সংবাদ

গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার প্রশ্নে আপস করেননি বেগম জিয়া


প্রকাশ: ১২ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৯ পিএম

গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার প্রশ্নে আপস করেননি বেগম জিয়া

বাংলাদেশের ৫৪ বছরের ইতিহাসে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা অবদানের কথা স্মরণ করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বক্তব্য রাখার সময় তিনি বলেন, বিগত ৪৩ বছর ধরে বেগম জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে অত্যন্ত দাপটের সঙ্গে বিচরণ করছেন। এই দীর্ঘ সময়ে তিনি তিনবার প্রধানমন্ত্রী এবং দুইবার বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্ব পালন করেছেন, যা দেশের ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত।

ঠাকুরগাঁও- আসনের সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বেগম খালেদা জিয়া তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে গণতন্ত্র স্বাধীনতার প্রশ্নে কখনো কোনো আপস করেননি। বিশেষ করে দেশের সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা এবং নারীদের উন্নয়নে তার নেওয়া পদক্ষেপগুলো যুগান্তকারী হিসেবে বিবেচিত।

এ ছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার প্রসারে তার ভূমিকা অপরিসীম। কৃষকদের ঋণ মওকুফ এবং দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে ভ্যাট ব্যবস্থা চালুর কৃতিত্বও তাকে দেন তিনি।

বক্তব্যের শুরুতে মির্জা ফখরুল গণতান্ত্রিক সংগ্রাম ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট শাসনামলে তাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল, কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা সফল হতে পারেনি।

দীর্ঘ কারাবাস বাধা কাটিয়ে গণঅভ্যুত্থানের পর মুক্ত হয়ে বেগম জিয়া প্রতিহিংসার বদলে ভালোবাসার মাধ্যমে একটি কল্যাণকর বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন, যা তার মহানুভবতার পরিচয় দেয়।

বক্তব্য শেষে প্রখ্যাত কবি আল মাহমুদের একটি কবিতার কয়েক ছত্র আবৃত্তি করে বেগম জিয়ার প্রতি সম্মান জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬


গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার প্রশ্নে আপস করেননি বেগম জিয়া

প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের ৫৪ বছরের ইতিহাসে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা অবদানের কথা স্মরণ করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বক্তব্য রাখার সময় তিনি বলেন, বিগত ৪৩ বছর ধরে বেগম জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে অত্যন্ত দাপটের সঙ্গে বিচরণ করছেন। এই দীর্ঘ সময়ে তিনি তিনবার প্রধানমন্ত্রী এবং দুইবার বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্ব পালন করেছেন, যা দেশের ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত।

ঠাকুরগাঁও- আসনের সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বেগম খালেদা জিয়া তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে গণতন্ত্র স্বাধীনতার প্রশ্নে কখনো কোনো আপস করেননি। বিশেষ করে দেশের সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা এবং নারীদের উন্নয়নে তার নেওয়া পদক্ষেপগুলো যুগান্তকারী হিসেবে বিবেচিত।

এ ছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার প্রসারে তার ভূমিকা অপরিসীম। কৃষকদের ঋণ মওকুফ এবং দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে ভ্যাট ব্যবস্থা চালুর কৃতিত্বও তাকে দেন তিনি।

বক্তব্যের শুরুতে মির্জা ফখরুল গণতান্ত্রিক সংগ্রাম ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট শাসনামলে তাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল, কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা সফল হতে পারেনি।

দীর্ঘ কারাবাস বাধা কাটিয়ে গণঅভ্যুত্থানের পর মুক্ত হয়ে বেগম জিয়া প্রতিহিংসার বদলে ভালোবাসার মাধ্যমে একটি কল্যাণকর বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন, যা তার মহানুভবতার পরিচয় দেয়।

বক্তব্য শেষে প্রখ্যাত কবি আল মাহমুদের একটি কবিতার কয়েক ছত্র আবৃত্তি করে বেগম জিয়ার প্রতি সম্মান জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত