দেশের জ্বালানি তেলের চাহিদা মেটাতে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে মালয়েশিয়া থেকে আসা ৬৮ হাজার টন ডিজেল নিয়ে দুটি বিশাল জাহাজ এখন বাংলাদেশের জলসীমায়।
মঙ্গলবার
(১৪ এপ্রিল) রাতে জাহাজ দুটি
চট্টগ্রাম বন্দরের আলফা অ্যাংকরে পৌঁছানোর
কথা রয়েছে। আমদানি এই বিপুল পরিমাণ
জ্বালানি তেল দেশের বর্তমান
সংকট নিরসনে বড় ভূমিকা রাখবে
বলে আশা করা হচ্ছে।
বন্দরের
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মালয়েশিয়া থেকে আসা এই
জাহাজ দুটির নাম ‘এমটি লুসিয়া
সোলিস’ ও ‘এমটি টর্ম
দামিনি’। ডেনমার্কের পতাকাবাহী
ট্যাংকার ‘এমটি টর্ম দামিনি’
মালয়েশিয়ার জোহর বন্দর থেকে
এবং ইন্দোনেশিয়ান পতাকাবাহী ‘এমটি লুসিয়া সোলিস’
মালয়েশিয়ার তানজুং পেলেপাস বন্দর থেকে গত ৯
এপ্রিল বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছিল। বর্তমানে
জাহাজ দুটি কুতুবদিয়া চ্যানেল
অতিক্রম করে চট্টগ্রাম বন্দরের
পথে রয়েছে।
বিপিসির
একজন কর্মকর্তা এই আমদানির বিষয়টি
নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, এমটি
লুসিয়া সোলিস জাহাজটিতে মোট ৩৪ হাজার
৯৯১ টন ডিজেল রয়েছে।
জাহাজটি অ্যাংকরে পৌঁছানোর পর রাতেই তা
থেকে ৬ হাজার টন
ডিজেল ছোট লাইটার জাহাজে
করে পতেঙ্গার প্রধান ডিপোতে নিয়ে আসা হবে।
এরপর বুধবার জোয়ারের সময় জাহাজটিকে বন্দরের
ডলফিন জেটিতে ভিড়ানো হবে।
অন্যদিকে,
এমটি টর্ম দামিনি জাহাজে
রয়েছে ৩২ হাজার ৯৩৫
টন ডিজেল। এই জাহাজটি থেকেও
৭ হাজার টন তেল লাইটারিং
করার পর জেটিতে বার্থিং
দেওয়া হবে।
জ্বালানি
আমদানির বিষয়ে জাহাজ দুটির স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনসের ম্যানেজিং পার্টনার মো. নজরুল ইসলাম
বলেন, ‘ডিজেল নিয়ে আসা দুটি
জাহাজ রাত ১১টার মধ্যে
বন্দরের আলফা অ্যাংকরে আসবে।
জাহাজ দুটি থেকে কিছু
ডিজেল লাইটারিং করার পর জেটিতে
নেওয়া হবে।’
বিপিসির
নিয়মিত সরবরাহকারী সিঙ্গাপুরের ইউনিপেক এবং ইন্দোনেশিয়ার পিটি
বুমি সিয়াক পুসাকু এই ডিজেল সরবরাহ
করছে। এই বিশাল চালানটি
খালাস শুরু হলে দেশের
বাজারে জ্বালানি তেলের মজুত ও সরবরাহ
ব্যবস্থা আরও সুসংহত হবে
বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
দেশের জ্বালানি তেলের চাহিদা মেটাতে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে মালয়েশিয়া থেকে আসা ৬৮ হাজার টন ডিজেল নিয়ে দুটি বিশাল জাহাজ এখন বাংলাদেশের জলসীমায়।
মঙ্গলবার
(১৪ এপ্রিল) রাতে জাহাজ দুটি
চট্টগ্রাম বন্দরের আলফা অ্যাংকরে পৌঁছানোর
কথা রয়েছে। আমদানি এই বিপুল পরিমাণ
জ্বালানি তেল দেশের বর্তমান
সংকট নিরসনে বড় ভূমিকা রাখবে
বলে আশা করা হচ্ছে।
বন্দরের
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মালয়েশিয়া থেকে আসা এই
জাহাজ দুটির নাম ‘এমটি লুসিয়া
সোলিস’ ও ‘এমটি টর্ম
দামিনি’। ডেনমার্কের পতাকাবাহী
ট্যাংকার ‘এমটি টর্ম দামিনি’
মালয়েশিয়ার জোহর বন্দর থেকে
এবং ইন্দোনেশিয়ান পতাকাবাহী ‘এমটি লুসিয়া সোলিস’
মালয়েশিয়ার তানজুং পেলেপাস বন্দর থেকে গত ৯
এপ্রিল বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছিল। বর্তমানে
জাহাজ দুটি কুতুবদিয়া চ্যানেল
অতিক্রম করে চট্টগ্রাম বন্দরের
পথে রয়েছে।
বিপিসির
একজন কর্মকর্তা এই আমদানির বিষয়টি
নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, এমটি
লুসিয়া সোলিস জাহাজটিতে মোট ৩৪ হাজার
৯৯১ টন ডিজেল রয়েছে।
জাহাজটি অ্যাংকরে পৌঁছানোর পর রাতেই তা
থেকে ৬ হাজার টন
ডিজেল ছোট লাইটার জাহাজে
করে পতেঙ্গার প্রধান ডিপোতে নিয়ে আসা হবে।
এরপর বুধবার জোয়ারের সময় জাহাজটিকে বন্দরের
ডলফিন জেটিতে ভিড়ানো হবে।
অন্যদিকে,
এমটি টর্ম দামিনি জাহাজে
রয়েছে ৩২ হাজার ৯৩৫
টন ডিজেল। এই জাহাজটি থেকেও
৭ হাজার টন তেল লাইটারিং
করার পর জেটিতে বার্থিং
দেওয়া হবে।
জ্বালানি
আমদানির বিষয়ে জাহাজ দুটির স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনসের ম্যানেজিং পার্টনার মো. নজরুল ইসলাম
বলেন, ‘ডিজেল নিয়ে আসা দুটি
জাহাজ রাত ১১টার মধ্যে
বন্দরের আলফা অ্যাংকরে আসবে।
জাহাজ দুটি থেকে কিছু
ডিজেল লাইটারিং করার পর জেটিতে
নেওয়া হবে।’
বিপিসির
নিয়মিত সরবরাহকারী সিঙ্গাপুরের ইউনিপেক এবং ইন্দোনেশিয়ার পিটি
বুমি সিয়াক পুসাকু এই ডিজেল সরবরাহ
করছে। এই বিশাল চালানটি
খালাস শুরু হলে দেশের
বাজারে জ্বালানি তেলের মজুত ও সরবরাহ
ব্যবস্থা আরও সুসংহত হবে
বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন