বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত 'রিসিপ্রোকাল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট' বা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। আজ সোমবার (৪ মে, ২০২৬) আইনজীবী মোহাম্মদ মঈদুল ইসলাম পলক জনস্বার্থে এই রিটটি করেন।
আদালতে
রিট আবেদনটি উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট সুবীর
নন্দী দাস। রিটে পররাষ্ট্র
সচিব, অর্থ সচিব এবং
বাণিজ্য সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।
রিট
আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে,
এই বাণিজ্য চুক্তিটি অত্যন্ত অযৌক্তিক, কাঠামোগতভাবে অসম এবং সরাসরি বাংলাদেশের
জাতীয় স্বার্থপরিপন্থী। চুক্তির বিভিন্ন
ধারা দেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব ও জনকল্যাণ রক্ষায়
ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করা
হয়েছে।
রিটকারীদের
প্রধান অভিযোগগুলো হলো:
রিটে
দাবি করা হয়েছে যে,
এই চুক্তি স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সংবিধান নির্ধারিত সঠিক প্রক্রিয়া ও
আইনি বাধ্যবাধকতা অনুসরণ করা হয়নি। চুক্তিতে
বাংলাদেশের ওপর এমন শুল্ক
কাঠামো চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে যা একপাক্ষিক এবং
দেশের জন্য ক্ষতিকর। এই
চুক্তির ফলে দেশের নিজস্ব
অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণী স্বাধীনতা খর্ব হওয়ার আশঙ্কা
রয়েছে। দেশীয় শিল্প, কৃষি ও পরিবেশের
ওপর এই চুক্তির সম্ভাব্য
দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ও ক্ষতির বিষয়টি
রিটে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
আদালত
এই রিটের বিষয়ে পরবর্তীতে শুনানির দিন ধার্য করবেন
বলে জানা গেছে।

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত 'রিসিপ্রোকাল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট' বা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। আজ সোমবার (৪ মে, ২০২৬) আইনজীবী মোহাম্মদ মঈদুল ইসলাম পলক জনস্বার্থে এই রিটটি করেন।
আদালতে
রিট আবেদনটি উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট সুবীর
নন্দী দাস। রিটে পররাষ্ট্র
সচিব, অর্থ সচিব এবং
বাণিজ্য সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।
রিট
আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে,
এই বাণিজ্য চুক্তিটি অত্যন্ত অযৌক্তিক, কাঠামোগতভাবে অসম এবং সরাসরি বাংলাদেশের
জাতীয় স্বার্থপরিপন্থী। চুক্তির বিভিন্ন
ধারা দেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব ও জনকল্যাণ রক্ষায়
ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করা
হয়েছে।
রিটকারীদের
প্রধান অভিযোগগুলো হলো:
রিটে
দাবি করা হয়েছে যে,
এই চুক্তি স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সংবিধান নির্ধারিত সঠিক প্রক্রিয়া ও
আইনি বাধ্যবাধকতা অনুসরণ করা হয়নি। চুক্তিতে
বাংলাদেশের ওপর এমন শুল্ক
কাঠামো চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে যা একপাক্ষিক এবং
দেশের জন্য ক্ষতিকর। এই
চুক্তির ফলে দেশের নিজস্ব
অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণী স্বাধীনতা খর্ব হওয়ার আশঙ্কা
রয়েছে। দেশীয় শিল্প, কৃষি ও পরিবেশের
ওপর এই চুক্তির সম্ভাব্য
দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ও ক্ষতির বিষয়টি
রিটে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
আদালত
এই রিটের বিষয়ে পরবর্তীতে শুনানির দিন ধার্য করবেন
বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন