দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের ২৫-৩০ শতাংশ সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়ে যায়| জাতীয় সংসদে এই তথ্য জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী| পেঁয়াজের এই অপচয়ে লোকসান গুনতে হয় কৃষককে| দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বিষয়টি সুখকর নয়|
সংশ্লিষ্টদের দাবি, দেশে চাহিদা অনুযায়ী পেঁয়াজ উৎপাদন হলেও সংরক্ষণের অভাবে প্রতি মৌসুমে লাখ লাখ টন পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যায়| সংকটটা তৈরি হয় এখানেই| তখন প্রতিবেশী ভারতসহ অন্য দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়| এতে দেশের কৃষকরাই ক্ষতিগ্রস্ত হন বেশি| চাপ পড়ে ভোক্তার ওপরও|
এই অবস্থা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে| তাই পেঁয়াজ সংরক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি হয়ে পড়েছে| দেশে প্রয়োজন অনুযায়ী যথেষ্ট সংরক্ষণাগার থাকলে কৃষকরা সহজেই দীর্ঘসময় ধরে আরও বেশি পেঁয়াজ সংরক্ষণ করতে পারতেন| এরা ইতিবাচক পড়ত বাজারে, পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল থাকতো| এতে কৃষক যেমন লাভবান হতো, ভোক্তাও উপকৃত হতো| পেঁয়াজ আমদানির প্রয়োজন না হলে বাঁচত দেশের টাকা|
কৃষিমন্ত্রী সংসদে জানিয়েছেন, রাজবাড়ীসহ পেঁয়াজ উৎপাদনশীল এলাকায় এয়ার-ফ্লো মেশিন স্থাপনের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে| ইতোমধ্যে পাংশা, বালিয়াকান্দি ও কালুখালি উপজেলায় কয়েকশ মেশিন বিতরণ করা হয়েছে| প্রকল্প অনুমোদন হলে মোট আট হাজার মেশিন স্থাপন করা হবে| এ পদ্ধতিতে অপচয় মাত্র দুই থেকে চার শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব| পেঁয়াজ আট-নয় মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়|
পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন সম্ভব| এজন্য অপচয় কমানোই মূল চাবিকাঠি| সরকার যে বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরেছে সেটা স্বস্তির বিষয়| অপচয় কমানোর উদ্যোগও নেয়া হয়েছে| এই উদ্যোগ প্রশংসাযোগ্য| তবে সুষ্ঠুভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে| কৃষক পর্যায়ে মেশিন সরবরাহ, প্রশিক্ষণ এবং রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা দরকার| শুধু মেশিন দিলেই হবে না, সেগুলো যাতে সঠিকভাবে ব্যবহার হয়, কাঙ্ক্ষিত ফল আসে, সেদিকে নজর দিতে হবে|

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের ২৫-৩০ শতাংশ সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়ে যায়| জাতীয় সংসদে এই তথ্য জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী| পেঁয়াজের এই অপচয়ে লোকসান গুনতে হয় কৃষককে| দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বিষয়টি সুখকর নয়|
সংশ্লিষ্টদের দাবি, দেশে চাহিদা অনুযায়ী পেঁয়াজ উৎপাদন হলেও সংরক্ষণের অভাবে প্রতি মৌসুমে লাখ লাখ টন পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যায়| সংকটটা তৈরি হয় এখানেই| তখন প্রতিবেশী ভারতসহ অন্য দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়| এতে দেশের কৃষকরাই ক্ষতিগ্রস্ত হন বেশি| চাপ পড়ে ভোক্তার ওপরও|
এই অবস্থা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে| তাই পেঁয়াজ সংরক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি হয়ে পড়েছে| দেশে প্রয়োজন অনুযায়ী যথেষ্ট সংরক্ষণাগার থাকলে কৃষকরা সহজেই দীর্ঘসময় ধরে আরও বেশি পেঁয়াজ সংরক্ষণ করতে পারতেন| এরা ইতিবাচক পড়ত বাজারে, পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল থাকতো| এতে কৃষক যেমন লাভবান হতো, ভোক্তাও উপকৃত হতো| পেঁয়াজ আমদানির প্রয়োজন না হলে বাঁচত দেশের টাকা|
কৃষিমন্ত্রী সংসদে জানিয়েছেন, রাজবাড়ীসহ পেঁয়াজ উৎপাদনশীল এলাকায় এয়ার-ফ্লো মেশিন স্থাপনের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে| ইতোমধ্যে পাংশা, বালিয়াকান্দি ও কালুখালি উপজেলায় কয়েকশ মেশিন বিতরণ করা হয়েছে| প্রকল্প অনুমোদন হলে মোট আট হাজার মেশিন স্থাপন করা হবে| এ পদ্ধতিতে অপচয় মাত্র দুই থেকে চার শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব| পেঁয়াজ আট-নয় মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়|
পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন সম্ভব| এজন্য অপচয় কমানোই মূল চাবিকাঠি| সরকার যে বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরেছে সেটা স্বস্তির বিষয়| অপচয় কমানোর উদ্যোগও নেয়া হয়েছে| এই উদ্যোগ প্রশংসাযোগ্য| তবে সুষ্ঠুভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে| কৃষক পর্যায়ে মেশিন সরবরাহ, প্রশিক্ষণ এবং রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা দরকার| শুধু মেশিন দিলেই হবে না, সেগুলো যাতে সঠিকভাবে ব্যবহার হয়, কাঙ্ক্ষিত ফল আসে, সেদিকে নজর দিতে হবে|

আপনার মতামত লিখুন