মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজ জয়ের সুবর্ণ সুযোগ ছিল নাজমুল হোসেন শান্তর দলের সামনে। কিন্তু ব্যাটিং বিপর্যয়ের পর বোলাররা শুরুর দিকে স্বপ্ন দেখালেও শেষ পর্যন্ত হার মেনেই মাঠ ছাড়তে হয়েছে স্বাগতিকদের। বৃষ্টির বাধায় ১৫ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে ৬ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। ফলে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ হলো। কার্টেল ওভারের এই রোমাঞ্চকর ম্যাচে ১০৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ২০ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় কিউইরা।
শরিফুলের
বিধ্বংসী স্পেলে শুরুতে দিশেহারা কিউই শিবির
রান
তাড়ায় নামা নিউজিল্যান্ডকে শুরুতেই
চেপে ধরেন বাঁহাতি পেসার
শরিফুল ইসলাম। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই জোড়া আঘাত হানেন
তিনি। কেটেনি ক্লার্ক ও ডেন ক্লেভারকে
সাজঘরে ফিরিয়ে গ্যালারিতে উন্মাদনা ছড়িয়ে দেন এই পেসার।
নিজের দ্বিতীয় ওভারে এসে ভয়ংকর হয়ে
ওঠা টিম রবিনসনকেও ২৩
রানে বোল্ড করেন শরিফুল। এরপর
শেখ মেহেদী হাসান এসে নিক কেলিকে
বোল্ড করলে ৩৩ রানে
৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে কিউইরা। মিরপুরের
গ্যালারি তখন সিরিজ জয়ের
গর্জনে মুখরিত।
বেভন
জ্যাকবসের তান্ডবে লণ্ডভণ্ড বাংলাদেশের স্বপ্ন
বিপদে
পড়া নিউজিল্যান্ডকে একাই টেনে তোলেন
বেভন জ্যাকবস। বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে
মাত্র ৩১ বলে ৬২
রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস
খেলেন তিনি। ৫টি চার ও
৩টি ছক্কায় সাজানো তার এই ঝোড়ো
ইনিংসই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়। ডিন
ফক্সক্রফট ১৫ রানে অপরাজিত
থেকে জয় নিশ্চিত করেন।
বাংলাদেশের পক্ষে শরিফুল ১৯ রানে ৩
উইকেট নিলেও বাকি বোলাররা ছিলেন
খরুচে। বিশেষ করে রিপন মন্ডল
২ ওভারে ২৭ রান দিয়ে
উইকেটশূন্য থাকায় ম্যাচ থেকে ছিটকে যায়
স্বাগতিকরা।
ব্যাটিং
বিপর্যয়ে অল্পতেই থামল টাইগারের গর্জন
এর আগে টসে হেরে
ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো
হলেও হঠাৎই খেই হারিয়ে ফেলে
বাংলাদেশ। ৪ উইকেটে ৮৬
রান করার পর মাত্র
১৬ রান যোগ করতেই
শেষ ৬ উইকেট হারায়
লিটন দাসের দল। সাইফ হাসান
১১ বলে ১৬ এবং
লিটন দাস ১৭ বলে
২৬ রান করে আশার
আলো দেখালেও মিডল অর্ডার ব্যর্থ
হয়। তাওহীদ হৃদয় ২৪ বলে
৩৩ রান করে লড়াইয়ের
পুঁজি গড়ার চেষ্টা করেন,
কিন্তু অন্য প্রান্ত থেকে
কেউ সঙ্গ দিতে পারেননি।
জস ক্লার্কসনের তোপে ১৪.২
ওভারে মাত্র ১০২ রানেই অলআউট
হয়ে যায় বাংলাদেশ। শামীম
পাটোয়ারী ও সাইফউদ্দিনদের ব্যর্থতায়
পুঁজিটা বড় না হওয়ায়
শেষ পর্যন্ত হার নিয়েই মাঠ
ছাড়তে হয় টাইগারদের।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজ জয়ের সুবর্ণ সুযোগ ছিল নাজমুল হোসেন শান্তর দলের সামনে। কিন্তু ব্যাটিং বিপর্যয়ের পর বোলাররা শুরুর দিকে স্বপ্ন দেখালেও শেষ পর্যন্ত হার মেনেই মাঠ ছাড়তে হয়েছে স্বাগতিকদের। বৃষ্টির বাধায় ১৫ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে ৬ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। ফলে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ হলো। কার্টেল ওভারের এই রোমাঞ্চকর ম্যাচে ১০৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ২০ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় কিউইরা।
শরিফুলের
বিধ্বংসী স্পেলে শুরুতে দিশেহারা কিউই শিবির
রান
তাড়ায় নামা নিউজিল্যান্ডকে শুরুতেই
চেপে ধরেন বাঁহাতি পেসার
শরিফুল ইসলাম। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই জোড়া আঘাত হানেন
তিনি। কেটেনি ক্লার্ক ও ডেন ক্লেভারকে
সাজঘরে ফিরিয়ে গ্যালারিতে উন্মাদনা ছড়িয়ে দেন এই পেসার।
নিজের দ্বিতীয় ওভারে এসে ভয়ংকর হয়ে
ওঠা টিম রবিনসনকেও ২৩
রানে বোল্ড করেন শরিফুল। এরপর
শেখ মেহেদী হাসান এসে নিক কেলিকে
বোল্ড করলে ৩৩ রানে
৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে কিউইরা। মিরপুরের
গ্যালারি তখন সিরিজ জয়ের
গর্জনে মুখরিত।
বেভন
জ্যাকবসের তান্ডবে লণ্ডভণ্ড বাংলাদেশের স্বপ্ন
বিপদে
পড়া নিউজিল্যান্ডকে একাই টেনে তোলেন
বেভন জ্যাকবস। বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে
মাত্র ৩১ বলে ৬২
রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস
খেলেন তিনি। ৫টি চার ও
৩টি ছক্কায় সাজানো তার এই ঝোড়ো
ইনিংসই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়। ডিন
ফক্সক্রফট ১৫ রানে অপরাজিত
থেকে জয় নিশ্চিত করেন।
বাংলাদেশের পক্ষে শরিফুল ১৯ রানে ৩
উইকেট নিলেও বাকি বোলাররা ছিলেন
খরুচে। বিশেষ করে রিপন মন্ডল
২ ওভারে ২৭ রান দিয়ে
উইকেটশূন্য থাকায় ম্যাচ থেকে ছিটকে যায়
স্বাগতিকরা।
ব্যাটিং
বিপর্যয়ে অল্পতেই থামল টাইগারের গর্জন
এর আগে টসে হেরে
ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো
হলেও হঠাৎই খেই হারিয়ে ফেলে
বাংলাদেশ। ৪ উইকেটে ৮৬
রান করার পর মাত্র
১৬ রান যোগ করতেই
শেষ ৬ উইকেট হারায়
লিটন দাসের দল। সাইফ হাসান
১১ বলে ১৬ এবং
লিটন দাস ১৭ বলে
২৬ রান করে আশার
আলো দেখালেও মিডল অর্ডার ব্যর্থ
হয়। তাওহীদ হৃদয় ২৪ বলে
৩৩ রান করে লড়াইয়ের
পুঁজি গড়ার চেষ্টা করেন,
কিন্তু অন্য প্রান্ত থেকে
কেউ সঙ্গ দিতে পারেননি।
জস ক্লার্কসনের তোপে ১৪.২
ওভারে মাত্র ১০২ রানেই অলআউট
হয়ে যায় বাংলাদেশ। শামীম
পাটোয়ারী ও সাইফউদ্দিনদের ব্যর্থতায়
পুঁজিটা বড় না হওয়ায়
শেষ পর্যন্ত হার নিয়েই মাঠ
ছাড়তে হয় টাইগারদের।

আপনার মতামত লিখুন