এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সম্পূর্ণ ‘পরীক্ষার্থীবান্ধব’ হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। শিক্ষার্থীদের মন থেকে চিরতরে পরীক্ষাভীতি দূর করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।
সোমবার
সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের
সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে
তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী
অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়ে বলেন, সন্তানদের নিয়ে অকারণে আতঙ্কিত
না হয়ে এই সময়ে
তাদের পাশে থাকতে হবে।
কেন্দ্রগুলোতে যেন কোনোভাবেই শিক্ষার্থীরা
মানসিক চাপে না পড়ে,
সে জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে
প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ
সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন, এবারের পরীক্ষার্থীরা
করোনা পরিস্থিতির কারণে প্রাথমিক ও জুনিয়র বৃত্তি
পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পায়নি। ফলে এটিই তাদের
জীবনের প্রথম পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসের পাবলিক পরীক্ষা।
ড. এহছানুল হক মিলন বলেন,
"আমরা চাই পরীক্ষার্থীরা বিনা
টেনশনে হাসিমুখে পরীক্ষাকেন্দ্রে আসবে, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উত্তরপত্রে লিখবে এবং হাসিমুখে পরীক্ষাকেন্দ্র
ত্যাগ করবে।"
তিনি
আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারই এবারের প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করেছে। যদি প্রশ্নপত্রের কোনো
অংশে কোনো ধরনের দুর্বোধ্যতা
থাকে, তবে তা নিরসনে
প্রয়োজনীয় সহায়তা করা হবে।
শিক্ষার্থীদের
উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অহেতুক কঠোর না হওয়ার
ইঙ্গিত দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট করে
বলেন, উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অহেতুক কঠোরতা আমাদের লক্ষ্য নয়। কোনো পরীক্ষার্থী
যেন তার প্রাপ্য মূল্যায়ন
থেকে সামান্যতম বঞ্চিত না হয়, সেটা
অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।
সংবাদ
সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং মাধ্যমিক
ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দীন
আল মাহমুদ সোহেলসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। মূলত শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস
বাড়ানো এবং একটি সুন্দর
পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন করাই এখন শিক্ষা
মন্ত্রণালয়ের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সম্পূর্ণ ‘পরীক্ষার্থীবান্ধব’ হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। শিক্ষার্থীদের মন থেকে চিরতরে পরীক্ষাভীতি দূর করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।
সোমবার
সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের
সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে
তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী
অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়ে বলেন, সন্তানদের নিয়ে অকারণে আতঙ্কিত
না হয়ে এই সময়ে
তাদের পাশে থাকতে হবে।
কেন্দ্রগুলোতে যেন কোনোভাবেই শিক্ষার্থীরা
মানসিক চাপে না পড়ে,
সে জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে
প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ
সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন, এবারের পরীক্ষার্থীরা
করোনা পরিস্থিতির কারণে প্রাথমিক ও জুনিয়র বৃত্তি
পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পায়নি। ফলে এটিই তাদের
জীবনের প্রথম পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসের পাবলিক পরীক্ষা।
ড. এহছানুল হক মিলন বলেন,
"আমরা চাই পরীক্ষার্থীরা বিনা
টেনশনে হাসিমুখে পরীক্ষাকেন্দ্রে আসবে, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উত্তরপত্রে লিখবে এবং হাসিমুখে পরীক্ষাকেন্দ্র
ত্যাগ করবে।"
তিনি
আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারই এবারের প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করেছে। যদি প্রশ্নপত্রের কোনো
অংশে কোনো ধরনের দুর্বোধ্যতা
থাকে, তবে তা নিরসনে
প্রয়োজনীয় সহায়তা করা হবে।
শিক্ষার্থীদের
উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অহেতুক কঠোর না হওয়ার
ইঙ্গিত দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট করে
বলেন, উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অহেতুক কঠোরতা আমাদের লক্ষ্য নয়। কোনো পরীক্ষার্থী
যেন তার প্রাপ্য মূল্যায়ন
থেকে সামান্যতম বঞ্চিত না হয়, সেটা
অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।
সংবাদ
সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং মাধ্যমিক
ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দীন
আল মাহমুদ সোহেলসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। মূলত শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস
বাড়ানো এবং একটি সুন্দর
পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন করাই এখন শিক্ষা
মন্ত্রণালয়ের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

আপনার মতামত লিখুন