প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, সরকার সারাদেশে মোট ৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে কেবল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং এর অধীনস্থ দপ্তর ও সংস্থাগুলোতে শূন্য পদের বিপরীতে ২ হাজার ৮৭৯ জন লোক নিয়োগের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।
বুধবার
জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে নির্ধারিত প্রশ্নোত্তরে লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী এই আশাপ্রদান করেন।
সরকারি চাকরিতে বিপুল সংখ্যক এই নিয়োগের সিদ্ধান্তের
ফলে শিক্ষিত বেকারদের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে বলে
মনে করা হচ্ছে।
নিয়োগ
প্রক্রিয়ার পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মের শারীরিক
ও মানসিক বিকাশে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন
প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, দেশের
শহর ও গ্রামাঞ্চলে পর্যাপ্ত
খেলার মাঠ নিশ্চিত করতে
এবং অবকাঠামো উন্নয়নে একটি কেন্দ্রীয় কমিটি
কাজ করছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি ইউনিয়নে ৮ বিঘা এবং
প্রতিটি উপজেলায় ১০ বিঘা জমিতে
উন্মুক্ত খেলার মাঠ তৈরি করা
হবে।
এছাড়া
দেশের প্রযুক্তি খাতকে বিশ্বমানের পর্যায়ে নিয়ে যেতে এবং
হাইটেক পার্ক ও আইসিটি সেন্টারগুলোকে
আরও গতিশীল করতে কার্যকর পদক্ষেপ
নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশে পেপালের কার্যক্রম শুরু করতে কার্যকর
উদ্যোগ গ্রহণের লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি
গঠন করা হয়েছে।” এর
ফলে ফ্রিল্যান্সার ও প্রযুক্তি খাতের
উদ্যোক্তাদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হতে
যাচ্ছে।
ক্রীড়াবিদদের
কল্যাণে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান জানান, নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী জাতীয় ক্রীড়াবিদদের জন্য বিশেষ ক্রীড়া
ভাতা চালু করা হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে
এই ভাতার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
করা হয়েছে, যার মধ্যে প্রথম
ধাপে ১২৯ জনকে ইতিমধ্যে
ভাতা প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়া
বিদেশে উচ্চশিক্ষা ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর দিয়ে
তিনি বলেন, “ল্যাংগুয়েজ স্টুডেন্ট ভিসায় বিদ্যমান জামানতবিহীন ঋণসীমা ৩ লাখ টাকা
থেকে বৃদ্ধি করে ১০ লাখ
টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। বিশেষ
করে জাপানগামী শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসাপ্রাপ্তির আগেই
সার্টিফিকেট অব ইলিজিবেলিটির ভিত্তিতে
এই ঋণ প্রাপ্তি আরও
সহজ করা হয়েছে।”

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, সরকার সারাদেশে মোট ৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে কেবল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং এর অধীনস্থ দপ্তর ও সংস্থাগুলোতে শূন্য পদের বিপরীতে ২ হাজার ৮৭৯ জন লোক নিয়োগের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।
বুধবার
জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে নির্ধারিত প্রশ্নোত্তরে লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী এই আশাপ্রদান করেন।
সরকারি চাকরিতে বিপুল সংখ্যক এই নিয়োগের সিদ্ধান্তের
ফলে শিক্ষিত বেকারদের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে বলে
মনে করা হচ্ছে।
নিয়োগ
প্রক্রিয়ার পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মের শারীরিক
ও মানসিক বিকাশে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন
প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, দেশের
শহর ও গ্রামাঞ্চলে পর্যাপ্ত
খেলার মাঠ নিশ্চিত করতে
এবং অবকাঠামো উন্নয়নে একটি কেন্দ্রীয় কমিটি
কাজ করছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি ইউনিয়নে ৮ বিঘা এবং
প্রতিটি উপজেলায় ১০ বিঘা জমিতে
উন্মুক্ত খেলার মাঠ তৈরি করা
হবে।
এছাড়া
দেশের প্রযুক্তি খাতকে বিশ্বমানের পর্যায়ে নিয়ে যেতে এবং
হাইটেক পার্ক ও আইসিটি সেন্টারগুলোকে
আরও গতিশীল করতে কার্যকর পদক্ষেপ
নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশে পেপালের কার্যক্রম শুরু করতে কার্যকর
উদ্যোগ গ্রহণের লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি
গঠন করা হয়েছে।” এর
ফলে ফ্রিল্যান্সার ও প্রযুক্তি খাতের
উদ্যোক্তাদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হতে
যাচ্ছে।
ক্রীড়াবিদদের
কল্যাণে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান জানান, নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী জাতীয় ক্রীড়াবিদদের জন্য বিশেষ ক্রীড়া
ভাতা চালু করা হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে
এই ভাতার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
করা হয়েছে, যার মধ্যে প্রথম
ধাপে ১২৯ জনকে ইতিমধ্যে
ভাতা প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়া
বিদেশে উচ্চশিক্ষা ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর দিয়ে
তিনি বলেন, “ল্যাংগুয়েজ স্টুডেন্ট ভিসায় বিদ্যমান জামানতবিহীন ঋণসীমা ৩ লাখ টাকা
থেকে বৃদ্ধি করে ১০ লাখ
টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। বিশেষ
করে জাপানগামী শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসাপ্রাপ্তির আগেই
সার্টিফিকেট অব ইলিজিবেলিটির ভিত্তিতে
এই ঋণ প্রাপ্তি আরও
সহজ করা হয়েছে।”

আপনার মতামত লিখুন