জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফসহ চার পলাতক আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ করে আগামী ১১ মে পরবর্তী ধাপ হিসেবে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ধার্য করেছেন।
বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ প্রদান করেন। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। শুনানিকালে আদালত মামলার পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য মে মাসের ওই তারিখ নির্ধারণ করেন।
এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ থেকে মোট ১৯ জন সাক্ষীর জবানবন্দি পেশ করা হয়েছে। আজ ১৯তম সাক্ষী হিসেবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবদুল্লা-আল-মামুন ট্রাইব্যুনালে তার সাক্ষ্য প্রদান করেন। তার সাক্ষ্য গ্রহণের পর পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা করেন। জেরা সম্পন্ন হওয়ার মধ্য দিয়ে মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের পর্বটি আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়।
মামলার আসামিরা হলেন: আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব উল আলম হানিফ, কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সদর উদ্দিন খান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসগর আলী এবং কুষ্টিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান। তারা সকলেই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
এর আগে গত বছরের ৫ অক্টোবর প্রসিকিউশন এই আসামিদের বিরুদ্ধে তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগে আনুষ্ঠানিক চার্জশিট জমা দেয়। ট্রাইব্যুনাল ৬ অক্টোবর অভিযোগ আমলে নেয় এবং ২ নভেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আনুষ্ঠানিক আদেশ দেয়।
তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান, ষড়যন্ত্র এবং কুষ্টিয়া এলাকায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনা।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফসহ চার পলাতক আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ করে আগামী ১১ মে পরবর্তী ধাপ হিসেবে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ধার্য করেছেন।
বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ প্রদান করেন। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। শুনানিকালে আদালত মামলার পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য মে মাসের ওই তারিখ নির্ধারণ করেন।
এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ থেকে মোট ১৯ জন সাক্ষীর জবানবন্দি পেশ করা হয়েছে। আজ ১৯তম সাক্ষী হিসেবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবদুল্লা-আল-মামুন ট্রাইব্যুনালে তার সাক্ষ্য প্রদান করেন। তার সাক্ষ্য গ্রহণের পর পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা করেন। জেরা সম্পন্ন হওয়ার মধ্য দিয়ে মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের পর্বটি আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়।
মামলার আসামিরা হলেন: আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব উল আলম হানিফ, কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সদর উদ্দিন খান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসগর আলী এবং কুষ্টিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান। তারা সকলেই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
এর আগে গত বছরের ৫ অক্টোবর প্রসিকিউশন এই আসামিদের বিরুদ্ধে তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগে আনুষ্ঠানিক চার্জশিট জমা দেয়। ট্রাইব্যুনাল ৬ অক্টোবর অভিযোগ আমলে নেয় এবং ২ নভেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আনুষ্ঠানিক আদেশ দেয়।
তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান, ষড়যন্ত্র এবং কুষ্টিয়া এলাকায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনা।

আপনার মতামত লিখুন