সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সংগঠক বোরহান মাহমুদ। তিনি গত ২৩ এপ্রিলের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, "গত ২৩ এপ্রিল শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের সময় ডাকসুর সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মুসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদসহ ডাকসু নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়। পরবর্তীতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সাধারণ শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের ওপরও সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনা ঘটে, যাতে বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।"
তিনি এই হামলাকে নজিরবিহীন উল্লেখ করে দাবি করেন যে, এমনকি থানার ভেতরে ঢুকেও হামলার ঘটনা ঘটেছে।
সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদলের নির্দিষ্ট কয়েকজন নেতার নাম প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন রিয়াজুল ইসলাম জুবাহ। তিনি প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, "হামলায় জড়িতদের পরিচয় স্পষ্ট হওয়া সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। প্রশাসনের এই রহস্যজনক নীরবতা বা নিরপেক্ষতা নিয়ে আমরা সন্দিহান।" তিনি অবিলম্বে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে ভিন্নমতের ওপর ধারাবাহিকভাবে দমন-পীড়ন চালানো হচ্ছে। ফাহিম ফারুকী তার বক্তব্যে বলেন, "শিক্ষাঙ্গন ও রাজপথে এই ধরনের সহিংসতা গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য চরম উদ্বেগজনক। আমরা অবিলম্বে এই হামলার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি, অন্যথায় শিক্ষার্থীরা রাজপথে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।"
নেতারা হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে জুলাই ঐক্যের সংগঠক ফাহিম ফারুকী, বোরহান মাহমুদ ও রিয়াজুল ইসলাম জুবাহসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সংগঠক বোরহান মাহমুদ। তিনি গত ২৩ এপ্রিলের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, "গত ২৩ এপ্রিল শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের সময় ডাকসুর সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মুসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদসহ ডাকসু নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়। পরবর্তীতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সাধারণ শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের ওপরও সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনা ঘটে, যাতে বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।"
তিনি এই হামলাকে নজিরবিহীন উল্লেখ করে দাবি করেন যে, এমনকি থানার ভেতরে ঢুকেও হামলার ঘটনা ঘটেছে।
সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদলের নির্দিষ্ট কয়েকজন নেতার নাম প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন রিয়াজুল ইসলাম জুবাহ। তিনি প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, "হামলায় জড়িতদের পরিচয় স্পষ্ট হওয়া সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। প্রশাসনের এই রহস্যজনক নীরবতা বা নিরপেক্ষতা নিয়ে আমরা সন্দিহান।" তিনি অবিলম্বে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে ভিন্নমতের ওপর ধারাবাহিকভাবে দমন-পীড়ন চালানো হচ্ছে। ফাহিম ফারুকী তার বক্তব্যে বলেন, "শিক্ষাঙ্গন ও রাজপথে এই ধরনের সহিংসতা গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য চরম উদ্বেগজনক। আমরা অবিলম্বে এই হামলার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি, অন্যথায় শিক্ষার্থীরা রাজপথে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।"
নেতারা হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে জুলাই ঐক্যের সংগঠক ফাহিম ফারুকী, বোরহান মাহমুদ ও রিয়াজুল ইসলাম জুবাহসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন