সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

নৌযানে জিপিএস-ভিএইচএফ জরুরি

নির্ভুল পূর্বাভাস-প্রযুক্তির নিশ্চয়তা চান জেলেরা


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, কক্সবাজার
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, কক্সবাজার
প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫৭ পিএম

নির্ভুল পূর্বাভাস-প্রযুক্তির নিশ্চয়তা চান জেলেরা
সমুদ্রে প্রায়ই বিপাকে পড়েন জেলেরা। ছবি: সংগৃহীত

গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে প্রাণহানি, নৌদুর্ঘটনা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসল হারাচ্ছেন জেলেরা। জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখন আর ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন আধুনিক প্রযুক্তি, সময়মতো আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও জরুরি মুহূর্তে উদ্ধার কার্যক্রমে সক্ষমতা। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব নয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) কক্সবাজার জেলা পরিষদ মিলনায়তনে কোস্ট ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ‘সমুদ্রে জেলেদের নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন। বিশ্বব্যাংক ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর সহযোগিতায় বাস্তবায়িত ‘সাসটেইনেবল মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্ট ট্রান্সফরমেশন (স্মার্ট)’ প্রকল্পের আওতায় এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

বক্তারা জানান, বর্তমানে সাগরে মাছ ধরার সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগ, নৌ দুর্ঘটনা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। এর অন্যতম কারণ আধুনিক প্রযুক্তির অপ্রতুলতা ও সচেতনতার অভাব। অধিকাংশ জেলের নৌযানে নেই জিপিএস, ভিএইচএফ রেডিও বা ইকো-সাউন্ডার। ফলে দিক হারিয়ে ফেলা, আবহাওয়া বুঝতে না পারা এবং সংকট মুহূর্তে যোগাযোগ করতে না পারার ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি কক্সবাজারের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা বলেন, ‘সমুদ্রে জেলেদের জীবন রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রযুক্তির ব্যবহার এখন সময়ের দাবি। সরকার একা এ কাজ করতে পারে না। এ জন্য বেসরকারি সংস্থা, নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড ও মৎস্যজীবী সংগঠনদের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।’

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বেইস স্বপ্নীল সিন্ধুর কমান্ডিং অফিসার ক্যাপ্টেন এম. হাবিবুল মওলা বলেন, ‘জেলেরা যাতে দুর্যোগের সময় দ্রুত উদ্ধার পায়, সেজন্য নৌবাহিনী সব সময় প্রস্তুত। কিন্তু যোগাযোগ ব্যবস্থা দুর্বল থাকলে উদ্ধার সম্ভব হয় না। প্রতিটি মাছ ধরার নৌযানে ভিএইচএফ রেডিও বাধ্যতামূলক করা উচিত।’ তিনি আরও বলেন, জেলেরা যেন কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর জরুরি হটলাইনে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারে, সে ব্যবস্থা জোরদার করা দরকার।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আবদুল হান্নান কর্মশালায় জানান, অনেক জেলে সমুদ্রে যাওয়ার আগে আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানেন না। আবার অনেকে জানলেও ঝুঁকি নিয়ে সাগরে নামেন। এ জন্য পূর্বাভাসকে আরও সহজলভ্য ও জনবান্ধব করা জরুরি।তিনি বলেন, ‘মোবাইল ফোনে সহজ বাংলায় আবহাওয়ার সতর্কতা পৌঁছে দিতে পারলে জেলেরা অনেক বিপদ এড়াতে পারবেন।’

বাংলাদেশ সামুদ্রিক মৎস্য গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আশরাফুল হক বলেন, ‘অনেক নৌযানে একটি লাইফ জ্যাকেট পর্যন্ত নেই। অথচ সমুদ্রে একটু অসাবধানতাই প্রাণঘাতী হতে পারে। প্রতিটি নৌযানে পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট, সংকেত বাতি ও জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম রাখা বাধ্যতামূলক করা উচিত।’তিনি আরও বলেন, জেলে ও নৌযান নিবন্ধন, সঠিক তথ্য সংরক্ষণ এবং সমুদ্রে যাওয়ার আগে আবহাওয়া জানা বাধ্যতামূলক করলে দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমে আসবে।

কর্মশালায় স্মার্ট প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক আজমল হুদা সিদ্দিকী জানান, তারা জেলেদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন- কীভাবে নেভিগেশন করতে হয়, কীভাবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস কাজে লাগাতে হয়, কীভাবে লাইফ জ্যাকেট ও ভিএইচএফ রেডিও ব্যবহার করতে হয়। তবে এর পরিধি আরও বাড়ানো দরকার। তিনি বলেন, ‘শুধু প্রশিক্ষণ দিলে হবে না, প্রশিক্ষণের পরও নিয়মিত ফলোআপ ও মনিটরিং জরুরি। জেলেরা যাতে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগান, সে জন্য সচেতনতা বাড়াতে হবে।’

উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে জেলেরা নিজেদের দুশ্চিন্তার কথা তুলে ধরেন। তারা জানান, সাগরে গেলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যোগাযোগহীন অবস্থায় থাকতে হয়। নৌযানে যদি জিপিএস ও ভিএইচএফ থাকত, তাহলে দিশাহারা হওয়া বা ঝড়ের সময় তীরে ফিরতে সমস্যা হতো না। এক জেলে বলেন, ‘আমরা জানি না কখন কোথায় ঝড় হবে। সরকার যদি আমাদের মোবাইলে আগাম বার্তা দিত, তাহলে অনেক প্রাণ বাঁচত।’

কর্মশালার শেষে বক্তারা বেশকিছু সুপারিশ উপস্থাপন করেন। সেগুলো হলো:প্রতিটি মাছ ধরার নৌযানে জিপিএস, ভিএইচএফ রেডিও ও ইকো-সাউন্ডার বাধ্যতামূলক করা, জেলে ও নৌযান নিবন্ধন আবশ্যক করা, সমুদ্রে যাওয়ার আগে আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানা বাধ্যতামূলক করা, প্রতিটি নৌযানে পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট ও জরুরি সরঞ্জাম রাখা, কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর জরুরি হটলাইনের সঙ্গে জেলেদের যোগাযোগ সহজ করা, মোবাইল ফোনে সহজ বাংলায় আবহাওয়ার সতর্কতা পাঠানো, জেলেদের জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা কার্যক্রম চালু রাখা ও মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা চলাকালে জেলেদের বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা করা।

কক্সবাজার জেলা পরিষদ মিলনায়তনে কোস্ট ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ‘সমুদ্রে জেলেদের নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালা

কর্মশালায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, জেলা মৎস্য অধিদপ্তর, আবহাওয়া অধিদপ্তর, সামুদ্রিক মৎস্য গবেষণা কেন্দ্রসহ বিভিন্ন সংস্থার মোট ৫১ জন প্রতিনিধি অংশ নেন। কোস্ট ফাউন্ডেশনের সিনিয়র কোঅর্ডিনেটর জিয়াউল করিম চৌধুরীর সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে কর্মশালার কার্যক্রম শেষ হয়।

উপস্থিত বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সমুদ্রে জেলেদের জীবন রক্ষায় শুধু নীতি নির্ধারণ করলে চলবে না, প্রয়োগের ক্ষেত্রেও হতে হবে কঠোর। প্রযুক্তি ও সচেতনতা- দুই মেরুতে বাড়াতে হবে জোর। তবেই ঝুঁকি কমবে, বাঁচবে প্রাণ।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬


নির্ভুল পূর্বাভাস-প্রযুক্তির নিশ্চয়তা চান জেলেরা

প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে প্রাণহানি, নৌদুর্ঘটনা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসল হারাচ্ছেন জেলেরা। জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখন আর ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন আধুনিক প্রযুক্তি, সময়মতো আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও জরুরি মুহূর্তে উদ্ধার কার্যক্রমে সক্ষমতা। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব নয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) কক্সবাজার জেলা পরিষদ মিলনায়তনে কোস্ট ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ‘সমুদ্রে জেলেদের নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন। বিশ্বব্যাংক ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর সহযোগিতায় বাস্তবায়িত ‘সাসটেইনেবল মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্ট ট্রান্সফরমেশন (স্মার্ট)’ প্রকল্পের আওতায় এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

বক্তারা জানান, বর্তমানে সাগরে মাছ ধরার সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগ, নৌ দুর্ঘটনা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। এর অন্যতম কারণ আধুনিক প্রযুক্তির অপ্রতুলতা ও সচেতনতার অভাব। অধিকাংশ জেলের নৌযানে নেই জিপিএস, ভিএইচএফ রেডিও বা ইকো-সাউন্ডার। ফলে দিক হারিয়ে ফেলা, আবহাওয়া বুঝতে না পারা এবং সংকট মুহূর্তে যোগাযোগ করতে না পারার ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি কক্সবাজারের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা বলেন, ‘সমুদ্রে জেলেদের জীবন রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রযুক্তির ব্যবহার এখন সময়ের দাবি। সরকার একা এ কাজ করতে পারে না। এ জন্য বেসরকারি সংস্থা, নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড ও মৎস্যজীবী সংগঠনদের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।’

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বেইস স্বপ্নীল সিন্ধুর কমান্ডিং অফিসার ক্যাপ্টেন এম. হাবিবুল মওলা বলেন, ‘জেলেরা যাতে দুর্যোগের সময় দ্রুত উদ্ধার পায়, সেজন্য নৌবাহিনী সব সময় প্রস্তুত। কিন্তু যোগাযোগ ব্যবস্থা দুর্বল থাকলে উদ্ধার সম্ভব হয় না। প্রতিটি মাছ ধরার নৌযানে ভিএইচএফ রেডিও বাধ্যতামূলক করা উচিত।’ তিনি আরও বলেন, জেলেরা যেন কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর জরুরি হটলাইনে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারে, সে ব্যবস্থা জোরদার করা দরকার।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আবদুল হান্নান কর্মশালায় জানান, অনেক জেলে সমুদ্রে যাওয়ার আগে আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানেন না। আবার অনেকে জানলেও ঝুঁকি নিয়ে সাগরে নামেন। এ জন্য পূর্বাভাসকে আরও সহজলভ্য ও জনবান্ধব করা জরুরি।তিনি বলেন, ‘মোবাইল ফোনে সহজ বাংলায় আবহাওয়ার সতর্কতা পৌঁছে দিতে পারলে জেলেরা অনেক বিপদ এড়াতে পারবেন।’

বাংলাদেশ সামুদ্রিক মৎস্য গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আশরাফুল হক বলেন, ‘অনেক নৌযানে একটি লাইফ জ্যাকেট পর্যন্ত নেই। অথচ সমুদ্রে একটু অসাবধানতাই প্রাণঘাতী হতে পারে। প্রতিটি নৌযানে পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট, সংকেত বাতি ও জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম রাখা বাধ্যতামূলক করা উচিত।’তিনি আরও বলেন, জেলে ও নৌযান নিবন্ধন, সঠিক তথ্য সংরক্ষণ এবং সমুদ্রে যাওয়ার আগে আবহাওয়া জানা বাধ্যতামূলক করলে দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমে আসবে।

কর্মশালায় স্মার্ট প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক আজমল হুদা সিদ্দিকী জানান, তারা জেলেদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন- কীভাবে নেভিগেশন করতে হয়, কীভাবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস কাজে লাগাতে হয়, কীভাবে লাইফ জ্যাকেট ও ভিএইচএফ রেডিও ব্যবহার করতে হয়। তবে এর পরিধি আরও বাড়ানো দরকার। তিনি বলেন, ‘শুধু প্রশিক্ষণ দিলে হবে না, প্রশিক্ষণের পরও নিয়মিত ফলোআপ ও মনিটরিং জরুরি। জেলেরা যাতে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগান, সে জন্য সচেতনতা বাড়াতে হবে।’

উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে জেলেরা নিজেদের দুশ্চিন্তার কথা তুলে ধরেন। তারা জানান, সাগরে গেলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যোগাযোগহীন অবস্থায় থাকতে হয়। নৌযানে যদি জিপিএস ও ভিএইচএফ থাকত, তাহলে দিশাহারা হওয়া বা ঝড়ের সময় তীরে ফিরতে সমস্যা হতো না। এক জেলে বলেন, ‘আমরা জানি না কখন কোথায় ঝড় হবে। সরকার যদি আমাদের মোবাইলে আগাম বার্তা দিত, তাহলে অনেক প্রাণ বাঁচত।’

কর্মশালার শেষে বক্তারা বেশকিছু সুপারিশ উপস্থাপন করেন। সেগুলো হলো:প্রতিটি মাছ ধরার নৌযানে জিপিএস, ভিএইচএফ রেডিও ও ইকো-সাউন্ডার বাধ্যতামূলক করা, জেলে ও নৌযান নিবন্ধন আবশ্যক করা, সমুদ্রে যাওয়ার আগে আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানা বাধ্যতামূলক করা, প্রতিটি নৌযানে পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট ও জরুরি সরঞ্জাম রাখা, কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর জরুরি হটলাইনের সঙ্গে জেলেদের যোগাযোগ সহজ করা, মোবাইল ফোনে সহজ বাংলায় আবহাওয়ার সতর্কতা পাঠানো, জেলেদের জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা কার্যক্রম চালু রাখা ও মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা চলাকালে জেলেদের বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা করা।

কক্সবাজার জেলা পরিষদ মিলনায়তনে কোস্ট ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ‘সমুদ্রে জেলেদের নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালা

কর্মশালায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, জেলা মৎস্য অধিদপ্তর, আবহাওয়া অধিদপ্তর, সামুদ্রিক মৎস্য গবেষণা কেন্দ্রসহ বিভিন্ন সংস্থার মোট ৫১ জন প্রতিনিধি অংশ নেন। কোস্ট ফাউন্ডেশনের সিনিয়র কোঅর্ডিনেটর জিয়াউল করিম চৌধুরীর সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে কর্মশালার কার্যক্রম শেষ হয়।

উপস্থিত বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সমুদ্রে জেলেদের জীবন রক্ষায় শুধু নীতি নির্ধারণ করলে চলবে না, প্রয়োগের ক্ষেত্রেও হতে হবে কঠোর। প্রযুক্তি ও সচেতনতা- দুই মেরুতে বাড়াতে হবে জোর। তবেই ঝুঁকি কমবে, বাঁচবে প্রাণ।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত