ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী ডা. মাহমুদা আলম মিতুর নামে কোনো জমি, বাড়ি বা গাড়ি নেই।
চিকিৎসা পেশা থেকে তার বার্ষিক আয় মাত্র ৩ লাখ টাকা। যা মাসিক হিসেবে দাঁড়ায় ২৫ হাজার টাকা।
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া হলফনামায় এই তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।
হলফনামা অনুযায়ী, মিতুর নামে কোনো স্থাবর সম্পত্তি নেই। তার প্রধান সম্পদ হলো— নগদ অর্থ ২৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা। স্বর্ণ রয়েছে ৩০ ভরি। অর্থাৎ ব্যাংক ব্যালান্স ও গয়নার বাইরে তার আর তেমন কিছুই নেই। বাড়ি নেই, জমি নেই, গাড়িও নেই।
হলফনামায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মিতুর স্বামীও একজন চিকিৎসক। তিনিও স্থাবর কোনো সম্পদের মালিক নন। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই মূলত পেশাগত আয় ও নগদ অর্থের ওপর নির্ভরশীল।
মাহমুদা আলম মিতা এনসিপির একজন শীর্ষ নেত্রী। তিনি দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এ ছাড়া ইতিমধ্যে ঝালকাঠি-১ আসন থেকে সরাসরি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিলেও পরে রাজনৈতিক সমঝোতার কারণে আসনটি ছেড়ে দেন। বর্তমানে তিনি সংরক্ষিত নারী আসনে দলের প্রার্থী।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী ডা. মাহমুদা আলম মিতুর নামে কোনো জমি, বাড়ি বা গাড়ি নেই।
চিকিৎসা পেশা থেকে তার বার্ষিক আয় মাত্র ৩ লাখ টাকা। যা মাসিক হিসেবে দাঁড়ায় ২৫ হাজার টাকা।
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া হলফনামায় এই তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।
হলফনামা অনুযায়ী, মিতুর নামে কোনো স্থাবর সম্পত্তি নেই। তার প্রধান সম্পদ হলো— নগদ অর্থ ২৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা। স্বর্ণ রয়েছে ৩০ ভরি। অর্থাৎ ব্যাংক ব্যালান্স ও গয়নার বাইরে তার আর তেমন কিছুই নেই। বাড়ি নেই, জমি নেই, গাড়িও নেই।
হলফনামায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মিতুর স্বামীও একজন চিকিৎসক। তিনিও স্থাবর কোনো সম্পদের মালিক নন। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই মূলত পেশাগত আয় ও নগদ অর্থের ওপর নির্ভরশীল।
মাহমুদা আলম মিতা এনসিপির একজন শীর্ষ নেত্রী। তিনি দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এ ছাড়া ইতিমধ্যে ঝালকাঠি-১ আসন থেকে সরাসরি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিলেও পরে রাজনৈতিক সমঝোতার কারণে আসনটি ছেড়ে দেন। বর্তমানে তিনি সংরক্ষিত নারী আসনে দলের প্রার্থী।

আপনার মতামত লিখুন