সংবাদ

নয় নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে: উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৫ মে ২০২৬, ১১:০২ এএম

নয় নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে: উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীর পানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। বর্তমানে এই অঞ্চলের ৯টি নদীর পানি ১১টি স্টেশনে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আজ মঙ্গলবার (৫ মে) পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর বেসিনের ৫টি জেলায় নদ-নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিভিন্ন স্টেশনের পানির উচ্চতা ও প্রবাহের চিত্র নিচে দেওয়া হলো:

  • সিলেট ও সুনামগঞ্জ: কুশিয়ারা নদীর পানি ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ৫ সেমি এবং মারকুলিতে ৮ সেমি ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জগন্নাথপুরে নলজুর নদীর পানি বিপৎসীমার ৪৬ সেমি ওপরে রয়েছে।
  • নেত্রকোনা: ধনু-বাউলাই নদী খালিয়াজুরিতে ১৪ সেমি এবং সোমেশ্বরী নদী কলমাকান্দায় ৪২ সেমি ওপর দিয়ে বইছে। সবচেয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে মগরা নদী; নেত্রকোনা সদরে এটি বিপৎসীমার ৮৭ সেমি এবং আটপাড়ায় ২৪ সেমি ওপরে রয়েছে। এছাড়া জারিয়াঝাঞ্জাইল পয়েন্টে ভুগাই-কংশ নদী ৫১ সেমি ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
  • হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার: আজমিরিগঞ্জে কালনি নদী ২৩ সেমি এবং সুতাং রেল-ব্রিজ পয়েন্টে সুতাং নদী ৬৬ সেমি ওপর দিয়ে বইছে। মৌলভীবাজারে মনু নদীর পানি ১১০ সেমি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১ সেমি ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, সুনামগঞ্জের হাওর অঞ্চলে নদ-নদীর পানি সমতল ঘণ্টায় ০ থেকে ১ সেন্টিমিটার হারে অত্যন্ত ধীরগতিতে বাড়ছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ার এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বন্যা কবলিত জেলাগুলোতে স্থানীয় প্রশাসন ও পাউবো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। ফসল রক্ষা বাঁধ ও নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬


নয় নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে: উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬

featured Image

দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীর পানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। বর্তমানে এই অঞ্চলের ৯টি নদীর পানি ১১টি স্টেশনে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আজ মঙ্গলবার (৫ মে) পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর বেসিনের ৫টি জেলায় নদ-নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিভিন্ন স্টেশনের পানির উচ্চতা ও প্রবাহের চিত্র নিচে দেওয়া হলো:

  • সিলেট ও সুনামগঞ্জ: কুশিয়ারা নদীর পানি ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ৫ সেমি এবং মারকুলিতে ৮ সেমি ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জগন্নাথপুরে নলজুর নদীর পানি বিপৎসীমার ৪৬ সেমি ওপরে রয়েছে।
  • নেত্রকোনা: ধনু-বাউলাই নদী খালিয়াজুরিতে ১৪ সেমি এবং সোমেশ্বরী নদী কলমাকান্দায় ৪২ সেমি ওপর দিয়ে বইছে। সবচেয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে মগরা নদী; নেত্রকোনা সদরে এটি বিপৎসীমার ৮৭ সেমি এবং আটপাড়ায় ২৪ সেমি ওপরে রয়েছে। এছাড়া জারিয়াঝাঞ্জাইল পয়েন্টে ভুগাই-কংশ নদী ৫১ সেমি ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
  • হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার: আজমিরিগঞ্জে কালনি নদী ২৩ সেমি এবং সুতাং রেল-ব্রিজ পয়েন্টে সুতাং নদী ৬৬ সেমি ওপর দিয়ে বইছে। মৌলভীবাজারে মনু নদীর পানি ১১০ সেমি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১ সেমি ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, সুনামগঞ্জের হাওর অঞ্চলে নদ-নদীর পানি সমতল ঘণ্টায় ০ থেকে ১ সেন্টিমিটার হারে অত্যন্ত ধীরগতিতে বাড়ছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ার এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বন্যা কবলিত জেলাগুলোতে স্থানীয় প্রশাসন ও পাউবো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। ফসল রক্ষা বাঁধ ও নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত