লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ইতিহাস গড়ল বাবর আজমের পেশোয়ার জালমি। হায়দরাবাদ কিংসম্যানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে ৯ বছর পর আবারও পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করল তারা। বাংলাদেশের তরুণ পেসার নাহিদ রানার বিধ্বংসী বোলিং এবং অ্যারন হার্ডির অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ২৮ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় পেশোয়ার।
রোববার (৩ মে) টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে হায়দরাবাদ কিংসম্যান। শুরুটা ইতিবাচক হলেও পেশোয়ারের বোলারদের তোপের মুখে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। হায়দরাবাদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৪ রান করেন ওপেনার সায়েম আইয়ুব। অধিনায়ক মার্নাস লাবুশেন ১২ বলে ২০ রান করে সম্ভাবনা জাগালেও ইনিংস বড় করতে পারেননি।
পেশোয়ারের হয়ে বল হাতে আগুন ঝরান বাংলাদেশের নাহিদ রানা। প্রথম দুই ওভারে ১৮ রান দিলেও পরের দুই ওভারে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন করেন তিনি। বিশেষ করে তার করা তৃতীয় ওভারটি ছিল উইকেট-মেডেন। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে (০) আউট করে হায়দরাবাদকে বড় ধাক্কা দেন তিনি। ৪ ওভারে মাত্র ২২ রান খরচায় নাহিদ শিকার করেন ২ উইকেট। অন্যদিকে, অ্যারন হার্ডি ৪ উইকেট নিয়ে হায়দরাবাদের ব্যাটিং মেরুদণ্ড ভেঙে দেন। শেষ পর্যন্ত ১৮ ওভারে ১২৯ রানেই গুটিয়ে যায় হায়দরাবাদের ইনিংস।
১৩০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে কিছুটা বিপর্যয়ে পড়েছিল পেশোয়ার। দলীয় অধিনায়ক বাবর আজম গোল্ডেন ডাকে সাজঘরে ফেরেন। এক পর্যায়ে ৪০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা দলকে উদ্ধার করেন অ্যারন হার্ডি ও আব্দুল সামাদ।
অ্যারন হার্ডি ৩৯ বলে ৫৬ রানের এক অপরাজিত ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ৯টি চারের মার। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন আব্দুল সামাদ (৪৮)। এই দুইজনের জুটিতে ১৫.২ ওভারেই ৫ উইকেট হারিয়ে ১৩০ রান তুলে নেয় পেশোয়ার।
২০১৭ সালের পর এটি পেশোয়ার জালমির দ্বিতীয় পিএসএল শিরোপা। একইসঙ্গে অধিনায়ক হিসেবে বাবর আজমের এটিই প্রথম পিএসএল ট্রফি। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে দাপট দেখানো পেশোয়ার ফাইনাল ম্যাচেও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করল।

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ইতিহাস গড়ল বাবর আজমের পেশোয়ার জালমি। হায়দরাবাদ কিংসম্যানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে ৯ বছর পর আবারও পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করল তারা। বাংলাদেশের তরুণ পেসার নাহিদ রানার বিধ্বংসী বোলিং এবং অ্যারন হার্ডির অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ২৮ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় পেশোয়ার।
রোববার (৩ মে) টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে হায়দরাবাদ কিংসম্যান। শুরুটা ইতিবাচক হলেও পেশোয়ারের বোলারদের তোপের মুখে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। হায়দরাবাদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৪ রান করেন ওপেনার সায়েম আইয়ুব। অধিনায়ক মার্নাস লাবুশেন ১২ বলে ২০ রান করে সম্ভাবনা জাগালেও ইনিংস বড় করতে পারেননি।
পেশোয়ারের হয়ে বল হাতে আগুন ঝরান বাংলাদেশের নাহিদ রানা। প্রথম দুই ওভারে ১৮ রান দিলেও পরের দুই ওভারে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন করেন তিনি। বিশেষ করে তার করা তৃতীয় ওভারটি ছিল উইকেট-মেডেন। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে (০) আউট করে হায়দরাবাদকে বড় ধাক্কা দেন তিনি। ৪ ওভারে মাত্র ২২ রান খরচায় নাহিদ শিকার করেন ২ উইকেট। অন্যদিকে, অ্যারন হার্ডি ৪ উইকেট নিয়ে হায়দরাবাদের ব্যাটিং মেরুদণ্ড ভেঙে দেন। শেষ পর্যন্ত ১৮ ওভারে ১২৯ রানেই গুটিয়ে যায় হায়দরাবাদের ইনিংস।
১৩০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে কিছুটা বিপর্যয়ে পড়েছিল পেশোয়ার। দলীয় অধিনায়ক বাবর আজম গোল্ডেন ডাকে সাজঘরে ফেরেন। এক পর্যায়ে ৪০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা দলকে উদ্ধার করেন অ্যারন হার্ডি ও আব্দুল সামাদ।
অ্যারন হার্ডি ৩৯ বলে ৫৬ রানের এক অপরাজিত ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ৯টি চারের মার। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন আব্দুল সামাদ (৪৮)। এই দুইজনের জুটিতে ১৫.২ ওভারেই ৫ উইকেট হারিয়ে ১৩০ রান তুলে নেয় পেশোয়ার।
২০১৭ সালের পর এটি পেশোয়ার জালমির দ্বিতীয় পিএসএল শিরোপা। একইসঙ্গে অধিনায়ক হিসেবে বাবর আজমের এটিই প্রথম পিএসএল ট্রফি। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে দাপট দেখানো পেশোয়ার ফাইনাল ম্যাচেও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করল।

আপনার মতামত লিখুন