সংবাদ

কুষ্টিয়ায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত ২ লাখ গবাদিপশু


জেলা বার্তা পরিবেশক, কুষ্টিয়া
জেলা বার্তা পরিবেশক, কুষ্টিয়া
প্রকাশ: ৩ মে ২০২৬, ০৯:০১ পিএম

কুষ্টিয়ায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত ২ লাখ গবাদিপশু
ছবি : সংবাদ

কোরবানির পশুর জন্য দেশজুড়ে কুষ্টিয়ার আলাদা খ্যাতি রয়েছে। আসন্ন ঈদুল আধা উপলক্ষে এবারও ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বড় শহরগুলোর চাহিদা মেটাতে প্রস্তুত কুষ্টিয়ার খামারিরা। জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এবার কোরবানির হাটে তোলার জন্য জেলায় দুই লক্ষাধিক গবাদিপশু মোটাতাজা করা হয়েছে।

সূত্রমতে, কুষ্টিয়ার ৬টি উপজেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ১৯ হাজার গবাদিপশুর খামার রয়েছে। দেশীয় গরুর চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় খামারের পাশাপাশি ঘরে ঘরেও পশু পালন করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে স্থানীয় কয়েকটি হাটে কেনাবেচা শুরু হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই বড় বড় শহরে পশু সরবরাহ শুরু করবেন ব্যবসায়ীরা।

সদর উপজেলার হরিপুর এলাকার খামারিরা জানান, প্রাকৃতিক পরিবেশে বেড়ে ওঠা কুষ্টিয়ার গরুর বিশেষ চাহিদা রয়েছে। এখন পশুকে হাটে তোলার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। তবে গোখাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় আছেন তারা। খামারিদের অভিযোগ, পশুখাদ্যের দাম যে হারে বেড়েছে, তাতে ভালো দাম না পেলে লোকসান গুনতে হবে।

স্থানীয় এক খামারি বলেন, কুষ্টিয়ার গরু দেশীয় ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে লালন-পালন করায় ক্রেতাদের কাছে জনপ্রিয়। তবে কোরবানির আগে দেশের বাইরে থেকে যেন পশু আমদানি না করা হয় এবং চোরাই পথে গরু আসা বন্ধে সরকারকে কঠোর নজরদারির অনুরোধ জানান তিনি।

কুষ্টিয়া জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আল মামুন হাসান মন্ডল বলেন, ‘কোনো ক্ষতিকর রাসায়নিক বা ভেজাল খাদ্য ছাড়াই দেশীয় পদ্ধতিতে গবাদিপশু মোটাতাজা করার জন্য খামারিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আশা করছি, খামারিরা এবার পশুর নায্য দাম পাবেন।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ০৩ মে ২০২৬


কুষ্টিয়ায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত ২ লাখ গবাদিপশু

প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬

featured Image

কোরবানির পশুর জন্য দেশজুড়ে কুষ্টিয়ার আলাদা খ্যাতি রয়েছে। আসন্ন ঈদুল আধা উপলক্ষে এবারও ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বড় শহরগুলোর চাহিদা মেটাতে প্রস্তুত কুষ্টিয়ার খামারিরা। জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এবার কোরবানির হাটে তোলার জন্য জেলায় দুই লক্ষাধিক গবাদিপশু মোটাতাজা করা হয়েছে।

সূত্রমতে, কুষ্টিয়ার ৬টি উপজেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ১৯ হাজার গবাদিপশুর খামার রয়েছে। দেশীয় গরুর চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় খামারের পাশাপাশি ঘরে ঘরেও পশু পালন করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে স্থানীয় কয়েকটি হাটে কেনাবেচা শুরু হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই বড় বড় শহরে পশু সরবরাহ শুরু করবেন ব্যবসায়ীরা।

সদর উপজেলার হরিপুর এলাকার খামারিরা জানান, প্রাকৃতিক পরিবেশে বেড়ে ওঠা কুষ্টিয়ার গরুর বিশেষ চাহিদা রয়েছে। এখন পশুকে হাটে তোলার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। তবে গোখাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় আছেন তারা। খামারিদের অভিযোগ, পশুখাদ্যের দাম যে হারে বেড়েছে, তাতে ভালো দাম না পেলে লোকসান গুনতে হবে।

স্থানীয় এক খামারি বলেন, কুষ্টিয়ার গরু দেশীয় ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে লালন-পালন করায় ক্রেতাদের কাছে জনপ্রিয়। তবে কোরবানির আগে দেশের বাইরে থেকে যেন পশু আমদানি না করা হয় এবং চোরাই পথে গরু আসা বন্ধে সরকারকে কঠোর নজরদারির অনুরোধ জানান তিনি।

কুষ্টিয়া জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আল মামুন হাসান মন্ডল বলেন, ‘কোনো ক্ষতিকর রাসায়নিক বা ভেজাল খাদ্য ছাড়াই দেশীয় পদ্ধতিতে গবাদিপশু মোটাতাজা করার জন্য খামারিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আশা করছি, খামারিরা এবার পশুর নায্য দাম পাবেন।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত