সংবাদ

কাফরুলে পোশাক ব্যবসায়ীর কাছে কোটি টাকা চাঁদা দাবি: মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার ৪


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১০ পিএম

কাফরুলে পোশাক ব্যবসায়ীর কাছে কোটি টাকা চাঁদা দাবি: মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার ৪

রাজধানীর কাফরুল এলাকায় একটি তৈরি পোশাক কারখানার মালিকের কাছে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি এবং ফাঁকা গুলি ছোড়ার ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। রবিবার রাতে মিরপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন: রানা, মো. সাগর শেখ, মো. কালু শশী। র‍্যাব জানায়, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি মাদক কারবারসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল।

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে র‍্যাব- এর মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এন রায় নিয়তি জানান, গত ১৮ এপ্রিল সন্ধ্যায় কে এম এ্যাপারেলস নামের ওই পোশাক কারখানার অফিসে বসে কাজ করছিলেন মালিক কামরুল। এমন সময় ১২-১৩ জনের একটি সশস্ত্র দল অতর্কিতে তার অফিসে ঢুকে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে। ব্যবসায়ী কামরুল টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সন্ত্রাসীরা পিস্তল বের করে ফাঁকা গুলি ছুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি করে। এরপর তারা অফিসের লকার ভাঙচুর করে এবং আগামী তিন দিনের মধ্যে দাবিকৃত টাকা না দিলে ব্যবসায়ীকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। চলে যাওয়ার সময় প্রমাণ নষ্ট করতে তারা সিসি ক্যামেরার ডিভিআর হার্ডডিস্ক ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব কর্মকর্তা কে এন রায় নিয়তি বলেন, "গ্রেপ্তার রানা এই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী। সে ঘটনার আগেই গার্মেন্টসটি রিমোট এলাকায় হওয়ায় এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল মনে করে সেখানে গিয়ে রেকি করে আসে। রানার ধারণা ছিল, এখানে ভয় দেখাতে পারলে মোটা অংকের টাকা পাওয়া যাবে। এরপরই তারা অস্ত্রসহ মালিকের রুমে ঢুকে চাঁদা দাবি করে।"

তিনি আরও জানান, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করেই এই চারজনকে শনাক্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তাররা মিরপুর কাফরুলসহ আশপাশের এলাকায় মাদক ব্যবসা, ছিনতাই এবং চাঁদাবাজির মাধ্যমে আধিপত্য বিস্তার করে আসছিল। তাদের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার এবং চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে এই র‍্যাব কর্মকর্তা জানান, তদন্ত অভিযানের স্বার্থে এখনই সব প্রকাশ করা হচ্ছে না, তবে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬


কাফরুলে পোশাক ব্যবসায়ীর কাছে কোটি টাকা চাঁদা দাবি: মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার ৪

প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

রাজধানীর কাফরুল এলাকায় একটি তৈরি পোশাক কারখানার মালিকের কাছে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি এবং ফাঁকা গুলি ছোড়ার ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। রবিবার রাতে মিরপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন: রানা, মো. সাগর শেখ, মো. কালু শশী। র‍্যাব জানায়, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি মাদক কারবারসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল।

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে র‍্যাব- এর মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এন রায় নিয়তি জানান, গত ১৮ এপ্রিল সন্ধ্যায় কে এম এ্যাপারেলস নামের ওই পোশাক কারখানার অফিসে বসে কাজ করছিলেন মালিক কামরুল। এমন সময় ১২-১৩ জনের একটি সশস্ত্র দল অতর্কিতে তার অফিসে ঢুকে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে। ব্যবসায়ী কামরুল টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সন্ত্রাসীরা পিস্তল বের করে ফাঁকা গুলি ছুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি করে। এরপর তারা অফিসের লকার ভাঙচুর করে এবং আগামী তিন দিনের মধ্যে দাবিকৃত টাকা না দিলে ব্যবসায়ীকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। চলে যাওয়ার সময় প্রমাণ নষ্ট করতে তারা সিসি ক্যামেরার ডিভিআর হার্ডডিস্ক ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব কর্মকর্তা কে এন রায় নিয়তি বলেন, "গ্রেপ্তার রানা এই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী। সে ঘটনার আগেই গার্মেন্টসটি রিমোট এলাকায় হওয়ায় এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল মনে করে সেখানে গিয়ে রেকি করে আসে। রানার ধারণা ছিল, এখানে ভয় দেখাতে পারলে মোটা অংকের টাকা পাওয়া যাবে। এরপরই তারা অস্ত্রসহ মালিকের রুমে ঢুকে চাঁদা দাবি করে।"

তিনি আরও জানান, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করেই এই চারজনকে শনাক্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তাররা মিরপুর কাফরুলসহ আশপাশের এলাকায় মাদক ব্যবসা, ছিনতাই এবং চাঁদাবাজির মাধ্যমে আধিপত্য বিস্তার করে আসছিল। তাদের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার এবং চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে এই র‍্যাব কর্মকর্তা জানান, তদন্ত অভিযানের স্বার্থে এখনই সব প্রকাশ করা হচ্ছে না, তবে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত