দেশের লক্ষ লক্ষ বেকার যুবক-যুবতীর জন্য বড় সুখবর দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকার পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৪তম দিনের প্রশ্নোত্তরে পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে শুধু জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং অধীন দফতর ও সংস্থাগুলোতে শূন্য পদের বিপরীতে ২ হাজার ৮৭৯ জন লোক নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৪তম দিনে বুধবার সকালের সেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
নিয়োগের পাশাপাশি নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতির কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত কার্যক্রমগুলো বাস্তবায়নে সব মন্ত্রণালয় বা বিভাগ আগামী ১৮০ দিনের কর্মসূচির আলোকে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। তিনি বলেন, ‘এগুলো বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।’
দেশে বেকারত্ব একটি গুরুতর সমস্যা। প্রতি বছর লক্ষাধিক তরুণ-তরুণী উচ্চশিক্ষা শেষেও চাকরির অভাবে হতাশায় ভোগেন। পাঁচ লাখ সরকারি চাকরির এই বড় ঘোষণা বেকারদের জন্য আশার আলো দেখিয়েছে।
সরকারি চাকরির জন্য প্রতিযোগিতা অনেক বেশি হলেও এত বড় সংখ্যক নিয়োগ বেকারদের জন্য ইতিবাচক সংকেত দেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
দেশের লক্ষ লক্ষ বেকার যুবক-যুবতীর জন্য বড় সুখবর দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকার পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৪তম দিনের প্রশ্নোত্তরে পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে শুধু জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং অধীন দফতর ও সংস্থাগুলোতে শূন্য পদের বিপরীতে ২ হাজার ৮৭৯ জন লোক নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৪তম দিনে বুধবার সকালের সেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
নিয়োগের পাশাপাশি নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতির কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত কার্যক্রমগুলো বাস্তবায়নে সব মন্ত্রণালয় বা বিভাগ আগামী ১৮০ দিনের কর্মসূচির আলোকে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। তিনি বলেন, ‘এগুলো বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।’
দেশে বেকারত্ব একটি গুরুতর সমস্যা। প্রতি বছর লক্ষাধিক তরুণ-তরুণী উচ্চশিক্ষা শেষেও চাকরির অভাবে হতাশায় ভোগেন। পাঁচ লাখ সরকারি চাকরির এই বড় ঘোষণা বেকারদের জন্য আশার আলো দেখিয়েছে।
সরকারি চাকরির জন্য প্রতিযোগিতা অনেক বেশি হলেও এত বড় সংখ্যক নিয়োগ বেকারদের জন্য ইতিবাচক সংকেত দেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন