প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক ছাত্রীদের ইভটিজিং ও অনৈতিক আচরণের অভিযোগে এলাকাবাসীর হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন। নারী অভিভাবকরা তাকে জুতা দিয়ে মারপিট করেন।পরে অভিভাবকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন তিনি।
ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার জটাবাড়ি পূর্ব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। অভিযুক্ত শিক্ষক ইব্রাহিম (ওরফে জাহাঙ্গীর মাস্টার) ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
অভিভাবক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি কোমলমতি ছাত্রীদের গায়ে হাত দেওয়া, অশালীন দৃষ্টিতে তাকানো ও অহেতুক মারপিট করতেন। বারবার সতর্ক করেও তিনি শুধরাননি।
গত বৃহস্পতিবার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা তার ক্লাস বর্জন করে। কারণ জানতে চাইলে তারা শিক্ষকের ‘অশুভ আচরণের’ কথা জানায়। খবর পেয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী ও নারী অভিভাবকরা বিদ্যালয়ে এসে শিক্ষককে কিলঘুষি ও জুতা পেটান।
এক অভিভাবক বলেন, ‘ওই শিক্ষকের কারণে বাচ্চারা স্কুলেই আসতে চায় না। নতুন জামা পড়লে গায়ে হাত দেয়। নজর ভালো না। অভিযোগ করেও লাভ হয়নি।’
ঘটনার পর বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সাবেক কাউন্সিলর আবুল বাশার অভিভাবক, শিক্ষক ও এলাকাবাসীকে নিয়ে বৈঠক করেন। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে শিক্ষক ইব্রাহিম অভিভাবকদের কাছে ক্ষমা চান। তিনি ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ না করার প্রতিশ্রুতি দেন।
অভিভাবকরা তার বদলির দাবি তোলেন। আবুল বাশার জানান, বিষয়টি শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে দেখার কথা বললে অভিভাবকরা শান্ত হন।
অভিযুক্ত শিক্ষক ইব্রাহিম দাবি করেন, পড়া না পাড়ায় তিনি শুধু শাসন করতেন। তিনি বলেন, ‘বিদ্যালয়ের পিয়ন শামীমের সঙ্গে কথাকাটির জেরে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।’
মধুপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘খবর পেয়ে কর্মকর্তা পাঠিয়েছিলাম। তবে এখন পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ পাইনি।’

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক ছাত্রীদের ইভটিজিং ও অনৈতিক আচরণের অভিযোগে এলাকাবাসীর হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন। নারী অভিভাবকরা তাকে জুতা দিয়ে মারপিট করেন।পরে অভিভাবকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন তিনি।
ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার জটাবাড়ি পূর্ব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। অভিযুক্ত শিক্ষক ইব্রাহিম (ওরফে জাহাঙ্গীর মাস্টার) ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
অভিভাবক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি কোমলমতি ছাত্রীদের গায়ে হাত দেওয়া, অশালীন দৃষ্টিতে তাকানো ও অহেতুক মারপিট করতেন। বারবার সতর্ক করেও তিনি শুধরাননি।
গত বৃহস্পতিবার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা তার ক্লাস বর্জন করে। কারণ জানতে চাইলে তারা শিক্ষকের ‘অশুভ আচরণের’ কথা জানায়। খবর পেয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী ও নারী অভিভাবকরা বিদ্যালয়ে এসে শিক্ষককে কিলঘুষি ও জুতা পেটান।
এক অভিভাবক বলেন, ‘ওই শিক্ষকের কারণে বাচ্চারা স্কুলেই আসতে চায় না। নতুন জামা পড়লে গায়ে হাত দেয়। নজর ভালো না। অভিযোগ করেও লাভ হয়নি।’
ঘটনার পর বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সাবেক কাউন্সিলর আবুল বাশার অভিভাবক, শিক্ষক ও এলাকাবাসীকে নিয়ে বৈঠক করেন। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে শিক্ষক ইব্রাহিম অভিভাবকদের কাছে ক্ষমা চান। তিনি ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ না করার প্রতিশ্রুতি দেন।
অভিভাবকরা তার বদলির দাবি তোলেন। আবুল বাশার জানান, বিষয়টি শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে দেখার কথা বললে অভিভাবকরা শান্ত হন।
অভিযুক্ত শিক্ষক ইব্রাহিম দাবি করেন, পড়া না পাড়ায় তিনি শুধু শাসন করতেন। তিনি বলেন, ‘বিদ্যালয়ের পিয়ন শামীমের সঙ্গে কথাকাটির জেরে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।’
মধুপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘খবর পেয়ে কর্মকর্তা পাঠিয়েছিলাম। তবে এখন পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ পাইনি।’

আপনার মতামত লিখুন