একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে সারা দেশে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিশেষ করে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপাকে প্রকাশ্যে কটাক্ষ ও অপমান করা সেই নেত্রীই শেষ পর্যন্ত দলের চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ রাজনৈতিক অঙ্গনে বইছে সমালোচনার ঝড়। অনেকেই এই ঘটনাকে গুণী শিল্পীর অপমানের বিপরীতে ‘পুরস্কার’ হিসেবে দেখছেন।
ঘটনার
সূত্রপাত হয় বিএনপির কেন্দ্রীয়
কার্যালয়ে যখন কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা
দলের হয়ে মনোনয়ন ফরম
সংগ্রহ করতে যান। সেই
সময় বগুড়া জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহিলা দলের
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুরাইয়া জেরিন রনি উপস্থিত সবার
সামনে কনকচাঁপাকে লক্ষ্য করে আক্রমণাত্মক মন্তব্য
করেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন,
‘এতদিন কোথায় ছিলেন, বিএনপিতে তার অবদান কী?’
একজন জনপ্রিয় শিল্পীর প্রতি এমন অসৌজন্যমূলক আচরণ
ও কটাক্ষ সেই সময় দলের
নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল।
সেই
ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে
দলের ভেতরেও অস্বস্তি তৈরি হয়। পরিস্থিতি
সামাল দিতে বিএনপির সিনিয়র
যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী তখন
জানিয়েছিলেন, বিষয়টি তারা অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে
দেখছেন এবং এ ব্যাপারে
প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। দলের
শীর্ষ পর্যায় থেকে এমন আশ্বাসের
পর অনেকেই ভেবেছিলেন অসংলগ্ন আচরণের জন্য হয়তো সেই
নেত্রীকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।
তবে
সোমবার সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত
তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায়
সম্পূর্ণ উল্টো চিত্র। সবাইকে অবাক করে দিয়ে
সেই বিতর্কিত নেত্রী সুরাইয়া জেরিন রনিই বাগিয়ে নিয়েছেন
বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন।
অন্যদিকে
কনকচাঁপাসহ শোবিজ অঙ্গনের আরও কয়েকজন তারকা
মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও
শেষ পর্যন্ত তারা তালিকায় স্থান
পাননি। এতে করে ত্যাগী
নেতাকর্মী ও শিল্পীদের মনে
এক ধরণের হতাশা তৈরি হয়েছে।
বিষয়টি
নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে
আলোচনা শুরু হয়েছে, দলের
প্রতি দীর্ঘদিনের ত্যাগ আর জনপ্রিয়তাকে মূল্যায়ন
না করে কেন এমন
বিতর্কিত একজনকে বেছে নেওয়া হলো।
সামাজিক মাধ্যমেও অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, একজন গুণী শিল্পীকে
অপমান করাই কি তবে
যোগ্যতার মাপকাঠি হলো?

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে সারা দেশে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিশেষ করে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপাকে প্রকাশ্যে কটাক্ষ ও অপমান করা সেই নেত্রীই শেষ পর্যন্ত দলের চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ রাজনৈতিক অঙ্গনে বইছে সমালোচনার ঝড়। অনেকেই এই ঘটনাকে গুণী শিল্পীর অপমানের বিপরীতে ‘পুরস্কার’ হিসেবে দেখছেন।
ঘটনার
সূত্রপাত হয় বিএনপির কেন্দ্রীয়
কার্যালয়ে যখন কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা
দলের হয়ে মনোনয়ন ফরম
সংগ্রহ করতে যান। সেই
সময় বগুড়া জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহিলা দলের
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুরাইয়া জেরিন রনি উপস্থিত সবার
সামনে কনকচাঁপাকে লক্ষ্য করে আক্রমণাত্মক মন্তব্য
করেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন,
‘এতদিন কোথায় ছিলেন, বিএনপিতে তার অবদান কী?’
একজন জনপ্রিয় শিল্পীর প্রতি এমন অসৌজন্যমূলক আচরণ
ও কটাক্ষ সেই সময় দলের
নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল।
সেই
ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে
দলের ভেতরেও অস্বস্তি তৈরি হয়। পরিস্থিতি
সামাল দিতে বিএনপির সিনিয়র
যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী তখন
জানিয়েছিলেন, বিষয়টি তারা অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে
দেখছেন এবং এ ব্যাপারে
প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। দলের
শীর্ষ পর্যায় থেকে এমন আশ্বাসের
পর অনেকেই ভেবেছিলেন অসংলগ্ন আচরণের জন্য হয়তো সেই
নেত্রীকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।
তবে
সোমবার সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত
তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায়
সম্পূর্ণ উল্টো চিত্র। সবাইকে অবাক করে দিয়ে
সেই বিতর্কিত নেত্রী সুরাইয়া জেরিন রনিই বাগিয়ে নিয়েছেন
বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন।
অন্যদিকে
কনকচাঁপাসহ শোবিজ অঙ্গনের আরও কয়েকজন তারকা
মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও
শেষ পর্যন্ত তারা তালিকায় স্থান
পাননি। এতে করে ত্যাগী
নেতাকর্মী ও শিল্পীদের মনে
এক ধরণের হতাশা তৈরি হয়েছে।
বিষয়টি
নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে
আলোচনা শুরু হয়েছে, দলের
প্রতি দীর্ঘদিনের ত্যাগ আর জনপ্রিয়তাকে মূল্যায়ন
না করে কেন এমন
বিতর্কিত একজনকে বেছে নেওয়া হলো।
সামাজিক মাধ্যমেও অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, একজন গুণী শিল্পীকে
অপমান করাই কি তবে
যোগ্যতার মাপকাঠি হলো?

আপনার মতামত লিখুন