পটুয়াখালীর চার উপজেলায় সাতটি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে চার বছর আগে| এসব কেন্দ্রে আধুনিক ভবন, অপারেশন থিয়েটার, শয্যা ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সবই আছে| সমস্যা হচ্ছে, জনবলের অভাবে এখনও কোনো কেন্দ্র চালু করা সম্ভব হয়নি| যে কারণে ৩২ কোটি ১৪ লাখ টাকার বড় বিনিয়োগ অলস পড়ে আছে| এ নিয়ে সংবাদে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে|
জানা গেছে, ২০১৮ সাল থেকে ২০২২ সালের মধ্যে এসব কেন্দ্র পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে| প্রতিটি কেন্দ্রে দু’জন মেডিকেল অফিসারসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও সহায়ক কর্মী নিয়োগ করার কথা| বাস্তবে জনবল বরাদ্দ না হওয়ায় মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে সেবা কার্যক্রম শুরু করা যায়নি| অনেক জায়গায় ভবন তালাবদ্ধ রয়েছে| এতেকরে যন্ত্রপাতি অকেজো হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে|
স্থানীয়রা বলছেন, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রগুলো চালু হলে তারা সহজে মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা পেতেন| বর্তমানে তাদেরকে এই সেবা পেতে ১০ কিলোমিটার বা তারও বেশি দূরের পটুয়াখালী শহরে যেতে হয়| যদি এই কেন্দ্রগুলো সচল হতো তাহলে উপজেলা ও জেলা হাসপাতালের ওপর চাপও কমতো|
তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে| শুধু ভবন ও যন্ত্রপাতি নির্মাণ করলেই চলে না| মানুষের সেবা নিশ্চিত করতে জনবল নিয়োগ করাও জরুরি| পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাও স্বীকার করেছেন যে, জনবল বরাদ্দ না হওয়ায় কেন্দ্রগুলো চালু করা যাচ্ছে না|
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত জনবল নিয়োগ করে এসব কেন্দ্র চালু করা উচিত| এতে তৃণমূলের মানুষ স্বাস্থ্যসেবার সুফল পাবেন| মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্যসেবা তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেয়া রাষ্ট্রের একটি মৌলিক দায়িত্ব|

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
পটুয়াখালীর চার উপজেলায় সাতটি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে চার বছর আগে| এসব কেন্দ্রে আধুনিক ভবন, অপারেশন থিয়েটার, শয্যা ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সবই আছে| সমস্যা হচ্ছে, জনবলের অভাবে এখনও কোনো কেন্দ্র চালু করা সম্ভব হয়নি| যে কারণে ৩২ কোটি ১৪ লাখ টাকার বড় বিনিয়োগ অলস পড়ে আছে| এ নিয়ে সংবাদে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে|
জানা গেছে, ২০১৮ সাল থেকে ২০২২ সালের মধ্যে এসব কেন্দ্র পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে| প্রতিটি কেন্দ্রে দু’জন মেডিকেল অফিসারসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও সহায়ক কর্মী নিয়োগ করার কথা| বাস্তবে জনবল বরাদ্দ না হওয়ায় মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে সেবা কার্যক্রম শুরু করা যায়নি| অনেক জায়গায় ভবন তালাবদ্ধ রয়েছে| এতেকরে যন্ত্রপাতি অকেজো হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে|
স্থানীয়রা বলছেন, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রগুলো চালু হলে তারা সহজে মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা পেতেন| বর্তমানে তাদেরকে এই সেবা পেতে ১০ কিলোমিটার বা তারও বেশি দূরের পটুয়াখালী শহরে যেতে হয়| যদি এই কেন্দ্রগুলো সচল হতো তাহলে উপজেলা ও জেলা হাসপাতালের ওপর চাপও কমতো|
তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে| শুধু ভবন ও যন্ত্রপাতি নির্মাণ করলেই চলে না| মানুষের সেবা নিশ্চিত করতে জনবল নিয়োগ করাও জরুরি| পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাও স্বীকার করেছেন যে, জনবল বরাদ্দ না হওয়ায় কেন্দ্রগুলো চালু করা যাচ্ছে না|
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত জনবল নিয়োগ করে এসব কেন্দ্র চালু করা উচিত| এতে তৃণমূলের মানুষ স্বাস্থ্যসেবার সুফল পাবেন| মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্যসেবা তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেয়া রাষ্ট্রের একটি মৌলিক দায়িত্ব|

আপনার মতামত লিখুন