পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ফাইনালে পেশোয়ার জালমিকে শিরোপা জেতাতে বল হাতে আগুন ঝরিয়েছেন বাংলাদেশের গতিদানব নাহিদ রানা। অ্যারন হার্ডি ম্যাচসেরা হলেও, গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ম্যাচের মোড় বদলে দেওয়ায় ফাইনালের ‘সুপার পাওয়ার অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কার জিতে নিয়েছেন এই টাইগার পেসার।
নিউজিল্যান্ড সিরিজ খেলতে দেশে থাকলেও শুধু ফাইনালের জন্যই রানাকে উড়িয়ে নিয়েছিল পেশোয়ার জালমি। আর আস্থার প্রতিদান দিতে ভুল করেননি তিনি। ৪ ওভারে মাত্র ২২ রান দিয়ে শিকার করেছেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের মতো মহাতারকার উইকেট। ওভারপ্রতি মাত্র ৫.৫০ রান খরচ করে তিনি ছিলেন ম্যাচের সবচেয়ে সাশ্রয়ী বা ‘কিপটে’ বোলার।
পুরস্কার হিসেবে নাহিদ রানা পেয়েছেন ৩ লাখ পাকিস্তানি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা)। মূলত ম্যাচের মোড় বদলে দেওয়া প্রভাবশালী পারফরম্যান্সের জন্য এই বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়।
পুরো টুর্নামেন্টেই নাহিদ রানা ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। ৫ ম্যাচে ৯ উইকেট শিকার করা এই পেসারের ইকোনমি রেট ছিল মাত্র ৫.৪৪। আসরে অন্তত একটি উইকেট নিয়েছেন এমন বোলারদের মধ্যে কারো ইকোনমিই ৭-এর নিচে নামেনি, সেখানে নাহিদ ছিলেন অনন্য।
ফাইনালে তার পারফরম্যান্স দেখে সতীর্থ অ্যারন হার্ডি মুগ্ধ হয়ে বলেন, “এই ছেলেটা মাত্র তিন দিন আগে প্লেন থেকে নেমেছে, অথচ কী দুর্দান্ত গতিতে বল করল! করাচিতে ও ১৫১ কিমি গতিতে বল করছিল। ব্যাটারদের জন্য ও সত্যিই এক ভয়ংকর বোলার।”
চ্যাম্পিয়ন তকমা নিয়ে দেশে ফেরার আগে নিজের অনুভূতি জানিয়ে নাহিদ রানা বলেন, “আমি সত্যিই এই সফরটি উপভোগ করেছি। আমার পরিকল্পনাগুলো মাঠে বাস্তবায়ন করতে পেরে আমি খুশি। আমি চেয়েছিলাম এমন কিছু করতে যা দলের জয়ে প্রভাব ফেলবে। নিজের পারফরম্যান্সে আমি সন্তুষ্ট।”
পেশোয়ার জালমির হয়ে গত বছর দলে থাকলেও ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি রানা। তবে এ বছর সুযোগ পেয়েই বাজিমাত করলেন তিনি। বাংলাদেশের এই তরুণ তুর্কির হাত ধরেই ৯ বছর পর পিএসএল শিরোপা ঘরে তুলল পেশোয়ার।

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ফাইনালে পেশোয়ার জালমিকে শিরোপা জেতাতে বল হাতে আগুন ঝরিয়েছেন বাংলাদেশের গতিদানব নাহিদ রানা। অ্যারন হার্ডি ম্যাচসেরা হলেও, গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ম্যাচের মোড় বদলে দেওয়ায় ফাইনালের ‘সুপার পাওয়ার অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কার জিতে নিয়েছেন এই টাইগার পেসার।
নিউজিল্যান্ড সিরিজ খেলতে দেশে থাকলেও শুধু ফাইনালের জন্যই রানাকে উড়িয়ে নিয়েছিল পেশোয়ার জালমি। আর আস্থার প্রতিদান দিতে ভুল করেননি তিনি। ৪ ওভারে মাত্র ২২ রান দিয়ে শিকার করেছেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের মতো মহাতারকার উইকেট। ওভারপ্রতি মাত্র ৫.৫০ রান খরচ করে তিনি ছিলেন ম্যাচের সবচেয়ে সাশ্রয়ী বা ‘কিপটে’ বোলার।
পুরস্কার হিসেবে নাহিদ রানা পেয়েছেন ৩ লাখ পাকিস্তানি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা)। মূলত ম্যাচের মোড় বদলে দেওয়া প্রভাবশালী পারফরম্যান্সের জন্য এই বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়।
পুরো টুর্নামেন্টেই নাহিদ রানা ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। ৫ ম্যাচে ৯ উইকেট শিকার করা এই পেসারের ইকোনমি রেট ছিল মাত্র ৫.৪৪। আসরে অন্তত একটি উইকেট নিয়েছেন এমন বোলারদের মধ্যে কারো ইকোনমিই ৭-এর নিচে নামেনি, সেখানে নাহিদ ছিলেন অনন্য।
ফাইনালে তার পারফরম্যান্স দেখে সতীর্থ অ্যারন হার্ডি মুগ্ধ হয়ে বলেন, “এই ছেলেটা মাত্র তিন দিন আগে প্লেন থেকে নেমেছে, অথচ কী দুর্দান্ত গতিতে বল করল! করাচিতে ও ১৫১ কিমি গতিতে বল করছিল। ব্যাটারদের জন্য ও সত্যিই এক ভয়ংকর বোলার।”
চ্যাম্পিয়ন তকমা নিয়ে দেশে ফেরার আগে নিজের অনুভূতি জানিয়ে নাহিদ রানা বলেন, “আমি সত্যিই এই সফরটি উপভোগ করেছি। আমার পরিকল্পনাগুলো মাঠে বাস্তবায়ন করতে পেরে আমি খুশি। আমি চেয়েছিলাম এমন কিছু করতে যা দলের জয়ে প্রভাব ফেলবে। নিজের পারফরম্যান্সে আমি সন্তুষ্ট।”
পেশোয়ার জালমির হয়ে গত বছর দলে থাকলেও ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি রানা। তবে এ বছর সুযোগ পেয়েই বাজিমাত করলেন তিনি। বাংলাদেশের এই তরুণ তুর্কির হাত ধরেই ৯ বছর পর পিএসএল শিরোপা ঘরে তুলল পেশোয়ার।

আপনার মতামত লিখুন