ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের লড়াইয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। রাজনীতির মাঠে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এই জোটে বড় অংশীদারিত্ব পেয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির পক্ষ থেকে মোট ৮ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
তবে
তালিকার সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে
জায়গা করে নিয়েছেন জুলাই
গণঅভ্যুত্থানের এক অকুতোভয় শহীদের
মা। জোটের পক্ষ থেকে সোমবার
বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নামগুলো ঘোষণা
করা হয়।
সোমবার,
২০ এপ্রিল বিকেলে প্রার্থীরা চূড়ান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন জামায়াতের মহিলা
বিভাগের সেক্রেটারি নুরুন্নেসা সিদ্দিকা।
তিনি
সংবাদমাধ্যমকে জানান, আমাদের ১১টি আসনের আটটিতে
আমরা দল থেকে প্রার্থী
দিয়েছি। তবে বৃহত্তর জোটের
স্বার্থে আমরা তিনটি আসন
ছেড়ে দিয়েছি। সেই ছেড়ে দেওয়া
আসনে আমরা একজন জুলাই
শহীদের মাকে রেখেছি, যা
আমাদের আন্দোলনের স্পৃহার প্রতিফলন।
তিনি
আরও জানান, এই মনোনয়নের বিষয়ে
চূড়ান্ত আলোচনা ও পরবর্তী করণীয়
ঠিক করতে মঙ্গলবার ২১
এপ্রিল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জোটের সব প্রতিনিধিরা এক
বিশেষ বৈঠকে বসবেন। সেখানে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা জানানো হবে।
জামায়াতের
পক্ষ থেকে যারা মনোনয়ন
পেয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, সহকারী সেক্রেটারি মারজিয়া বেগম এবং আইন
ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক সাবিকুন নাহার মুন্নী।
এছাড়াও
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক মারদিয়া মমতাজ, নাজমুন নাহার নীলু, সিলেটের মাহফুজা সিদ্দিকা, বগুড়ার সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদা
সামাদ এবং খুলনা মহানগরীর
সেক্রেটারি সামসুন নাহার সংসদ সদস্য পদের
জন্য লড়বেন।
জোটের
শরিকদের মধ্যে জাতীয় নারীশক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিন ও সদস্য সচিব মাহমুদা
আলম মিতু এবং জাগপার
চেয়ারম্যান তাসমিয়া প্রধান স্থান পেয়েছেন।
এছাড়া
খেলাফত মজলিসের মাহবুবা হাকিম এবং জুলাই শহীদের
রক্তস্নাত স্মৃতি ধারণ করে মনোনয়ন
পেয়েছেন শিশু জাবির ইব্রাহিমের
মা রোকেয়া বেগম।
সংশ্লিষ্টরা
মনে করছেন, অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি শিক্ষক এবং শহীদের মাকে
সংসদীয় প্রতিনিধিত্বে রাখা একটি ভিন্নধর্মী
ও শক্তিশালী বার্তা বহন করছে।

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের লড়াইয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। রাজনীতির মাঠে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এই জোটে বড় অংশীদারিত্ব পেয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির পক্ষ থেকে মোট ৮ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
তবে
তালিকার সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে
জায়গা করে নিয়েছেন জুলাই
গণঅভ্যুত্থানের এক অকুতোভয় শহীদের
মা। জোটের পক্ষ থেকে সোমবার
বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নামগুলো ঘোষণা
করা হয়।
সোমবার,
২০ এপ্রিল বিকেলে প্রার্থীরা চূড়ান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন জামায়াতের মহিলা
বিভাগের সেক্রেটারি নুরুন্নেসা সিদ্দিকা।
তিনি
সংবাদমাধ্যমকে জানান, আমাদের ১১টি আসনের আটটিতে
আমরা দল থেকে প্রার্থী
দিয়েছি। তবে বৃহত্তর জোটের
স্বার্থে আমরা তিনটি আসন
ছেড়ে দিয়েছি। সেই ছেড়ে দেওয়া
আসনে আমরা একজন জুলাই
শহীদের মাকে রেখেছি, যা
আমাদের আন্দোলনের স্পৃহার প্রতিফলন।
তিনি
আরও জানান, এই মনোনয়নের বিষয়ে
চূড়ান্ত আলোচনা ও পরবর্তী করণীয়
ঠিক করতে মঙ্গলবার ২১
এপ্রিল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জোটের সব প্রতিনিধিরা এক
বিশেষ বৈঠকে বসবেন। সেখানে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা জানানো হবে।
জামায়াতের
পক্ষ থেকে যারা মনোনয়ন
পেয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, সহকারী সেক্রেটারি মারজিয়া বেগম এবং আইন
ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক সাবিকুন নাহার মুন্নী।
এছাড়াও
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক মারদিয়া মমতাজ, নাজমুন নাহার নীলু, সিলেটের মাহফুজা সিদ্দিকা, বগুড়ার সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদা
সামাদ এবং খুলনা মহানগরীর
সেক্রেটারি সামসুন নাহার সংসদ সদস্য পদের
জন্য লড়বেন।
জোটের
শরিকদের মধ্যে জাতীয় নারীশক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিন ও সদস্য সচিব মাহমুদা
আলম মিতু এবং জাগপার
চেয়ারম্যান তাসমিয়া প্রধান স্থান পেয়েছেন।
এছাড়া
খেলাফত মজলিসের মাহবুবা হাকিম এবং জুলাই শহীদের
রক্তস্নাত স্মৃতি ধারণ করে মনোনয়ন
পেয়েছেন শিশু জাবির ইব্রাহিমের
মা রোকেয়া বেগম।
সংশ্লিষ্টরা
মনে করছেন, অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি শিক্ষক এবং শহীদের মাকে
সংসদীয় প্রতিনিধিত্বে রাখা একটি ভিন্নধর্মী
ও শক্তিশালী বার্তা বহন করছে।

আপনার মতামত লিখুন