সংবাদ

বাংলাদেশের কৃষি ও প্রাণিসম্পদে কানাডার কারিগরি সহায়তা চান মন্ত্রী


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৮ পিএম

বাংলাদেশের কৃষি ও প্রাণিসম্পদে কানাডার কারিগরি সহায়তা চান মন্ত্রী

বাংলাদেশ কানাডার মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুসংহত করতে কৃষি প্রাণিসম্পদ খাতে দেশটির উন্নত কারিগরি সহযোগিতা চেয়েছে সরকার।

সোমবার সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তরে ঢাকায় নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিংয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে আগ্রহ প্রকাশ করেন কৃষি, মৎস্য প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

আলাপকালে মন্ত্রী দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের গভীরতা উল্লেখ করে বলেন, কানাডা বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু। বর্তমানে বাংলাদেশ কানাডা থেকে নিয়মিত সার আমদানি করছে। তবে আমাদের কৃষি প্রাণিসম্পদ খাতে এখন কারিগরি সহযোগিতা বিশেষজ্ঞ পরামর্শ প্রয়োজন। বিষয়ে কানাডার যে কোনো সহযোগিতাকে বাংলাদেশ আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাবে।

সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের অর্গানিক কৃষির সম্ভাবনা ভূ-প্রাকৃতিক উপযোগিতা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়। মন্ত্রী হাইকমিশনারকে জানান যে, বাংলাদেশের মাটি আবহাওয়া অত্যন্ত উন্নত গুণগত মানসম্পন্ন, যা বৈচিত্র্যময় কৃষির জন্য আদর্শ। সরকার বর্তমানে দেশের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলগুলোতে রপ্তানিমুখী কৃষি পণ্য উৎপাদনের বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। এই উদ্যোগকে সফল করতে বিদেশি বিনিয়োগ প্রযুক্তির সমন্বয় প্রয়োজন।

মন্ত্রী আরও বলেন, কানাডার বেসরকারি পর্যায়ের কোনো প্রতিষ্ঠান যদি বাংলাদেশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী হয়, তবে সরকার তাদের সব ধরনের প্রশাসনিক নীতিগত সহযোগিতা প্রদান করবে।

হাইকমিশনার অজিত সিং বাংলাদেশের কৃষিখাতের অগ্রগতির প্রশংসা করে বলেন, কানাডার একটি বিশাল অংশজুড়ে আধুনিক পদ্ধতিতে কৃষিপণ্য উৎপাদিত হয় এবং দেশটির কৃষি ব্যবস্থা অত্যন্ত সমৃদ্ধ। তিনি বাংলাদেশে তেলজাতীয় শস্য বিশেষ করে 'ক্যানোলা' রপ্তানিতে তার দেশের গভীর আগ্রহের কথা জানান।

হাইকমিশনার স্পষ্ট করেন, বাংলাদেশের কৃষির সঙ্গে কানাডার সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। কৃষি প্রযুক্তি স্থানান্তর, উন্নত গবেষণা, কারিগরি সহায়তা এবং বিশেষ করে পশু উৎপাদন পরিচর্যা সম্পর্কিত যে কোনো কারিগরি বিষয়ে তার দেশ সবসময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে প্রস্তুত রয়েছে। দুই দেশের এই পারস্পরিক সহযোগিতার ফলে বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা প্রাণিসম্পদ খাত আরও আধুনিক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬


বাংলাদেশের কৃষি ও প্রাণিসম্পদে কানাডার কারিগরি সহায়তা চান মন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশ কানাডার মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুসংহত করতে কৃষি প্রাণিসম্পদ খাতে দেশটির উন্নত কারিগরি সহযোগিতা চেয়েছে সরকার।

সোমবার সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তরে ঢাকায় নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিংয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে আগ্রহ প্রকাশ করেন কৃষি, মৎস্য প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

আলাপকালে মন্ত্রী দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের গভীরতা উল্লেখ করে বলেন, কানাডা বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু। বর্তমানে বাংলাদেশ কানাডা থেকে নিয়মিত সার আমদানি করছে। তবে আমাদের কৃষি প্রাণিসম্পদ খাতে এখন কারিগরি সহযোগিতা বিশেষজ্ঞ পরামর্শ প্রয়োজন। বিষয়ে কানাডার যে কোনো সহযোগিতাকে বাংলাদেশ আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাবে।

সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের অর্গানিক কৃষির সম্ভাবনা ভূ-প্রাকৃতিক উপযোগিতা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়। মন্ত্রী হাইকমিশনারকে জানান যে, বাংলাদেশের মাটি আবহাওয়া অত্যন্ত উন্নত গুণগত মানসম্পন্ন, যা বৈচিত্র্যময় কৃষির জন্য আদর্শ। সরকার বর্তমানে দেশের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলগুলোতে রপ্তানিমুখী কৃষি পণ্য উৎপাদনের বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। এই উদ্যোগকে সফল করতে বিদেশি বিনিয়োগ প্রযুক্তির সমন্বয় প্রয়োজন।

মন্ত্রী আরও বলেন, কানাডার বেসরকারি পর্যায়ের কোনো প্রতিষ্ঠান যদি বাংলাদেশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী হয়, তবে সরকার তাদের সব ধরনের প্রশাসনিক নীতিগত সহযোগিতা প্রদান করবে।

হাইকমিশনার অজিত সিং বাংলাদেশের কৃষিখাতের অগ্রগতির প্রশংসা করে বলেন, কানাডার একটি বিশাল অংশজুড়ে আধুনিক পদ্ধতিতে কৃষিপণ্য উৎপাদিত হয় এবং দেশটির কৃষি ব্যবস্থা অত্যন্ত সমৃদ্ধ। তিনি বাংলাদেশে তেলজাতীয় শস্য বিশেষ করে 'ক্যানোলা' রপ্তানিতে তার দেশের গভীর আগ্রহের কথা জানান।

হাইকমিশনার স্পষ্ট করেন, বাংলাদেশের কৃষির সঙ্গে কানাডার সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। কৃষি প্রযুক্তি স্থানান্তর, উন্নত গবেষণা, কারিগরি সহায়তা এবং বিশেষ করে পশু উৎপাদন পরিচর্যা সম্পর্কিত যে কোনো কারিগরি বিষয়ে তার দেশ সবসময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে প্রস্তুত রয়েছে। দুই দেশের এই পারস্পরিক সহযোগিতার ফলে বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা প্রাণিসম্পদ খাত আরও আধুনিক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত