জুলাই আন্দোলনে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় রফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে ‘কুপিয়ে হত্যা’সহ তিনটি মামলায় জামিন পেয়েছেন সাবেক রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।
সাবেক এই মন্ত্রীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু। তিনি জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ বিশেষায়িত হাসপাতাল থেকে নুরুল ইসলাম সুজনকে আটক করে পুলিশ।
পরদিন ১৭ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ী থানায় ইমরান হোসেন নামে এক তরুণের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। ওইদিনই যাত্রাবাড়ীর গোপীবাগের রাইয়ান কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের মালিক রফিকুল ইসলামকে হত্যার মামলাতেও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
রফিকুল ইসলাম হত্যা মামলায় ২০২৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর সাবেক এই মন্ত্রীর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে ২৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেরা মাহবুবের আদালতে তাকে হাজির করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই রয়েছেন।
এর আগে, ঐ বছরের ২৮ আগস্ট নিহত রফিকুল ইসলামের স্ত্রী নাজিয়া আক্তার বাদী হয়ে হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। ওই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৯৫ জনকে আসামি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে এসব মামলাতেই হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেছিলেন নুরুল ইসলাম সুজন।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
জুলাই আন্দোলনে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় রফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে ‘কুপিয়ে হত্যা’সহ তিনটি মামলায় জামিন পেয়েছেন সাবেক রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।
সাবেক এই মন্ত্রীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু। তিনি জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ বিশেষায়িত হাসপাতাল থেকে নুরুল ইসলাম সুজনকে আটক করে পুলিশ।
পরদিন ১৭ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ী থানায় ইমরান হোসেন নামে এক তরুণের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। ওইদিনই যাত্রাবাড়ীর গোপীবাগের রাইয়ান কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের মালিক রফিকুল ইসলামকে হত্যার মামলাতেও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
রফিকুল ইসলাম হত্যা মামলায় ২০২৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর সাবেক এই মন্ত্রীর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে ২৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেরা মাহবুবের আদালতে তাকে হাজির করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই রয়েছেন।
এর আগে, ঐ বছরের ২৮ আগস্ট নিহত রফিকুল ইসলামের স্ত্রী নাজিয়া আক্তার বাদী হয়ে হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। ওই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৯৫ জনকে আসামি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে এসব মামলাতেই হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেছিলেন নুরুল ইসলাম সুজন।

আপনার মতামত লিখুন