলছড়ি, ফজলুপুর, এরেন্ডাবাড়ি এবং সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের মোট ৮ হাজার ৫০০ দরিদ্র পরিবারকে এই প্রকল্পের আওতায় দুই কিস্তিতে সর্বমোট ৬০ হাজার টাকা করে সরাসরি শর্তহীন আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রথম কিস্তিতে চলতি নভেম্বর মাসেই ৯ হাজার টাকা এবং দ্বিতীয় কিস্তিতে আগামী ডিসেম্বর মাসে বাকি ৫১ হাজার টাকা সুবিধাভোগীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে।
সংস্থাটির নির্বাহী প্রধান এম. আবদুস্ সালাম জানান, এই অর্থ বিতরণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের পূর্বশর্ত বা সীমাবদ্ধতা রাখা হয়নি। সুবিধাভোগী পরিবারগুলো নিজেদের প্রয়োজন ও অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এই টাকা ঘর মেরামত, গবাদিপশু ক্রয়, ক্ষুদ্র ব্যবসা সম্প্রসারণ, সন্তানের শিক্ষা কিংবা সঞ্চয়ের কাজে ব্যয় করতে পারবে। শর্তহীন এই নগদ সহায়তার ফলে প্রশাসনিক জটিলতা যেমন কমবে, তেমনি চরাঞ্চলের অবহেলিত মানুষ নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনে সরাসরি আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির সুযোগ পাবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জিইউকে-র পরিচালক আবু সায়েম মো. জান্নাতুন নূর রিশাত, গিভডিরেক্টলি’র অ্যাসোসিয়েট ফিল্ড ম্যানেজার মো. রাশেদুল ইসলাম এবং প্রকল্প সমন্বয়কারী জয়া প্রসাদসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
এককালীন অনুদানের মাধ্যমে দরিদ্র চরাঞ্চলীয় পরিবারগুলোর জীবনযাত্রায় টেকসই পরিবর্তন ও দুর্যোগ মোকাবেলার সক্ষমতা বাড়াতে গাইবান্ধায় শুরু হয়েছে ‘চয়েস, হোপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স (চর) বাংলাদেশ প্রকল্প’। আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘গিভডিরেক্টলি’-এর আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় এবং স্থানীয় শীর্ষস্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা ‘গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (জিইউকে)’-এর বাস্তবায়নে এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
রোববার (৮ নভেম্বর) সকালে গাইবান্ধার জিইউকে রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত এক ‘মিট দ্য প্রেস’ সংবাদ সম্মেলনে এই প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন জিইউকে-র প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী প্রধান এম. আবদুস্ সালাম।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ফুলছড়ি উপজেলার ফুলছড়ি, ফজলুপুর, এরেন্ডাবাড়ি এবং সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের মোট ৮ হাজার ৫০০ দরিদ্র পরিবারকে এই প্রকল্পের আওতায় দুই কিস্তিতে সর্বমোট ৬০ হাজার টাকা করে সরাসরি শর্তহীন আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রথম কিস্তিতে চলতি নভেম্বর মাসেই ৯ হাজার টাকা এবং দ্বিতীয় কিস্তিতে আগামী ডিসেম্বর মাসে বাকি ৫১ হাজার টাকা সুবিধাভোগীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে।
সংস্থাটির নির্বাহী প্রধান এম. আবদুস্ সালাম জানান, এই অর্থ বিতরণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের পূর্বশর্ত বা সীমাবদ্ধতা রাখা হয়নি। সুবিধাভোগী পরিবারগুলো নিজেদের প্রয়োজন ও অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এই টাকা ঘর মেরামত, গবাদিপশু ক্রয়, ক্ষুদ্র ব্যবসা সম্প্রসারণ, সন্তানের শিক্ষা কিংবা সঞ্চয়ের কাজে ব্যয় করতে পারবে। শর্তহীন এই নগদ সহায়তার ফলে প্রশাসনিক জটিলতা যেমন কমবে, তেমনি চরাঞ্চলের অবহেলিত মানুষ নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনে সরাসরি আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির সুযোগ পাবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জিইউকে-র পরিচালক আবু সায়েম মো. জান্নাতুন নূর রিশাত, গিভডিরেক্টলি’র অ্যাসোসিয়েট ফিল্ড ম্যানেজার মো. রাশেদুল ইসলাম এবং প্রকল্প সমন্বয়কারী জয়া প্রসাদসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।

আপনার মতামত লিখুন