সংবাদ

জাহাজ জব্দ: যুক্তরাষ্ট্রের ‘অবৈধ ও বর্বর’ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে ইরানের নালিশ


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩১ এএম

জাহাজ জব্দ: যুক্তরাষ্ট্রের ‘অবৈধ ও বর্বর’ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে ইরানের নালিশ

ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজ ‘তুসকা’ (Tuska) জব্দ করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। এই ঘটনাকে ‘অবৈধ ও বর্বরোচিত’ আখ্যা দিয়ে জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (IMO) কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দিয়েছে ইরান।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন এবং বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির চরম লঙ্ঘন। তেহরান এই কর্মকাণ্ডকে দস্যুতার শামিল বলে উল্লেখ করেছে এবং জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে এর প্রতিকার চেয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়:

"যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের জন্য ভবিষ্যতে ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে। অবিলম্বে জাহাজটিসহ এর নাবিক ও ক্রু সদস্যদের মুক্তি দিতে হবে।"

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ (IRNA) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, জাহাজটি জব্দের সময় কেবল নাবিক বা ক্রু সদস্যরাই নন, বরং তাদের পরিবারের সদস্যদেরও নানাভাবে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। তেহরান বিষয়টিকে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যখন দ্বিতীয় দফা শান্তি আলোচনার তোড়জোড় চলছে এবং পাকিস্তান মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করছে, ঠিক সেই মুহূর্তে ‘তুসকা’ জাহাজ জব্দের এই ঘটনা দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে আবারও খাদের কিনারায় ঠেলে দিয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ঘটনা চলমান যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬


জাহাজ জব্দ: যুক্তরাষ্ট্রের ‘অবৈধ ও বর্বর’ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে ইরানের নালিশ

প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজ ‘তুসকা’ (Tuska) জব্দ করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। এই ঘটনাকে ‘অবৈধ ও বর্বরোচিত’ আখ্যা দিয়ে জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (IMO) কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দিয়েছে ইরান।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন এবং বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির চরম লঙ্ঘন। তেহরান এই কর্মকাণ্ডকে দস্যুতার শামিল বলে উল্লেখ করেছে এবং জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে এর প্রতিকার চেয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়:

"যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের জন্য ভবিষ্যতে ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে। অবিলম্বে জাহাজটিসহ এর নাবিক ও ক্রু সদস্যদের মুক্তি দিতে হবে।"

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ (IRNA) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, জাহাজটি জব্দের সময় কেবল নাবিক বা ক্রু সদস্যরাই নন, বরং তাদের পরিবারের সদস্যদেরও নানাভাবে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। তেহরান বিষয়টিকে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যখন দ্বিতীয় দফা শান্তি আলোচনার তোড়জোড় চলছে এবং পাকিস্তান মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করছে, ঠিক সেই মুহূর্তে ‘তুসকা’ জাহাজ জব্দের এই ঘটনা দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে আবারও খাদের কিনারায় ঠেলে দিয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ঘটনা চলমান যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত